শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ আব্দুল আজিজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ভাঙ্গুড়ায় নলকূপ স্থাপনের অপচেষ্টা

MD. ABDUL AZIZ
MD. ABDUL AZIZ - MANAGING EDITOR, BANGLADESH প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম | 34 বার পড়া হয়েছে
ভাঙ্গুড়ায় নলকূপ স্থাপনের অপচেষ্টা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকার অনুমোদিত ক্ষুদ্র প্রকল্পের আওতায় অগভীর নলকূপ থাকা সত্ত্বেও সরকারি নিয়মকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে প্রভাব খাটিয়ে ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অনুমোদিত জোত ভূমির এরিয়ার ভেতরে উপ-সহকারি প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহম্মেদের বিরুদ্ধে পুনরায় অগভীর নলকূপ স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে । উপজেলার পার*ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের হাটগ্রাম মৌজায় কৃষি জমিতে সেচ কাজের জন্য সরকার অনুমোদিত ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের ক্যাচমেন্ট এরিয়াতে এ ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন(বিএডিসি) সেচ নীতিমালা সম্পূর্ণরূপে অমান্য করা হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএডিসি (ক্ষুদ্র সেচ) প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহামেদ বিশেষ সুবিধা নিয়ে সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে ওই এলাকার মোঃ কলিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ গহের প্রামানিকের ছেলে মোঃ হাফিজুর খার যোগসাজশে প্রভাব খাটিয়ে অগভীর নলকুপটি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদেরকে ঔ অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে বলে অভয় দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর আগে কয়েক দফা স্থানীয়ভাবে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএডিসি ( ক্ষুদ্রসেচ) প্রকল্পের মালিক উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহমেদের নিকট মৌখিক ভাবে অভিযোগ দিলে তিনি তা কর্ণপাত করেন নি।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন যে, সেচ প্রকল্পের মালিক মোছাঃ মাজেদা খাতুন এবিষয়ে অনক্-৭ লাইসেন্স ধারীনি গত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ শে প্রধান প্রকৌশলী বিএডিসি কৃষি ভবন,ঢাকা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে উপ সহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ) বিএডিসি ভাঙ্গুড়া ও সদস্য সচিব উপজেলা সেচ কমিটি ভাঙ্গুড়া এক সভায় সদস্যবৃন্দের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পরিশিষ্ট (ছক-ঘ) তে উপস্থাপিত জনাব মোঃ কামাল হোসেন ও হাফিজুর খার আবেদন গুলো আপতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহমেদকে ঔ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন কর্তৃপক্ষ কিন্তু আইনের তোয়াক্কা না করে অত্র এলাকার মোঃ কলিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ গহের প্রামানিকের ছেলে মোঃ হাফিজুর খা এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএডিসি (সেচ) প্রকল্পের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহমেদের যোগসাজশে প্রভাব খাটিয়ে অগভীর নলকুপটি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদেরকে ঔ অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে বলে অভয় দেওয়া হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের হাটগ্রামের বেলালুর রহমানের স্ত্রী জনাব মাজেদা খাতুনকে ৩০ নভেম্বর ২০২২ইং সালে জে এল নং ৬০ খতিয়ান নং ১৩৩০ ও ২৮৭৭ দাগে অগভীর নলকূপ স্থাপন করার লাইসেন্স প্রদান করেন তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। সেই থেকে জনাবা মাজেদা খাতুন ম্যানেজার হিসেবে প্রায় ৪ বছর ধরে অনক্ ৭নং লাইসেন্স মূলে এটি পরিচালনা করে আসছেন। এর আগে গত ২৬ জুন ২০২৪ সালে সাবেক ভাঙ্গুড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হাসনাইন রাসেল ও ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম হাফিজ রঞ্জু এবং উপ-সহকারি প্রকৌশলী মোঃ কাওছারের আহমেদের অনুরোধে ২৯১২, ২৯২৩, ২৯২৪, ২৯২৫,২৯২৬,২০৫২,২০৫৭,২৯৩১,২৯৩৬,২৯২৯ দাগে প্রায় ৩০ বিঘা জোত ভূমি মাজেদা খাতুনের বিএডিসি অনূমোদিত অগভীর নলকূপ স্থাপন করা এরিয়া থেকে মধুগাঁতী গ্রামের মোঃ আব্দুল গফুরের মোঃ হাফিজুর রহমানকে আবেদন করিয়ে অনুমোদন করিয়ে দেন। মাজেদা খাতুনের দাবি বার বার তার অনুমোদিত এরিয়ার অগভীর নলকূপ অনুমতি দিলে তিনি কোথায় সেচের কাজ করবেন।

