এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে শিগগিরই গতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর মেহেদীবাগের নিজ বাসভবনে বন্দর, কাস্টমস এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস থেকে শুরু করে পরিবহন শ্রমিক—সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে আমরা বসেছি। কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে খরচ বাড়ছে, শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে দ্রব্যমূল্যের ওপর।”
তিনি বলেন, “অনেক সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে দেওয়া গেছে। কিছু সমস্যার সমাধানে কয়েকদিন সময় লাগবে, কারণ এগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তের বিষয়। আশা করছি, শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হলে বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি আসবে। পণ্য দ্রুত খালাস হলে বাড়তি ব্যয় কমবে।”
রোজা উপলক্ষে আমদানি করা পণ্য দ্রুত সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে রোজার জন্য যেসব পণ্য এসেছে, সেগুলোর ডেলিভারি ধীরগতির। আমরা দ্রুত ডেলিভারির ব্যবস্থা করছি। ডেলিভারি কম থাকলে তো পণ্যের দাম বাড়তেই থাকবে।”
দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক জটিলতা। ইনশাল্লাহ আমরা এর সমাধান দেবো। কিছু সমাধান আজই হয়েছে।”
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “শেয়ারবাজারের ওপর মানুষের যে আস্থা কমে গেছে, তা ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি পরিচালিত হতে হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে। স্বচ্ছতার ব্যাপারে কোনো আপস নয়। আগামী দিনে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে শেয়ারবাজারে বড় বিপ্লব ঘটবে।”
তিনি আরও বলেন, “এর ফলে শুধু বিনিয়োগকারীই নয়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়বে এবং দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা আসবে।”

















