সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

পেকুয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি

পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৮ পিএম | 62 বার পড়া হয়েছে
পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চোরের নজর এবার লবণ মাঠের উপর পড়ল। গভীর রাতে প্রায় ৪০ শতক লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরের দল। চোরের দলের হানায় মাথায় হাত হতভাগা লবণ চাষীদের। একেতো লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভোগছিল লবণচাষীরা তার উপর মরার উপর খড়ার ঘাঁ এর মত বিধছে চোরের এমন উৎপাতে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মঠকাভাঙ্গা এলাকার দিদারুল ইসলামের লবণ মাঠ থেকে চুরি হয় পলিথিন ও লবণ।
ভূক্তভোগী লবণচাষী দিদারুল ইসলাম অভিযোগ জানান, বাপ-দাদার আমল হতে বংশ পরমপরায় এ জমিতে লবণ চাষ করে আসছি। পাশে রেড ক্রিসেন্ট এর পুকুরে বর্ষার সময় জমে থাকা লবণ পানি নিয়ে লবণ চাষ করে আসছিলাম আমরা। অতীতে কোন সময় এমন চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্ত বিগত কয়েকমাস ধরে এলাকার চিহ্নিত চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আমরা শংকিত। এ মৌসুম শুরুর সময় পুকুর থেকে পানি নেয়ার সময় এলাকার কিছু বখাটে লোক চাঁদা দাবী করে আসছিল। তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারাই এমন চুরি সংঘটিত করেছে বলে আমরা সন্দেহ করছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। মঠকাভাঙ্গা এলাকার চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

‎আবিদ হাসান, ইসলামপুর (জামালপুর)

‎ইসলামপুরে কাটাখালি (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

‎আবিদ হাসান, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৮ পিএম
‎ইসলামপুরে কাটাখালি (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনঃখনন কর্মসূচি–২০২৬ এর আওতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে কাটাখালি (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে গাইবান্ধা ইউনিয়নের কাটাখালি (জিয়া খাল) এলাকায় এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ সুলতান মাহমুদ বাবু, সংসদ সদস্য শাহ ওয়ারেছ আলী মামুন এবং সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কাটাখালি (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে তদন্ত কমিটি হবে: খাতুনগঞ্জে বাণিজ্যমন্ত্রী

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম
বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে তদন্ত কমিটি হবে: খাতুনগঞ্জে বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য এবং প্রয়োজন হলে অন্য পেশাজীবীদের নিয়ে একটি ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ কমিটি গঠন করা হবে।
১৫ মার্চ(রোববার) খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ ও দামের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি বা পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব দেশের বাজারে পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রণজনিত কারণে যাতে পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কোথাও কোথাও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে, তবে সেটি সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়। অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশ্বের কোথাও সংঘাত হলে সরবরাহে চাপ ও দামের ঊর্ধ্বগতি হতে পারে। তবে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্য রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বাজারে যে পণ্য সরবরাহ রয়েছে তার বেশির ভাগই যুদ্ধ শুরুর আগেই দেশে এসেছে। সরকারের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা হলে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত ব্যবস্থা নিতে পারে, যাতে ভোক্তাদের উপর চাপ কম পড়ে।
সভায় ‘দামি ও বিলাসী’ ফল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয়তা নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, কিছু ফল রয়েছে যা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। যেমন আপেল, আঙুর ও কমলা। এসব ফলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার প্রয়োজনে নীতিগত পদক্ষেপ বিবেচনা করবে।
বাজার তদারকির কারণে ব্যবসায়ীরা যেন অযথা হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল চালিকাশক্তি ব্যবসায়ীরাই। সরকারের দায়িত্ব ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাজার যাতে স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে পারে তা নিশ্চিত করা। চলতি রমজান মাসে ভোজ্যতেলের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি আহমদ রশীদ আমু, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুশ বশর চৌধুরী ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ।
সভায় খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে মহাসড়কে ওজন স্কেল স্থাপন, নিত্যপণ্যের উৎপাদন-চাহিদা ও আমদানির সঠিক তথ্য সরবরাহ, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি, আয়কর সমস্যা, চাঁদা ও ঘুষসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা চান।
একই দিন বিকেলে মন্ত্রী চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সার্কিট হাউসে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, ঈদের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবার বৈঠক করা হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের স্ক্যানার সমস্যা, কন্টেইনার জটসহ ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জটিলতা দ্রুত সমাধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মো: হামিম রানা ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদ বাজারে তিন পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ

মো: হামিম রানা ঠাকুরগাঁও প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদ বাজারে তিন পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ

ঠাকুরগাঁওয়োর রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বাজার অবস্থিত তিনটি তেল পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা। ১৬ মার্চ সোমবার সকাল থেকে নেকমরদে তিনটি পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে তেল নিতে গিয়ে অনেক চালক ও সাধারণ মানুষ পাম্পগুলো বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করে একসঙ্গে তিনটি পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেককে বিকল্প হিসেবে দূরের পাম্পে গিয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে, এতে সময় ও অতিরিক্ত খরচ দুটিই বাড়ছে।

এ বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরবরাহ সংকটের কারণেই আপাতত তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। নতুন করে তেল সরবরাহ এলেই আবার স্বাভাবিকভাবে বিক্রি শুরু করা হবে।

এদিকে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

error: Content is protected !!