তিনি আরও জানান অগভীর নলকূপটির সেচের মাধ্যমে এলাকায় কৃষি ফসল উৎপাদন হয়ে আসছে সুনামের সহিত এবং মাজেদা খাতুনের অগভীর নলকূপের অনমোদিত এরিয়ার ভিতরে পানি দেওয়া নিয়ে কোন সুফলভোগীদের অভিযোগ নেই। তারপরও উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাওছার আহমেদ বিশেষ সুবিধা নিয়ে পার্শ্ববর্তী অগভীর নলকূপ গুলো থেকে বোরিং দূরত্বের মিথ্যা তথ্য দিয়ে কৌশলে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে অগভীর নলকূপটির লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। আরো জানা যায় প্রকৌশলী মোঃ কাওছার আহমেদ টাকার(উৎকোচের) বিনিময়ে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় এধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কৃষকদের মধ্যে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরিতে তিনি অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন(বিএডিসি) ভাঙ্গুড়া উপজেলার ক্ষুদ্রসেচ ইউনিটের উপ সহকারি প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ কাওছার আহম্মেদ অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়ে অস্বীকার করেন। কিন্তু অনুমোদিত ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মধ্যে কেন পুনরায় অগভীর নলকুপ স্থাপনের অপচেষ্টা করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কোনো সদুত্তোর দিতে পারেন নি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি তাপস কুমার পাল এর জানতে অফিসিয়াল মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি।

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ

মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ এএম
মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদা ও বিনম্র চিত্তে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ০১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে শহীদ মিনারের মূল বেদী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে একে একে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মুক্তাগাছা উপজেলা শাখা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তাগাছা থানা, উপজেলা প্রেসক্লাব মুক্তাগাছা, পৌর ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন,
“মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতির গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ছিল না, এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও স্বাধিকার চেতনার সূচনা। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা আজ স্বাধীনভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছি।”
তিনি আরও বলেন,
“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশের স্বীকৃতি আমাদের জন্য বিশ্বমঞ্চে এক বিশেষ সম্মান। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানানো।”
ইউএনও মহোদয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“শিশু-কিশোরদের মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।”
সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কালো ব্যাজ ধারণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি আমাদের প্রাণের বাংলা ভাষা। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও দেশের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৪ এএম
চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে শিগগিরই গতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর মেহেদীবাগের নিজ বাসভবনে বন্দর, কাস্টমস এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস থেকে শুরু করে পরিবহন শ্রমিক—সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে আমরা বসেছি। কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে খরচ বাড়ছে, শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে দ্রব্যমূল্যের ওপর।”
তিনি বলেন, “অনেক সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে দেওয়া গেছে। কিছু সমস্যার সমাধানে কয়েকদিন সময় লাগবে, কারণ এগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তের বিষয়। আশা করছি, শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হলে বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি আসবে। পণ্য দ্রুত খালাস হলে বাড়তি ব্যয় কমবে।”
রোজা উপলক্ষে আমদানি করা পণ্য দ্রুত সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে রোজার জন্য যেসব পণ্য এসেছে, সেগুলোর ডেলিভারি ধীরগতির। আমরা দ্রুত ডেলিভারির ব্যবস্থা করছি। ডেলিভারি কম থাকলে তো পণ্যের দাম বাড়তেই থাকবে।”
দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক জটিলতা। ইনশাল্লাহ আমরা এর সমাধান দেবো। কিছু সমাধান আজই হয়েছে।”
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “শেয়ারবাজারের ওপর মানুষের যে আস্থা কমে গেছে, তা ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি পরিচালিত হতে হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে। স্বচ্ছতার ব্যাপারে কোনো আপস নয়। আগামী দিনে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে শেয়ারবাজারে বড় বিপ্লব ঘটবে।”
তিনি আরও বলেন, “এর ফলে শুধু বিনিয়োগকারীই নয়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়বে এবং দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা আসবে।”

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৯ এএম
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