রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর

মণিরামপুর বিদ্যুৎ অফিসের ‘মনগড়া’ বিল: অতিষ্ঠ গ্রাহক

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৫ পিএম | 33 বার পড়া হয়েছে
মণিরামপুর বিদ্যুৎ অফিসের ‘মনগড়া’ বিল: অতিষ্ঠ গ্রাহক

যশোরের মণিরামপুর বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ওপর ইচ্ছামতো এবং অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রকার মিটার রিডিং না দেখেই অফিস কক্ষের টেবিল বসে ‘মনগড়া’ বিল তৈরি করায় সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

উপজেলার পৌরসভার ৪নং দূর্গাপুর-স্বরুপদাহ ওয়ার্ডের গ্রাহক মোঃ ইয়াকুব আলী, পিতা: মৃত রহমাতুল্যাহ বিশ্বাস এবং তার স্ত্রী মনোয়ারা পারভীনের নিজের বাসায় ব্যবহৃত ২টি মিটারের মার্চ/২৬ মাসের মনগড়া বিল তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, গ্রাহক মো: এয়াকুব আলী, হিসাব নং-১০১১০১২৭১১৬৬৫ মার্চ/২৬ মাসে মোট ২৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তার বিল করা হয়েছে, ২২০ টাকা, এবং
এবং গ্রাহক মনোয়ারা পারভীন, হিসাব নং- ১০১১০১২৭১১৬৪৭ মার্চ/২৬ মাসে ৩০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তার বিল করা হয়েছে ২০১ টাকা। একই বাসার ২ টি মিটারের এই বৈষম্য বিদ্যুৎ বিল করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গ্রাহকরা।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, মিটারের প্রকৃত রিডিংয়ের চেয়ে বিলে কয়েকশ ইউনিট বেশি লিখে দেওয়া হয়েছে।
কালীবাড়ি রোডের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, “গত মাসে আমার দোকানে বিদ্যুৎ বিল এসেছে আগের মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অথচ দোকানে নতুন কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম লাগানো হয়নি। মিটার রিডারকে এলাকায় দেখাই যায় না, তারা অফিসে বসেই যা খুশি লিখে দিচ্ছে।”

অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে গ্রাহকদের পোহাতে হয় নানা ভোগান্তি। দিনের পর দিন ঘুরেও সঠিক সমাধান পাচ্ছেন না অনেকে। উপরন্তু, বিল সময়মতো পরিশোধ না করলে লাইন কেটে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষ।

সচেতন মহলের মতে, মিটার রিডারদের গাফিলতি এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সময় নির্দিষ্ট টার্গেট পূরণ করতে বা লোকসান লুকাতে সাধারণ গ্রাহকদের ঘাড়ে বাড়তি ইউনিটের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মণিরামপুরের সাধারণ মানুষের দাবি, এই ‘বানিজ্যিক হয়রানি’ বন্ধ করতে হবে। যথাযথ মিটার রিডিং গ্রহণ এবং বিলিং পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

মো:এনামুল ইসলাম

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান

মো:এনামুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি ভিপি সোহেল হিসেবেই বেশি পরিচিত।

রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। এদিন কিশোরগঞ্জসহ দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি। তিনি জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-আসনে) বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজেকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরিয়ে নেন।

খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল বিএনপি’র দুর্দিনের জেলা বিএনপি’র একজন ত্যাগি ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি হামলা-মামলা-জেল-জুলুম-নির্যাতনসহ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নানাভাবে নিগৃহীত হয়েছেন।

মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুক্তিযোদ্ধা এএসআই আব্দুল জলিল মিলনায়তনে পাবনা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনোয়ার জাহিদ, মহোদয়ের সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় জেলার সকল থানা, কোর্ট, ফাঁড়ি, ক্যাম্প, ট্রাফিক ও পুলিশ লাইন্স হতে আগত ইনচার্জগণ ও পুলিশ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

‎পাবনা জেলার কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ করার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত প্রতিটি সদস্যের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্বের সাথে কথা বলেন। পুলিশ সুপার মহোদয় পুলিশের করণীয় বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মূল্যবান দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেন।

‎কল্যাণ সভা সঞ্চালনা করেন জনাব মোঃ রেজিনুর রহমান , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), পাবনা।

‎কল্যাণ সভা শেষে পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রুজুকৃত মামলা সমূহের কেইস টু কেইস বিশ্লেষণ করা হয়। মামলা তদন্তের মান বৃদ্ধি, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ অন্যান্য অবৈধ দ্রব্যাদি উদ্ধার এবং পুলিশি সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় বিস্তারিত দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। সভা চলাকালীন সময়ে সকল ইউনিট ইনচার্জ তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করায় এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফলতা অর্জনকারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

‎উক্ত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ইউনিট ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন ওবায়দুল হক নাসির

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন ওবায়দুল হক নাসির

সারা দেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক বসানোর পর এবার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে। দ্রুতই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সাধারণত জেলা পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেন।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন এস এম ওবায়দুল হক নাসির। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতিকের প্রার্থী ছিলেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এস এম ওবায়দুল হক নাসির বিএনপির বহিস্কৃত বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদের কাছে পরাজিত হন।

এই আসনে লুৎফর রহমান খান আজাদ এক লাখ ৬ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। আর বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতিকের প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক নাসির ৮১ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করছে সরকার। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে।

error: Content is protected !!