সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

বিশ্বের জ্বালানি বাজারের চাবিকাঠি এখন ইরানের হাতে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩০ পিএম | 9 বার পড়া হয়েছে
বিশ্বের জ্বালানি বাজারের চাবিকাঠি এখন ইরানের হাতে

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো চলতি সপ্তাহে তাদের ক্রেতাদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাসে তেল রপ্তানির জন্য তারা কোন বন্দর ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। আরামকোর এই একটি বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের এক নতুন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। আর তা হলো—বিশ্ব জ্বালানি বাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার চাবিকাঠি এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নয়, ইরানের হাতে।

বিশ্বজুড়ে সৌদি তেলের ক্রেতাদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা লোহিত সাগর থেকে তেল পেতে পারেন, আবার পারস্য উপসাগর থেকেও পেতে পারেন। এই অনিশ্চয়তা দেখে সৌদির এক নিয়মিত তেল ক্রেতা মন্তব্য করেছেন, ‘এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে আর আমি কবে তেল পাব, তা জানতে এখন আমাকে ইরানে ফোন করলেই বোধ হয় ভালো হবে।’

এই মন্তব্যটি মধ্যপ্রাচ্যের ভেতরে ও বাইরে ক্রমবর্ধমান এক উদ্বেগের প্রতিফলন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যেকোনো সময় যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দিতে পারে, তবে এই সংঘাতের মেয়াদ আসলে কত দিন হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত কথা বলবে ইরানই। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এই পরিস্থিতিকে ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বিপর্যয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বলে আসছেন, তারা এই যুদ্ধে জয়ের খুব কাছাকাছি। তবে তাঁর দেওয়া সময়সীমা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওঠানামা করছে। অন্যদিকে, ইরান তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন শোধনাগার, পেট্রোকেমিক্যাল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পগুলোতে।

মধ্যপ্রাচ্যের কোম্পানিগুলোর নির্বাহী এবং পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ এখনই থেমে গেলেও কেবল যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিরাপত্তার আশ্বাসে নৌ-চলাচল এবং উৎপাদন পুনরায় শুরু করা যাবে না। তেহরানের স্বল্পমূল্যের ড্রোন তাদের এমন এক শক্তি দিয়েছে, যার মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘসময় নৌ-চলাচল অচল করে রাখতে পারবে। এমনকি তাদের আক্রমণকারীরা যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দেওয়ার পরও।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পাহারা পাঠাতে পারে এবং মিত্র দেশগুলোকেও যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে বলেছেন। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন জ্যেষ্ঠ জ্বালানি কর্মকর্তা বলেছেন, নৌ-পাহারা দিয়ে খুব একটা কাজ হবে। যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানের সঙ্গে এমন কোনো শর্তে একমত হয়, যেখানে ইরান জাহাজগুলোর ওপর হামলা বা হুমকি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেবে। তিনি জানান, ইরান নিরাপদ যাতায়াতের গ্যারান্টি না দেওয়া পর্যন্ত তাদের জাহাজগুলো বন্দরেই থাকবে।

থিংক ট্যাংক চ্যাথাম হাউসের বিশ্লেষক নিল কুইলিয়াম বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এমন কোনো শর্তে বিজয়ী হওয়ার ঘোষণা দেয় যা ইরান গ্রহণ করবে না, তবে তেহরান মাইন এবং ড্রোন ব্যবহার করে আরও বড় বিপর্যয় তৈরির চেষ্টা করবে।’

এদিকে, গতকাল শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা তেল লোডিং হাবে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল। সাবেক সিআইএ বিশ্লেষক হেলিমা ক্রফট বলেন, ইরান এই পাল্টা হামলার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, এই যুদ্ধে কোনো ‘নিরাপদ বন্দর’ নেই এবং ওয়াশিংটন এই সংঘাতের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখে না। তিনি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে (লোহিত সাগর) হামলার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছেন, যা সৌদি আরবের তেল রপ্তানির একমাত্র বিকল্প পথ।

ইরাক সরকারের একজন জ্বালানি উপদেষ্টা জানিয়েছেন, এই সংকটের ফলে সরবরাহ রুটের ওপর আস্থা পুরোপুরি ভেঙে গেছে এবং এই অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি জানান, অবকাঠামো মেরামত করতে কয়েক মাস সময় লাগবে এবং ঝুঁকির কারণে বিমা খরচ অনেক বেশি ও দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠবে।

এ ছাড়া ইরানি হামলার কারণে সৌদি আরব, আমিরাত, বাহরাইন এবং ইসরায়েলের শোধনাগারগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে তেল ও গ্যাসের দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। মর্গান স্ট্যানলির বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের দ্রুত সমাধান হলেও বাজার স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। র‍্যাপিডান এনার্জির বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেল কোম্পানিগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলে ফিরে আসতে দেরি করতে পারে, যা তেলক্ষেত্রগুলো পুনরায় চালু করতে বিলম্ব ঘটাবে এবং খনিগুলোর স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

