সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎সুন্দরবনে ঈদ উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৭ এএম | 48 বার পড়া হয়েছে
‎সুন্দরবনে ঈদ উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বনরক্ষীদের ছুটি বাতিল

ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে,সবধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বনরক্ষীদের।

‎আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগে প্রাণপ্রকৃতি সুরক্ষায় জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। বন্যপ্রাণী শিকার, বিষ দিয়ে মাছ ধরা এবং অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় বন বিভাগের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা এবার ঈদের দীর্ঘ ছুটিতেও কর্মস্থল ত্যাগ করবেন না।

‎বন বিভাগ জানিয়েছে, প্রতি বছর ঈদের সময় সুন্দরবনে চোরাশিকারী চক্র হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী শিকারের চেষ্টা করে। পাশাপাশি এক শ্রেণির অসাধু জেলে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অপচেষ্টা চালায়।

‎এছাড়া মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে।
‎গত বছর ২২ মার্চ চাঁদপাই রেঞ্জের তেইশেরছিলা ও কলমতেজী এলাকার বনে দস্যুদের দেওয়া আগুনে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকার গাছপালা পুড়ে যায়। এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবার ঈদের ছুটিতে বনরক্ষী ও কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় ছুটি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

‎জানাগেছে,ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও বনজ সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগ রেড অ্যালার্ট বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বনবিভাগ। চোরা শিকারি ও দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতা রুখতে বনরক্ষী ও কর্মকর্তাদের ঈদের ছুটি বাতিল করে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে । হরিণ শিকার ও বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা বন্ধে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

‎প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পদক্ষেপসমূহ:
‎ছুটি বাতিল: সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের সকল বন কর্মকর্তা ও বনরক্ষীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে ।

‎সার্বক্ষণিক টহল: বনরক্ষীরা বনের অভ্যন্তরে নিয়মিত ও বিশেষ টহল জোরদার করেছেন ।
‎রেড অ্যালার্ট: চোরা শিকারিদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে বনের বিভিন্ন পয়েন্টে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

‎বিশেষ নজরদারি: হরিণ শিকারি চক্র ও বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারিদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ: শুকনো মৌসুমে ঈদের ছুটিতে বনের ক্ষতি বা অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বনরক্ষীরা সতর্ক অবস্থায় থাকবেন।

‎গত বছরের অভিজ্ঞতায়, ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে অসাধু চক্র যাতে সুন্দরবনের ক্ষতি করতে না পারে, সেজন্যই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।

‎সুন্দরবনে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
‎পাশাপাশি বনরক্ষীরা সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার লোকজনকে সচেতন করতে বিভিন্ন স্থানে প্রচার–প্রচারণা চালাচ্ছেন। নামাজের সময় মসজিদেও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বন্যপ্রাণী শিকার রোধ, বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ এবং অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য বনরক্ষীরা এবার ঈদের দীর্ঘ ছুটি ভোগ করবেন না।

‎তিনি বলেন, এই সময়ে বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বনরক্ষীদের টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মোতাহার হোসেন শেরপুর

ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

মোতাহার হোসেন শেরপুর প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) উপজেলা পরিষদের হৈচৈ পার্কে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ। সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ আবদুল গফুর, সাংবাদিক কেএম ফারুক, ফরিদ আহমেদ রুবেল, সাজিদ হাসান শান্ত এবং মমিনুল ইসলাম মমিন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ বলেন, প্রেসক্লাব শ্রীবরদীকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নতুন ও প্রবীণ সকল সাংবাদিককে একসাথে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমেই সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং সংগঠনের অগ্রগতি সম্ভব।

আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম। এসময় প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। এই আনন্দ পূর্ণতা পায় তখন, যখন ঘরদোর থাকে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে মেঝের দাগ বা কালচে ভাব দূর করা বেশ ঝক্কির কাজ বলে মনে হতে পারে। রোজ ডিটারজেন্ট মেশানো পানি দিয়ে মোছার পরও অনেক সময় ঘরের মেঝে পরিচ্ছন্ন দেখায় না। কিন্তু হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে খুব অল্প পরিশ্রমেই ঘরের মেঝে ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব।

টাইলসের জন্য ভিনেগার ও পানির মিশ্রণ

টাইলসের মেঝেতে অনেক সময় পানির দাগ বা ছোপ ছোপ কালচে দাগ পড়ে যায়। এটি দূর করতে সাদা ভিনেগার খুবই কার্যকর। এ জন্য এক বালতি কুসুম গরম পানিতে আধা কাপ সাদা ভিনেগার নিন। এই মিশ্রণ দিয়ে ঘর মুছলে টাইলসের চটচটে ভাব দূর হয় এবং চকচকে ভাব আসে। ভিনেগার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে, যা ঘর রাখে নিরাপদ।

কড়া দাগ সরাতে বেকিং সোডা

রান্নাঘরের মেঝের কোণে বা ডাইনিং টেবিলের নিচে অনেক সময় তেলের আঠালো দাগ পড়ে যায়, যা সাধারণ সাবান পানি দিয়ে ওঠে না। এ ক্ষেত্রে বেকিং সোডা ব্যবহার করুন। দাগের ওপর সামান্য বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিয়ে অল্প পানি দিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর একটা পুরোনো টুথপেস্ট দিয়ে ঘষলেই দেখবেন দাগ উঠে যাবে।

