সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

বহুজাতিক সেনা মোতায়েন করবে ইসরায়েল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:১২ পিএম | 62 বার পড়া হয়েছে
বহুজাতিক সেনা মোতায়েন করবে ইসরায়েল

গাজায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। আগামী মে মাসের মধ্যেই এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। গাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইসরায়েল।

গত শনিবার ইসরায়েলের পাবলিক ব্রডকাস্টার কানের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এই অভিযানে কাজাখস্তান, মরক্কো, আলবেনিয়া ও কসোভোর সেনারা অংশ নেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকেই প্রায় ৫ হাজার সেনা অংশ নেবে।

কানের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ গাজার রাফাহ অঞ্চলের একটি শহরে এই বহুজাতিক সেনাদের মোতায়েন করা হবে। এ শহরটি মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, অংশগ্রহণকারী দেশের সেনারা দুই সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলে পৌঁছে যাবে। পরে তাদেরকে গাজার ভেতরে পাঠানো হবে।

গাজার ভেতরে তথাকথিত একটি ‘ইয়োলো লাইন’ টেনিছে ইসরায়েল। যেটি ফিলিস্তিনিদের থাকার অনুমতি দেওয়া জায়গা থেকে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে পৃথক করেছে। এই এলাকা থেকে যুদ্ধবিরতির চুক্তির আওতায় অস্থায়ীভেবে সেনাদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরায়েল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনের আগে কয়েক শ বিদেশি সেনাকে প্রশিক্ষণের জন্য জর্ডানে পাঠানো হতে পারে। তাদেরকে আগামী মাসেই প্রশিক্ষণে পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি কান এক প্রতিবেদনে বলেছিল, গাজা যুদ্ধ বন্ধ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার হাজার হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর আগে ১৬ জানুয়ারি হোয়াইট হাউস বলেছিল, গাজার ক্রান্তিকালীন পর্যায়ের জন্য শাসনকাঠামো ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস। যার মধ্যে রয়েছে একটি শান্তি বোর্ড, গাজা নির্বাহী পরিষদ, জাতীয় গাজা প্রশাসন কমিটি এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীতে বিদেশী রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম
রাজশাহীতে বিদেশী রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশী রিভলবার ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৫)।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত ১২:৩৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৫-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি ইউএসএ (USA) তৈরি বিদেশী রিভলবার এবং ০৩ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থলে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে র‍্যাব জানিয়েছে, অস্ত্র ও গুলির মালিক বা এর সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৫-এর মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নির্মূলে র‍্যাব অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

চুয়াডাঙ্গা জেলায় অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। তাঁর বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


​আজ সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও অফিসার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, অফিসার্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী পুলিশ সুপারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন:

​আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: চুয়াডাঙ্গা জেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি মাদক নির্মূল, চোরাচালান রোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন।

​পেশাদারিত্ব: মাঠ পর্যায়ের পুলিশিং ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং পুলিশের সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

​মানবিক পুলিশিং: করোনাত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সামাজিক বিভিন্ন সংকটে তিনি সাধারণ মানুষের বন্ধু হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

​জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম কেবল একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাই নন, তিনি একজন অসাধারণ সমন্বয়ক। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের সাথে সুসমন্বয় বজায় রেখে তিনি জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যে অবদান রেখেছেন, চুয়াডাঙ্গাবাসী তা দীর্ঘকাল মনে রাখবে।”

​সংবর্ধনার জবাবে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সরকারি চাকুরির সূত্রে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে চুয়াডাঙ্গার মানুষের ভালোবাসা ও সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা আমি সারাজীবন মনে রাখব। দায়িত্ব পালনকালে আমি চেষ্টা করেছি ইনসাফ কায়েম করতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হতে। আমার কোনো ভুল-ত্রুটি হলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।”

​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অফিসার্স ক্লাব, চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপারকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

​পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বিদায়ের এই ক্ষণে সহকর্মীদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের নিয়োগ পেলেন এ কে এম ইরাদত মানু

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৮ পিএম
মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের নিয়োগ পেলেন এ কে এম ইরাদত মানু

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং মুন্সিগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ইরাদত মানু।

রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এ কে এম ইরাদত মানুকে।

সরকার মনে করছে, এই নিয়োগের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার নতুন প্রশাসকদের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

error: Content is protected !!