পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি ড. আশরাফুর রহমান অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা-এর ঝাওয়াইল ইউনিয়ন-এর গোলাবাড়ি গ্রামে খাল খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এড. মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষকরা খাল ভরাট ও জলাবদ্ধতার কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি সহায়তায় নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খনন কার্যক্রম তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আশাবাদ দেখা গেছে।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই পবিত্র দিনটি আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক-এটাই ঈদের মূল শিক্ষা।এ সময় তিনি নলডাঙ্গা পৌরবাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন এবং সবাইকে ঈদের আনন্দ পরিবার-পরিজনের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।
শুভেচ্ছান্তে:
সান্টু ইসলাম
সাংবাদিক, নলডাঙ্গা নাটোর
কক্সবাজারের পেকুয়ায় চোরের নজর এবার লবণ মাঠের উপর পড়ল। গভীর রাতে প্রায় ৪০ শতক লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরের দল। চোরের দলের হানায় মাথায় হাত হতভাগা লবণ চাষীদের। একেতো লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভোগছিল লবণচাষীরা তার উপর মরার উপর খড়ার ঘাঁ এর মত বিধছে চোরের এমন উৎপাতে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মঠকাভাঙ্গা এলাকার দিদারুল ইসলামের লবণ মাঠ থেকে চুরি হয় পলিথিন ও লবণ।
ভূক্তভোগী লবণচাষী দিদারুল ইসলাম অভিযোগ জানান, বাপ-দাদার আমল হতে বংশ পরমপরায় এ জমিতে লবণ চাষ করে আসছি। পাশে রেড ক্রিসেন্ট এর পুকুরে বর্ষার সময় জমে থাকা লবণ পানি নিয়ে লবণ চাষ করে আসছিলাম আমরা। অতীতে কোন সময় এমন চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্ত বিগত কয়েকমাস ধরে এলাকার চিহ্নিত চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আমরা শংকিত। এ মৌসুম শুরুর সময় পুকুর থেকে পানি নেয়ার সময় এলাকার কিছু বখাটে লোক চাঁদা দাবী করে আসছিল। তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারাই এমন চুরি সংঘটিত করেছে বলে আমরা সন্দেহ করছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। মঠকাভাঙ্গা এলাকার চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।