শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে, দৈনিক উজ্জল বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা

Sheikh Md. Humayun Kabir
Sheikh Md. Humayun Kabir - Chief Reporter, BANGLADESH প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০৮ এএম | 10 বার পড়া হয়েছে
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে, দৈনিক উজ্জল বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা

রমজান মাসের অন্যতম বরকত হল, এ মাসে ভাল কাজের প্রতিদান বহু গুণে বেড়ে যায়। রোযা একমাত্র আল্লাহর জন্য, আর রোযার প্রতিদান স্বয়ং পরম করুণাময় দয়ালু মেহেরবান মহান আল্লাহ্ তাআলা নিজে দিবেন।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, দৈনিক উজ্জল বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, রাজিবুল করিম রোমিও।

পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, শুধু আল্লাহর ভয়েই বান্দা পানাহার, যাবতীয় যৌন কামনা বাসনা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকে। অন্যথায়, পৃথিবীর এমন কোন শক্তি কি, যা তাকে গোপনে এক ঢোক পানি পান করা থেকে বিরত রাখতে পারে। রোযাদার পিপাসায় কাতর অবস্থায় ওযু করার জন্য মুখে পানি নেন, কুলি করে মুখভর্তি পানি আবার ফেলে দেন, কিন্তু এক ঢোক পানি কন্ঠনালীর নিচে নামতে দেন না। কার ভয়ে, কার প্রেমে, কার ভালোবাসায়, কোন সত্তার প্রেমে মুগ্ধ হয়ে কুরবানির এই নজরানা কার মুহাব্বতে ত্যাগের এই উপস্থাপনা, কার সন্তুষ্টি হাসিলের উদ্দেশ্যে ক্ষুধা পিপাসার এই কষ্ট সহ্য করা, বস্তুত একমাত্র আল্লাহ তা’য়ালার ভয়ে, আল্লাহ তাআলার মুহাব্বতে, আল্লাহ তা’য়ালার ভালোবাসায় বিগলিত হৃদয়ই রোযার কষ্ট সহ্য করে করে তাঁর প্রিয়পাত্র হওয়ার যোগ্য। কেউ দেখছে না, কিন্তু আল্লাহ তায়া’লা তো দেখছেন। কেউ জানছে না, কিন্তু আল্লাহ তায়া’লা তো জানছেন। আহা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি এই অনুভূতি লাভ করতে পারতাম, এজন্যই তো রোযার প্রতিদান দিবেন স্বয়ং পরম করুণাময় দয়ালু মেহেরবান মহান আল্লাহ্ তাআলা। বান্দার চাহিদা মাফিক নয়, বরং মহান রব্বে কারিম নিজের শান অনুযায়ী দিবেন।

রাজিবুল করিম রোমিও আরও বলেন, হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) তায়া’লা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, বনী আদমের প্রতিটি আমলের প্রতিদান বহু গুণে বৃদ্ধি হতে থাকে, ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ, এমনকি আল্লাহ চাইলে তার চেয়েও বেশি দেন। আল্লাহ তা’য়ালা ইরশাদ করেন, তবে রোযার বিষয়টি ভিন্ন। কেননা, রোযা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি স্বয়ং এর প্রতিদান দিব। বান্দা একমাত্র আমার জন্য পানাহার ও প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ থেকে বিরত থাকে। রোযাদারের জন্য দু’টি আনন্দ, এক ইফতারের মুহূর্তে, দুই রবের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্তে। আর রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম।

জান্নাতে রোযাদার ব্যক্তিদের জন্য একটি বিশেষ দরজা আছে, যার নাম রাইয়ান। রোযাদারগণ ছাড়া অন্য কেউ এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। যখন সর্বশেষ রোযাদার ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করবে, তখন সেই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে (জান্নাতের পানীয়) পান করবে। আর যে পান করবে, সে কখনো পিপাসার্ত হবে না।

রাজিবুল করিম রোমিও আরও বলেন,
মহান আল্লাহ্ তা’য়ালা বলেন, রোযা আমার জন্য, আমি নিজেই এর প্রতিদান দিব। কেয়ামতের দিন রোযাদারদের জন্য একটি বিশেষ পানির হাউজ থাকবে, যেখানে রোযাদার ব্যতীত অন্য কারো আগমন ঘটবে না।

হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি আল্লাহর নবী (সাঃ) আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম, তারপর তিনি বললেন, যে ব্যক্তি লা’ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় একদিন রোযা রাখবে, পরে তার মৃত্যু হয় সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো দান-সদকা করে তারপর তার মৃত্যু হয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আগমন করে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমাকে এমন একটি আমল বলে দিন, যার দ্বারা আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। তখন তিনি বলেন, তুমি রোযা রাখ, কেননা এর সমতুল্য কিছু নেই। আমি পুনরায় তার নিকট এসে একই কথা বললাম। তিনি বললেন, তুমি রোযা রাখ।

হযরত সাহল ইবনে সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জান্নাতে একটি দরজা আছে, যার নাম রাইয়ান। কিয়ামতের দিন ওই দরজা দিয়ে কেবল মাত্র রোযাদার ব্যক্তিরাই প্রবেশ করবে। অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে- কোথায় সেই সৌভাগ্যবান রোযাদারগণ, তখন তারা উঠে দাড়াবে। তারা ব্যতীত কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর রোযাদারগণ যখন প্রবেশ করবে, তখন তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

আসুন আমরা পরম করুণাময় দয়ালু মেহেরবান মহান আল্লাহ্ তা’য়ালার সন্তুষ্টির জন্য, আমরা কতোইনা গুনাহ্ করেছি নিজের পরিবার জানেনা আত্তিয় স্বজন জানেনা, নিজের ভুল নিজের গুনাহ্ মাফের জন্য মহান আল্লাহ্ তা’য়ালাকে খুশি করার জন্য, রহমতের জন্য, মাগফিরাতের জন্য, নাজাতের জন্য, সিয়াম পালন করি।

দৈনিক উজ্জল বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই, পবিত্র মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

রাজিবুল করিম রোমিও
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
দৈনিক উজ্জল বাংলাদেশ।

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ

মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ এএম
মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদা ও বিনম্র চিত্তে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ০১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে শহীদ মিনারের মূল বেদী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে একে একে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মুক্তাগাছা উপজেলা শাখা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তাগাছা থানা, উপজেলা প্রেসক্লাব মুক্তাগাছা, পৌর ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন,
“মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতির গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ছিল না, এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও স্বাধিকার চেতনার সূচনা। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা আজ স্বাধীনভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছি।”
তিনি আরও বলেন,
“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশের স্বীকৃতি আমাদের জন্য বিশ্বমঞ্চে এক বিশেষ সম্মান। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানানো।”
ইউএনও মহোদয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“শিশু-কিশোরদের মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।”
সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কালো ব্যাজ ধারণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি আমাদের প্রাণের বাংলা ভাষা। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও দেশের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৪ এএম
চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে শিগগিরই গতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর মেহেদীবাগের নিজ বাসভবনে বন্দর, কাস্টমস এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস থেকে শুরু করে পরিবহন শ্রমিক—সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে আমরা বসেছি। কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে খরচ বাড়ছে, শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে দ্রব্যমূল্যের ওপর।”
তিনি বলেন, “অনেক সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে দেওয়া গেছে। কিছু সমস্যার সমাধানে কয়েকদিন সময় লাগবে, কারণ এগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তের বিষয়। আশা করছি, শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হলে বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি আসবে। পণ্য দ্রুত খালাস হলে বাড়তি ব্যয় কমবে।”
রোজা উপলক্ষে আমদানি করা পণ্য দ্রুত সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে রোজার জন্য যেসব পণ্য এসেছে, সেগুলোর ডেলিভারি ধীরগতির। আমরা দ্রুত ডেলিভারির ব্যবস্থা করছি। ডেলিভারি কম থাকলে তো পণ্যের দাম বাড়তেই থাকবে।”
দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক জটিলতা। ইনশাল্লাহ আমরা এর সমাধান দেবো। কিছু সমাধান আজই হয়েছে।”
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “শেয়ারবাজারের ওপর মানুষের যে আস্থা কমে গেছে, তা ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি পরিচালিত হতে হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে। স্বচ্ছতার ব্যাপারে কোনো আপস নয়। আগামী দিনে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে শেয়ারবাজারে বড় বিপ্লব ঘটবে।”
তিনি আরও বলেন, “এর ফলে শুধু বিনিয়োগকারীই নয়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়বে এবং দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা আসবে।”

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৯ এএম
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