সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১:২১ পিএম | 68 বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজ যোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে থেকে সড়কপথে তিনি দিনাজপুরে যান।

প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে পৌঁছে কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খালের পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী ৫৩টি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্থানে যাবেন। সেখানে তিনি তাঁর নানা মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।

গত শুক্রবার দুপুরে সাহাপাড়া-বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সাহাপাড়ার প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল খননের ফলে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। এতে অতিরিক্ত বন্যা থেকে সুরক্ষা মিলবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের সুবিধা পাওয়া যাবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বিএডিসির সমন্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

জাহিদ হোসেন আরও জানান, খননের পাশাপাশি খালের পাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও নেওয়া হবে। খালের পানি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কৃষি উৎপাদন বাড়ে এবং স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

নাটোর প্রতিনিধি

নলডাঙ্গা পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক সান্টু ইসলাম

নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নলডাঙ্গা পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক সান্টু ইসলাম

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলডাঙ্গা পৌরবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, সাংবাদিক সান্টু ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই পবিত্র দিনটি আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক-এটাই ঈদের মূল শিক্ষা।এ সময় তিনি নলডাঙ্গা পৌরবাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন এবং সবাইকে ঈদের আনন্দ পরিবার-পরিজনের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।

শুভেচ্ছান্তে:

সান্টু ইসলাম
সাংবাদিক, নলডাঙ্গা নাটোর

পেকুয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি

পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

পেকুয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৮ পিএম
পেকুয়ায় লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরেরা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চোরের নজর এবার লবণ মাঠের উপর পড়ল। গভীর রাতে প্রায় ৪০ শতক লবণ মাঠের পলিথিন ও লবণ নিয়ে গেল চোরের দল। চোরের দলের হানায় মাথায় হাত হতভাগা লবণ চাষীদের। একেতো লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভোগছিল লবণচাষীরা তার উপর মরার উপর খড়ার ঘাঁ এর মত বিধছে চোরের এমন উৎপাতে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মঠকাভাঙ্গা এলাকার দিদারুল ইসলামের লবণ মাঠ থেকে চুরি হয় পলিথিন ও লবণ।
ভূক্তভোগী লবণচাষী দিদারুল ইসলাম অভিযোগ জানান, বাপ-দাদার আমল হতে বংশ পরমপরায় এ জমিতে লবণ চাষ করে আসছি। পাশে রেড ক্রিসেন্ট এর পুকুরে বর্ষার সময় জমে থাকা লবণ পানি নিয়ে লবণ চাষ করে আসছিলাম আমরা। অতীতে কোন সময় এমন চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্ত বিগত কয়েকমাস ধরে এলাকার চিহ্নিত চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আমরা শংকিত। এ মৌসুম শুরুর সময় পুকুর থেকে পানি নেয়ার সময় এলাকার কিছু বখাটে লোক চাঁদা দাবী করে আসছিল। তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারাই এমন চুরি সংঘটিত করেছে বলে আমরা সন্দেহ করছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। মঠকাভাঙ্গা এলাকার চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক

কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার আহ্বান জানিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে ১৫ মার্চ ২০২৬, র‌বিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন এর মাধ্যমে স্মারকলিপিটি প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব‍্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে- ইতিমধ্যে নতুন সেতুর প্রকল্পটি ২০২৪ সালে অক্টোবরে একনেক পাশ করেছে এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা গত বছর ২০২৫ সালের মে মাসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখনো এর কাজ দৃশ্যমান হয়নি। এতে চট্টগ্রামবাসী হতাশ হয়েছেন। বিগত সময়ে এ ব্যাপারে রেল ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ও কর্তৃপক্ষ বারবার ডিজাইন, পুন:ডিজাইন ইত্যাদি অজুহাতে বিভিন্নভাবে অবহেলা করে দাবীটির বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত করেছেন, সবশেষে এ কারণে প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম আশা করছে নতুন সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ অনতিবিলম্বে শুরু করবেন এবং ২০২৮-২৯ সালের মধ্যেই এই ৭০০ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ করতে সবরকম ব্যবস্থা করবেন। এই সাথে এই প্রকল্পটি নিয়ে অতীতের মতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি ও দীর্ঘসূত্রিকা যেন না হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে আর কাল বিলম্ব না করে কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার জন্য নাগরিক ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর একান্ত হস্তক্ষেপ, উদ্যোগ ও নির্দেশনা কামনা করেছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীর কমিশনার সেতুটির নির্মাণ নিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তিনি স্মারকলিপিটি জরুরি ভিত্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে ফোরামের মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, মিটুল দাশ গুপ্ত, আবু তাহের চৌধুরী,এম, মনছুর আলম, তসলিম খাঁ, শ.ম. জিয়াউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইমরান, মোঃ আক্তার, মিজানুর রহমান, রেকা চৌধুরী, মোহাম্মদ রানা, নুরুল হুদা, হারুনুর রশিদ, মো. রাকিব, ওয়াহিদুল হক, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জাহিদ সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সেতুটি নতুনভাবে নির্মাণের দাবীতে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এই দাবিকে একটি জনপ্রিয় জাতীয় দাবিতে পরিণত করেছে। বিগত সরকারের সময়ে কিছু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতা নাগরিক ফোরামের এ আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করলেও এটি থেমে থাকেনি।

error: Content is protected !!