সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম | 34 বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

চুয়াডাঙ্গা জেলায় অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। তাঁর বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


​আজ সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও অফিসার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, অফিসার্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী পুলিশ সুপারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন:

​আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: চুয়াডাঙ্গা জেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি মাদক নির্মূল, চোরাচালান রোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন।

​পেশাদারিত্ব: মাঠ পর্যায়ের পুলিশিং ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং পুলিশের সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

​মানবিক পুলিশিং: করোনাত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সামাজিক বিভিন্ন সংকটে তিনি সাধারণ মানুষের বন্ধু হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

​জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম কেবল একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাই নন, তিনি একজন অসাধারণ সমন্বয়ক। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের সাথে সুসমন্বয় বজায় রেখে তিনি জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যে অবদান রেখেছেন, চুয়াডাঙ্গাবাসী তা দীর্ঘকাল মনে রাখবে।”

​সংবর্ধনার জবাবে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সরকারি চাকুরির সূত্রে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে চুয়াডাঙ্গার মানুষের ভালোবাসা ও সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা আমি সারাজীবন মনে রাখব। দায়িত্ব পালনকালে আমি চেষ্টা করেছি ইনসাফ কায়েম করতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হতে। আমার কোনো ভুল-ত্রুটি হলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।”

​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অফিসার্স ক্লাব, চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপারকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

​পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বিদায়ের এই ক্ষণে সহকর্মীদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গোপালপুরে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন: কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার সঞ্চার

খন্দকার আউয়াল ভাসানী(টাঙ্গাইল) প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম
গোপালপুরে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন: কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার সঞ্চার

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা-এর ঝাওয়াইল ইউনিয়ন-এর গোলাবাড়ি গ্রামে খাল খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এড. মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষকরা খাল ভরাট ও জলাবদ্ধতার কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি সহায়তায় নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খনন কার্যক্রম তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আশাবাদ দেখা গেছে।

নাটোর প্রতিনিধি

নলডাঙ্গা পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক সান্টু ইসলাম

নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নলডাঙ্গা পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক সান্টু ইসলাম

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলডাঙ্গা পৌরবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, সাংবাদিক সান্টু ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই পবিত্র দিনটি আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক-এটাই ঈদের মূল শিক্ষা।এ সময় তিনি নলডাঙ্গা পৌরবাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন এবং সবাইকে ঈদের আনন্দ পরিবার-পরিজনের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।

শুভেচ্ছান্তে:

সান্টু ইসলাম
সাংবাদিক, নলডাঙ্গা নাটোর

পেকুয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি

পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

পেকুয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৮ পিএম
পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চোরের নজর এবার লবণ মাঠের উপর পড়ল। গভীর রাতে প্রায় ৪০ শতক লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরের দল। চোরের দলের হানায় মাথায় হাত হতভাগা লবণ চাষীদের। একেতো লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভোগছিল লবণচাষীরা তার উপর মরার উপর খড়ার ঘাঁ এর মত বিধছে চোরের এমন উৎপাতে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মঠকাভাঙ্গা এলাকার দিদারুল ইসলামের লবণ মাঠ থেকে চুরি হয় পলিথিন ও লবণ।
ভূক্তভোগী লবণচাষী দিদারুল ইসলাম অভিযোগ জানান, বাপ-দাদার আমল হতে বংশ পরমপরায় এ জমিতে লবণ চাষ করে আসছি। পাশে রেড ক্রিসেন্ট এর পুকুরে বর্ষার সময় জমে থাকা লবণ পানি নিয়ে লবণ চাষ করে আসছিলাম আমরা। অতীতে কোন সময় এমন চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্ত বিগত কয়েকমাস ধরে এলাকার চিহ্নিত চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আমরা শংকিত। এ মৌসুম শুরুর সময় পুকুর থেকে পানি নেয়ার সময় এলাকার কিছু বখাটে লোক চাঁদা দাবী করে আসছিল। তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারাই এমন চুরি সংঘটিত করেছে বলে আমরা সন্দেহ করছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। মঠকাভাঙ্গা এলাকার চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

error: Content is protected !!