সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

বিজয় ঘোষণার সময় হয়নি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম | 55 বার পড়া হয়েছে
বিজয় ঘোষণার সময় হয়নি

ইরানে বড় ধরনের গণ-অভ্যুত্থান কেন হচ্ছে না, তা নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান সরকারের দমন-পীড়নের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার অভাবই সেখানে প্রতিবাদের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে নিজেকে এখনই বিজয়ী ঘোষণা করার কোনো কারণ দেখছেন না ট্রাম্প।

রোববার প্রেসিডেন্ট বিমানে (এয়ার ফোর্স ওয়ান) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইরান পরিস্থিতি নিয়ে এই মন্তব্য করেন।

ইরানি নেতৃত্বের প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা একদল সন্ত্রাসীর মোকাবিলা করছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, ইরান সরকার দেশজুড়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে যাতে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে।

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘তারা (ইরান সরকার) সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে এবং বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে যে, কেউ যদি প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামে, তবে তাকে সরাসরি গুলি করে মেরে ফেলা হবে। সুতরাং, আন্দোলনকারীরা কেন এখন চুপ করে আছে, তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি।’

উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরপরই ট্রাম্প ইরানি জনগণকে রাজপথে নেমে আসার এবং তাদের সরকারকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বড় কোনো গণ-অভ্যুত্থান না ঘটায় সাংবাদিকেরা তাঁর কাছে কারণ জানতে চাইলে তিনি এই জীবননাশের হুমকির প্রসঙ্গটি টেনে আনেন।

ইরান বর্তমানে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে কতটা চাপে আছে জানতে চেয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, প্রেসিডেন্ট এখনই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করতে প্রস্তুত কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি এখনই তা করতে চাই না। তার কোনো প্রয়োজনও নেই। তবে আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, তারা (ইরানি নেতৃত্ব) বর্তমানে সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।’

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো ইরানের ওপর মার্কিন চাপ আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ইরানি জনগণের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের সমর্থনের একটি বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যেখানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে রাস্তায় মানুষের ঢল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে রাস্তায় মানুষের ঢল

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর শাহপাড়া গ্রামের খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসে চড়ে চিরিরবন্দর উপজেলা দিয়ে কাহারোলে যান তিনি। এ সময় তাঁকে একনজর দেখতে চিরিরবন্দরের রাস্তায় রাস্তার দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। বাস থেকে পথের দুই ধারে দাঁড়ানো লোকজনকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তারেক রহমান।

চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মেজবাউল ইসলাম মেজবা বলেন, খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে দিনাজপুর কাহারোল উপজেলা যাওয়া পথে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে দেবীগঞ্জ বাজার থেকে ভুষিবন্দর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল নামে।

প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে আসা হালিমা বেগম (৫৫) বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে রাণীবন্দর বাজারে এক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন তিনি। অতীতে তারেক রহমানের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। এবার তারেক রহমানকে দেখলেন। বাস থেকে হাত নেড়ে সবাইকে সালাম জানান প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানকে দেখতে পেয়ে তিনি অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া বলেন, কাহারোল উপজেলায় খনন কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাওয়ার পথে দুই উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ রাস্তার ধারে ভিড় জমায়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজকে যে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করছেন এর মধ্যে দিয়ে উত্তরের কৃষিনির্ভর জেলা দিনাজপুরের কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটবে।

 

ঈদকে ঘিরে সুন্দরবনে সক্রিয় হরিণশিকারি চক্র, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম
ঈদকে ঘিরে সুন্দরবনে সক্রিয় হরিণশিকারি চক্র, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

ঈদকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে সুন্দরবনের হরিণশিকারি চক্র। ঈদের লম্বা ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিকারিরা হরিণ শিকার করে মাংস রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে পাচার করতে পারে—এই আশঙ্কায় পুরো সুন্দরবনজুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে বন বিভাগ। সম্ভাব্য চোরা শিকার ঠেকাতে বনরক্ষীদের আজ ১৬ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করে বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একাধিক সূত্র জানায়, ঈদের সময় হরিণের মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে শিকারি চক্রগুলো সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা বনের ভেতরে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে। পরে সেই মাংস নদীপথ ও স্থলপথে বিভিন্ন মাধ্যমে পাচার হয়ে পৌঁছে যায় ঢাকাসহ বড় শহরের ভোক্তাদের কাছে। এবার ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে শহরের অনেক মানুষ সুন্দরবনসংলগ্ন গ্রামে আসবে। ফলে এই সময়ে হরিণের মাংসের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধির লোভে শিকারি চক্রগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই শিকারিরা দুই-এক দিনের মধ্যে রাতের আঁধারে বনের ছোট ছোট খালে নৌকা নিয়ে ও পায়ে হেঁটে বনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বনসংলগ্ন এলাকার লোকজন জানান।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য বলছে, চোরা শিকারি সিন্ডিকেটগুলোর প্রধান টার্গেট সুন্দরবনের চিত্রল হরিণ। তবে শিকারিদের পাতা ছিটকা ফাঁদ, মালা ফাঁদ ও হাঁটা ফাঁদে মাঝেমধ্যে আটকা পড়ছে অন্যান্য বন্য প্রাণীও। সম্প্রতি হরিণ ধরার ফাঁদে আটকে পড়া একটি জীবিত বাঘ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া শূকর, বানরসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীও এসব ফাঁদে পড়ে মারা যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ ফ্লাইট বাতিল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ পিএম
১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিপুলসংখ্যক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ায় এসব দেশের গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনায় বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি ফ্লাইট। ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়। ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি এবং ১০ মার্চ ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরপর ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি এবং ১৫ মার্চ ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

গত রোববার (১৫ মার্চ) রাত ১২টার পরও ফ্লাইট বাতিলের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এদিন কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে এদিন বাতিল হয়েছে ২৮টি ফ্লাইট।

টানা ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মীরা। অনেক যাত্রী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন এবং কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া কঠিন হবে।

error: Content is protected !!