রপ্তানি পথ বন্ধ থাকায় তেল উৎপাদকেরাও উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে। আরামকো তাদের দুটি বিশাল অফশোর ক্ষেত্র—সাফানিয়া ও জুলুফ বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে ওপেকের শীর্ষ উৎপাদকের উৎপাদন ২০ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া ইরাকে উৎপাদন কমেছে ৭০ শতাংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে তেলের উৎপাদন প্রতিদিন ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ব্যারেল কমেছে, যা বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ৭-১০ শতাংশ। কাতার তাদের এলএনজি উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্বের মোট সরবরাহের ২০ শতাংশ। কাতার তাদের গ্রাহকদের জানিয়ে দিয়েছে, আগামী মে মাসের আগে তারা সম্ভবত কোনো তেল পাবে না।

জ্বালানি খাতের একজন সূত্র সরাসরি বলেছেন, ‘এই অচলাবস্থার কারণ একটি—নিরাপত্তা। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিতে পারি না।’ ফলে ইরান যদি নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা না দেয়, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

শাহরিয়ার ইসলাম, ঢাকা

শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তরুণ নিহত

শাহরিয়ার ইসলাম, ঢাকা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৯ এএম
শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তরুণ নিহত

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে রাকিব আহমেদ (২৫) নামের এক তরুণ মারা গেছেন। 

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শাহবাগ থানা-পুলিশ জানায়, রাত সোয়া নয়টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিব। এ সময় তিন-চারজন যুবক তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে এবং মাথায় গুলি করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিঠু ফকির বলেন, গুরুতর আহত রাকিবকে রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। পরে রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত রাকিবের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

রাকিব আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার চৌমুহনী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৈত্রী হলের একজন কর্মচারী। পরিবার নিয়ে রাজধানীর নিমতলী নাজিম উদ্দিন রোড এলাকায় থাকতেন। তিনি বোরহান উদ্দিন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রাকিবের বন্ধু আলামিন বলেন, রাতে বন্ধুরা মিলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে রাকিবকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত ও গুলি করে আহত করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

১৬–১৭ মার্চ

দক্ষিণ রাউজানে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (প্রতিনিধি) প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ পিএম
দক্ষিণ রাউজানে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির প্রাঙ্গণে গঙ্গা পূজা, মাতৃপূজা ও মহাতীর্থ বারুণী স্নান উপলক্ষে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞের ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মধুকৃষ্ণা এয়োদশী তিথিতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় আগামী ১৬ ও ১৭ মার্চ (সোম ও মঙ্গলবার) দুইদিনব্যাপী এ মহতী ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ১৬ মার্চ সোমবার বিকাল ৩টায় মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিবেশন করবে ‘টিম বৃষ্টি’। একইদিন মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, গঙ্গা আহ্বান এবং শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে। শুভ অধিবাস কীর্তন ও পৌরহিত্যের দায়িত্ব পালন করবেন হাটহাজারী শিকারপুর গৌরাঙ্গ বাড়ী সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ১০৮ স্বরূপ দাস বাবাজী মহারাজ।
পরদিন ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভারম্ভ, শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ, মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগারতি কীর্তন এবং দিবারাত্রি অন্নপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি।
দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শুভাষ কান্তি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু) জানান, মহোৎসবকে ঘিরে পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি দুলাল বৈদ্য, সহ-সভাপতি ধনা মালাকার, দোলন ঘোষ, সাগর সেন, সঞ্জিত বৈদ্য পিন্টু ও সুজিত দাশ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চন্দন বিশ্বাস; সহ-সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় মহাজন, পরিমল নাথ ও আশীষ দাশ; সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন ঘোষ (বাদশা), যিশু বৈদ্য ও অসীম চৌধুরী; অর্থ সম্পাদক সমীর চন্দ্র দে; সহ অর্থ সম্পাদক নারায়ণ মহাজন ও শিবু চক্রবর্তী; সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজন দাশ; সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুমন সেন; প্রচার সম্পাদক সজল দাশ; সহ প্রচার সম্পাদক মানস চৌধুরী; দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব মহাজন; সহ দপ্তর সম্পাদক যীতু চৌধুরী এবং সদস্য সুজন দে, অঞ্জন বিশ্বাস, কাজল চক্রবর্তী ও সুমন মালাকারসহ অন্যান্য সদস্যরা এ মহোৎসব আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মঠ-মন্দির ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের স্বস্তি

গাজীপুরে স্বল্পমূল্যে মুরগি, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি

দিশা আক্তারঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
গাজীপুরে স্বল্পমূল্যে মুরগি, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি

পবিত্র Ramadan উপলক্ষে গাজীপুরে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে Gazipur District Livestock Office। পহেলা রমজান থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন মুরগি, ডিম, গরুর মাংসসহ বিভিন্ন পণ্য কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ স্বল্প মূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে পারছেন, ফলে বাজারের বাড়তি দামের চাপ কিছুটা কমেছে। গাজীপুরের বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণত বেড়ে যায়। এ সময় জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এই উদ্যোগ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, “রমজান মাসে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। ভবিষ্যতেও প্রতিবছর এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য আমরা চেষ্টা করব।”
গাজীপুরবাসী আশা করছেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে এমন জনবান্ধব উদ্যোগ আগামী দিনেও চলমান থাকবে।

error: Content is protected !!