সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

ঈদকে ঘিরে সুন্দরবনে সক্রিয় হরিণশিকারি চক্র, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম | 9 বার পড়া হয়েছে
ঈদকে ঘিরে সুন্দরবনে সক্রিয় হরিণশিকারি চক্র, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

ঈদকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে সুন্দরবনের হরিণশিকারি চক্র। ঈদের লম্বা ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিকারিরা হরিণ শিকার করে মাংস রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে পাচার করতে পারে—এই আশঙ্কায় পুরো সুন্দরবনজুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে বন বিভাগ। সম্ভাব্য চোরা শিকার ঠেকাতে বনরক্ষীদের আজ ১৬ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করে বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একাধিক সূত্র জানায়, ঈদের সময় হরিণের মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে শিকারি চক্রগুলো সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা বনের ভেতরে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে। পরে সেই মাংস নদীপথ ও স্থলপথে বিভিন্ন মাধ্যমে পাচার হয়ে পৌঁছে যায় ঢাকাসহ বড় শহরের ভোক্তাদের কাছে। এবার ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে শহরের অনেক মানুষ সুন্দরবনসংলগ্ন গ্রামে আসবে। ফলে এই সময়ে হরিণের মাংসের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধির লোভে শিকারি চক্রগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই শিকারিরা দুই-এক দিনের মধ্যে রাতের আঁধারে বনের ছোট ছোট খালে নৌকা নিয়ে ও পায়ে হেঁটে বনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বনসংলগ্ন এলাকার লোকজন জানান।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য বলছে, চোরা শিকারি সিন্ডিকেটগুলোর প্রধান টার্গেট সুন্দরবনের চিত্রল হরিণ। তবে শিকারিদের পাতা ছিটকা ফাঁদ, মালা ফাঁদ ও হাঁটা ফাঁদে মাঝেমধ্যে আটকা পড়ছে অন্যান্য বন্য প্রাণীও। সম্প্রতি হরিণ ধরার ফাঁদে আটকে পড়া একটি জীবিত বাঘ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া শূকর, বানরসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীও এসব ফাঁদে পড়ে মারা যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

মো: হামিম রানা ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদ বাজারে তিন পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ

মো: হামিম রানা ঠাকুরগাঁও প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদ বাজারে তিন পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ

ঠাকুরগাঁওয়োর রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বাজার অবস্থিত তিনটি তেল পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা। ১৬ মার্চ সোমবার সকাল থেকে নেকমরদে তিনটি পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে তেল নিতে গিয়ে অনেক চালক ও সাধারণ মানুষ পাম্পগুলো বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করে একসঙ্গে তিনটি পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেককে বিকল্প হিসেবে দূরের পাম্পে গিয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে, এতে সময় ও অতিরিক্ত খরচ দুটিই বাড়ছে।

এ বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরবরাহ সংকটের কারণেই আপাতত তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। নতুন করে তেল সরবরাহ এলেই আবার স্বাভাবিকভাবে বিক্রি শুরু করা হবে।

এদিকে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মো. শামীম হোসাইন

খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে বাড়বে কৃষি উৎপাদন: সোহেল মঞ্জুর

মো. শামীম হোসাইন প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে বাড়বে কৃষি উৎপাদন: সোহেল মঞ্জুর

নদী, খাল ও জলাশয় খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নত হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা কমবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ভুবনেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন মোল্লার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচির আলোকে বর্তমান সরকার দেশের নদী-নালা ও খাল খনন ও পুনরুদ্ধারে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।’

প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচির আলোকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের নদী-নালা ও খাল পুনরুদ্ধারে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা কমবে।’

পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, মেজর ইসরাফ হোসাইন ,বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পার্থ প্রমিত সাহা, ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) উজ্জ্বল হালদার।

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ

ত্যাগের মূল্যায়ন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
ত্যাগের মূল্যায়ন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী

দেশের ৪২ জেলায় নতুন জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা সুনামগঞ্জের জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী।

ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ এই নেতার নিযুক্তিতে স্থানীয় রাজনীতিতে বইছে উৎসবমুখর আমেজ।
​তৃণমূল থেকে কেন্দ্র এক দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ​মিজানুর রহমান চৌধুরী, রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসেবে পরিচিত। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা সাবেক ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে ভূমিকা রাখছেন।

​বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিজানুর রহমান চৌধুরী সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়াবাজার) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল ওই আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি কলিমউদ্দিন আহমদ মিলনকে মনোনীত করে। শুরুতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও, পরবর্তীতে দলের বর্তমান চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। নিজের ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষাকে বিসর্জন দিয়ে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের প্রতি এই প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও ত্যাগের প্রতিদান হিসেবেই আজ তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক
​নিযুক্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান চৌধুরী এই প্রতিবেদককে বলেন,
​”আমি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী। এই আদর্শের বাইরে যাওয়া মানেই দলের সাথে বেইমানি করা। দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করেছেন, এজন্য আমি তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। জীবনের বাকি সময়টুকু দেশ ও জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করতে চাই।
​তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি বদ্ধপরিকর।

বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন। এদিকে মিজানুর রহমান চৌধুরীর নাম প্রশাসক ঘোষণার পর থেকেই ​এলাকায় আনন্দের জোয়ার।

​মিজানুর রহমান চৌধুরীকে প্রশাসক নিযুক্ত করায় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আনন্দিত।

স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও দুঃসময়ের কাণ্ডারিকে যোগ্য পদে পদায়ন করায় সুনামগঞ্জের রাজনীতির মাঠে সবাই এখন ঐক্য বদ্ধ।

error: Content is protected !!