মার্বেল মেঝের জন্য লেবুর রস ও লবণ

যাঁদের ঘরের মেঝে মার্বেলের, তাঁরা অনেক সময় মেঝে হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। মার্বেল মেঝের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে লেবুর রস ও লবণের মিশ্রণ খুবই কার্যকর। লেবুর অ্যাসিডিক গুণ ময়লা কাটাতে সাহায্য করে আর লবণ স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। তবে মনে রাখবেন, মিশ্রণটি ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে মেঝে মুছে নিতে হবে। কারণ লেবুর অ্যাসিড দীর্ঘক্ষণ থাকলে মেঝের ক্ষতি হতে পারে।

সুগন্ধির জন্য তরল ডিশ সোপ ও এসেনশিয়াল অয়েল

ঈদের দিন পরিষ্কার থাকার সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে সুঘ্রাণ আসাটাও জরুরি। বালতির পানিতে কয়েক ফোঁটা তরল ডিশ ওয়াশিং সোপ এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার বা লেমন গ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি মেঝে পরিষ্কার করার পাশাপাশি সারা ঘরে এক স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে দেবে। যাঁরা ঘরে পোষা প্রাণী রাখেন, তাঁদের জন্য এ পদ্ধতিটি দুর্গন্ধ দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।

পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার

পরিষ্কার করার পদ্ধতি যেমনই হোক, মোছার সরঞ্জামটি হওয়া চাই সঠিক। ঘর মোছার জন্য সব সময় পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। মাইক্রোফাইবার মপ মেঝের সূক্ষ্ম ধুলাবালু শুষে নিতে পারে এবং মেঝেতে কোনো দাগ বা রেখা ফেলে না। ঘর মোছার পর জানলাগুলো খুলে দিন, যাতে দ্রুত বাতাস চলাচলের মাধ্যমে মেঝে শুকিয়ে যায়। ভেজা মেঝেতে পা দিলে পুনরায় দাগ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কিছু বাড়তি সতর্কতা

মেঝের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে মেঝে মোছার আগে অবশ্যই খুব ভালো করে ঝাড়ু দিয়ে সব ধুলাবালু ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন।
যেকোনো নতুন মিশ্রণ পুরো মেঝেতে ব্যবহারের আগে এক কোণে সামান্য ব্যবহার করে পরীক্ষা করে নিন।
অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত ফ্লোর ক্লিনার এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলো দীর্ঘ মেয়াদে মেঝের রং নষ্ট করে দেয়।
কাঠের বা ল্যামিনেট মেঝের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করে হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে মেঝে মুছে নিন।
পরিষ্কার করার সময় ভিনেগারের সঙ্গে ভুলেও ব্লিচ মেশাবেন না। তাতে মারাত্মক বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে। এ গ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শবে কদর চেনার ৭ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
শবে কদর চেনার ৭ উপায়

প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে প্রতি বছর ফিরে আসে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার এই মাসটি যখন তার শেষ দশকে এসে দাঁড়ায়, তখন মুমিনের হৃদয়ে এক অদ্ভুত ব্যাকুলতা জাগে এক মহিমান্বিত রজনীকে পাওয়ার জন্য; যার নাম লাইলাতুল কদর বা মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী। এটি আত্মশুদ্ধি এবং পরম করুণাময়ের সান্নিধ্য লাভের এক মাহেন্দ্রক্ষণ।

লাইলাতুল কদরে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়লাইলাতুল কদরে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়
কদরের আভিধানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
আরবি কদর শব্দের অর্থ মহিমা, সম্মান ও পরিমাপ। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, এই রাতের নামকরণ কদর হওয়ার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে:

মর্যাদা: এটি অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ রাত।

ভাগ্য নির্ধারণ: এই রাতে মানুষের আগামী এক বছরের ভাগ্যলিপি ফেরেশতাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘সে রাতে প্রত্যেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থিরীকৃত হয়।’ (সুরা দুখান: ৪)

লাইলাতুল কদরের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের সম্পর্ক
শবে কদরের মাহাত্ম্য মূলত আল-কোরআনের কারণে। এই রাতেই কোরআন লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়। কোরআনের সংস্পর্শে এসে একটি সাধারণ রাত যেমন হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে, তেমনি একজন মানুষ যদি এই রাতে কোরআনের আদর্শ ধারণের শপথ নেয়, তবে তার জীবনও অসাধারণ হয়ে উঠবে।

অনির্ধারিত রাতের রহস্য
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত তালাশ করো।’ (সহিহ্ বুখারি: ২০২০)। যদি এটি একটি নির্দিষ্ট রাতে হতো, তবে মানুষ কেবল সেই রাতেই ইবাদত করত। আল্লাহ চেয়েছেন বান্দা অন্তত শেষ দশটি দিন তাঁর দুয়ারে পড়ে থাকুক। এই রাতটি খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায় হলো ইতিকাফ করা।

লাইলাতুল কদরের ৭টি বিশেষ আলামত
হাদিস শরিফে এই মহিমান্বিত রাতের কিছু নিদর্শনের কথা বলা হয়েছে:

রাতটি খুব বেশি অন্ধকার হবে না।
আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ হবে (খুব গরম বা খুব শীতল নয়)।
মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
ইবাদতে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃপ্তি অনুভূত হবে।
ওই রাতে হালকা বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
শয়তান ওই রাতে কোনো ক্ষতি করার সুযোগ পায় না।
পরবর্তী সকালে সূর্যোদয় হবে হালকা আলোকরশ্মিসহ—যা দেখতে পূর্ণিমার চাঁদের মতো মনে হবে।

error: Content is protected !!