মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই কর্মতৎপরতা আর নিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ মিজানুর রহমান মিজান। গত ৩০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে এই উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। তাঁর জনবান্ধব কর্মকাণ্ডে বর্তমানে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়নে সফলতার ছোঁয়া! যোগদানের পর থেকেই পিআইও মিজানুর রহমান শিবগঞ্জের ১২টি ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের মেগা প্রজেক্ট হাতে নেন। সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে ইতিমধ্যে ৪টি ব্রিজের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৮টির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়া জনস্বার্থে পাবলিক হেলথ কমপ্লেক্স সংলগ্ন ১ কিলোমিটার দীর্ঘ HBB (ইট বিছানো) রাস্তার কাজ তিনি সুষ্ঠুভাবে শেষ করেছেন, যা স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।
মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় মাইলফলক! দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অসহায় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করছেন নিরলসভাবে। তাঁর অধীনে সম্পন্ন হওয়া কিছু মানবিক সহায়তার আর্থিক অনুদান’ পানিতে ডুবে মৃত ১০ জন এবং বজ্রপাতে নিহত ৩ জনের পরিবারকে জনপ্রতি ২৫,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩টি পরিবারকে ৭,৫০০ টাকা করে মোট ২,৪৭,৫০০ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
আশ্রয় ও পুনর্বাসন’১৪০টি দুস্থ পরিবারকে ১৪০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং ৪,২০,০০০ টাকা নগদ অর্থ প্রদান করে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন তিনি। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে তার বিশেষ ভূমিকায় রেখে গেছেন ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ২,৩৪,০০০ পরিবারের মাঝে মোট ২,৩৪০ মেট্রিক টন চাল অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও ৩৫০টি পরিবার পেয়েছেন বিনামূল্যে শুকনো খাবার দিয়ে সেবাই অন্যান্য দৃষ্টান্ত স্থাপনা ভূমিকা রেখেছেন
সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের ছোঁয়া
শুধু রাস্তাঘাট নয়, বরং ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (TR/KABITA) কর্মসূচীর আওতায় শিবগঞ্জের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, গোরস্থান ও শ্মশানে সৌর বিদ্যুৎ (সোলার লাইন) স্থাপন এবং উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছেন। প্রায় ৩০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রী বৃদ্ধি করেছেন তিনি।
শীতার্তদের পাশে উষ্ণতার পরশ তার সর্বোচ্চ ভূমিকা নিয়ে কাজ করেছেন সমাজে অসহায় হতদরিদ্রের পাশে তিনি,গত দুই অর্থ বছরে উপজেলার শীতার্ত ও অসহায় মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে প্রায় ১৭,০০০ হাজার উন্নত মানের শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন তিনি। কনকনে শীতে সরকারি এই বরাদ্দের সঠিক বণ্টন তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি এনে দিয়েছে তিনি, আস্থার প্রতীক পিআইও মিজান, সরকারি প্রতিটি বরাদ্দ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে শিবগঞ্জ উপজেলা আজ আলোর পথে ধাবিত হচ্ছে। সাধারণ জনগণের অধিকার আদায়ে এবং সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তিনি এখন অত্র উপজেলার মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের মতো দক্ষ কর্মকর্তা পেয়ে শিবগঞ্জ আজ প্রকৃতপক্ষেই উন্নয়নের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে।
জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত,পিআইও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে মোঃ মিজানুর রহমান মিজান যোগদান করার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট উপজেলায় সরকারি সেবার ধরনে এক ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। তিনি তার কর্মদক্ষতা ও সততার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ন্যায্য অধিকার সুষম বন্টনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে টিআর, কাবিখা ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে তার স্বচ্ছতা ও তদারকি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের অসহায় ও দুস্থ মানুষের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে সরকারি সাহায্য পৌঁছে দিতে তিনি সর্বদা সচেষ্ট। তার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে প্রকল্পের অপচয় রোধ হচ্ছে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পাচ্ছেন। মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের এই জনমুখী কর্মতৎপরতা উপজেলা প্রশাসনকে যেমন গতিশীল করেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের হৃদয়েও তিনি একজন সেবক হিসেবে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।
উন্নয়নের রূপকার! শিবগঞ্জে পিআইও মিজানুর রহমানের একনিষ্ঠ সেবায় পাল্টে যাচ্ছে জনপদ,ষড়যন্ত্র রুখে সততার পথে অবিচল,পিআইও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান,শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ মিজানুর রহমান মিজান যখন তার কর্মদক্ষতা ও সততার মাধ্যমে উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন, ঠিক তখনই একদল কুচক্রী মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে কিছু নামধারী ‘হলুদ সাংবাদিক’, যারা কোনো স্বীকৃত প্রেসক্লাবের সাথে জড়িত নন এবং যাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিত্তিহীন ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে এই কর্মকর্তার পথচলায় বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে পিআইও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান দৃঢ়তার সাথে জানান, “আমি নিজে দুর্নীতি করি না এবং কাউকে দুর্নীতি করার প্রশ্রয় দেব না।” তিনি অভিযোগ করেন যে, এই অসাধু চক্রটি বিভিন্ন সময় সরকারি প্রকল্পের গুণগত মান কমিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিতে তাকে চাপ প্রয়োগ করে এবং মাসিক ‘হপ্তা’ বা মাসোহারা দাবি করে। তাদের এই অন্যায্য দাবিতে রাজি না হওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অসাধু ব্যক্তিরা সরাসরি সরকারি কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার পাঁয়তারা করছে। উক্ত কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারের নিয়মনীতি মেনে জনগণের অধিকার সুনিশ্চিত করাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি এই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সততার শক্তিতে বলীয়ান এই কর্মকর্তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো অপপ্রচারই তাকে জনসেবা থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।
শিবগঞ্জ উপজেলার বর্তমান চিত্র বলছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ মিজানুর রহমান মিজান যখন তার কর্মদক্ষতা ও সততার মাধ্যমে উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন, ঠিক তখনই একদল স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে কিছু নামধারী ‘হলুদ সাংবাদিক’, যারা কোনো স্বীকৃত সাংবাদিক সংগঠনের সাথে জড়িত নন এবং যাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিত্তিহীন ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে এই কর্মকর্তার সম্মানহানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পিআইও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান, আমি নিজে দুর্নীতি করি না এবং কাউকে দুর্নীতি করার প্রশ্রয় দেব না। তিনি অভিযোগ করেন যে, এই অসাধু চক্রটি বিভিন্ন সময় সরকারি প্রকল্পের গুণগত মান কমিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিতে তাকে চাপ প্রয়োগ করে এবং মাসিক ‘হপ্তা’ বা মাসোহারা দাবি করে। তাদের এই অন্যায় আবদারে রাজি না হওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অসাধু ব্যক্তিরা সরাসরি সরকারি কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে।
উক্ত কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারের নিয়মনীতি মেনে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই তার মূল লক্ষ্য। তিনি এই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো পদক্ষেপসহ জোর দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ জনগণের মতে, সততার শক্তিতে বলীয়ান এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার মূলত উপজেলার উন্নয়নকেই বাধাগ্রস্ত করার একটি কৌশল মাত্র।














