বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

গোপালপুরে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন: কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার সঞ্চার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম | 76 বার পড়া হয়েছে
গোপালপুরে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন: কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার সঞ্চার

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা-এর ঝাওয়াইল ইউনিয়ন-এর গোলাবাড়ি গ্রামে খাল খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এড. মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষকরা খাল ভরাট ও জলাবদ্ধতার কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি সহায়তায় নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খনন কার্যক্রম তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। খাল খনন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আশাবাদ দেখা গেছে।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানুষের মনে জাগিয়েছেন আশার আলো

অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৪ পিএম
অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

সাংবাদিকতা মানেই সত্যের সন্ধান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করে নোয়াখালী জেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। তিনি বর্তমানে সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, সেনবাগ উপজেলা শাখার সভাপতি, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির যুগ্ম আহবায়ক, ন্যাশনাল রিপোর্টার্স ইউনিটি ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং দৈনিক উপকন্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। বিভিন্ন দৈনিক প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় তাঁর প্রেরিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার হওয়ায় দৃষ্টি নন্দন কয়েকটি ভাইরাল নিউজ মানুষের মাঝে আশার আলো জুগিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নির্ভীক ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।

সাংবাদিকতায় তাঁর এই সাহসী পদচারণা তাকে নোয়াখালীর গণমাধ্যম অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘অকুতোভয় কলমযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সত্য প্রকাশে তিনি কখনোই আপোস করেননি—যা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ড. আবু নাছেরের মতো সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের হাত ধরেই সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর প্রতিটি প্রতিবেদন শুধু সংবাদ নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের একেকটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

এদিকে, তাঁর এই অবদানের জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশংসা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একইভাবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। সাংবাদিকতার অঙ্গনে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি সাহস, একটি আদর্শ এবং একটি পরিবর্তনের প্রতীক।

চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

টেকনাফ উপজেলা: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিএনজি চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে সিএনজি চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

হাইওয়ে পুলিশের ওসি নুরুল আফসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটেলিয়ান ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের বিদায় লগ্ন, চারিদিকে সবাই মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঈদ উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি—ঠিক সেই মুহূর্তে কিছু নিষ্পাপ মুখে ফুটে ওঠে এক অনাবিল প্রশান্তির হাসি। সমাজের অবহেলিত, সুবিধা বঞ্চিত এতিম শিশুদের হাতে যখন ঈদ উপহার ও ঈদের দিনের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়, তখন সেটি শুধু উপহার নয়—একটি ভালোবাসা, একটি যত্ন, একটি আপন করে নেওয়ার অনুভূতি জাগ্রত করে।

আজ ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ ১০২০ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম পাশে দাঁড়িয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন গোমস্তাপুর উপজেলার চকপুস্তম এলাকার শিশু সদনে অসহায় ও মা-বাবা হারা শিশুদের পাশে। ঈদের দিনের জন্য নতুন পোশাক এবং ঈদের দিনের উন্নত খাদ্য পরিবেশনের জন্য পোলাও চাল, সেমাই, তৈলসহ সহায়ক খাদ্য উপকরণ নিয়ে হাজির হন শিশুদের দরজায় এবং তাদের ন্যূনতম ঈদের দিনের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন। এ ঈদ উপহার সামগ্রী শুধু তাদের চাহিদা মেটায়নি, তার চেয়েও বেশি পূরণ করেছে ভালোবাসার অভাবটুকু। আর নতুন পোশাক হাতে পেয়ে সেই অভিভাবকহীন সন্তানদের চোখেই জ্বলে উঠেছে তৃপ্তি ও প্রশান্তির আলো।

ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষে লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম আবেগঘন কণ্ঠে জানান, “এতিমদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারা—এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না। এই শিশুরাই আমাদের সমাজের অংশ, তাদের আনন্দই আমাদের প্রকৃত অভিপ্রায় ও চাওয়া।”তিনি আরো বলেন আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান থেকে যদি এভাবে একটু করে এগিয়ে আসি, তবে হয়েতো কোনো শিশু আর নিজেকে একা ও অসহায় ভাববে না। বিজিবির এই উদার ও জনহিতকর কর্মকান্ডে বিজিবি’র ভাবমূর্তি বেসামরিক অঙ্গনে বহুল প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর এ মানবদরদী কর্মকান্ডে সমাজের বিত্তবানরা উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবে বলে সাধারণ জনগণ মনে করছে।

error: Content is protected !!