শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৩ এএম | 40 বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ

 

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার :— পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর পক্ষ থেকে দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান এবং বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সিনিয়র সহ-সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করা হয়।

রমজানের তাৎপর্য ও পবিত্র কোরআনের বাণী

পবিত্র রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এক মহিমান্বিত মাস। এ মাস আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন— “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৩

এই আয়াত সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন—অর্থাৎ আল্লাহভীতি, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক পরিশুদ্ধতা লাভ।

রোজার মহিমা ও বরকত

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন—

“শুধু আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসার কারণে একজন রোজাদার পানাহার ও যাবতীয় আবেগ-বাসনা থেকে বিরত থাকে। পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে গোপনে এক ঢোক পানি পান করা থেকে বিরত রাখতে পারে না। কিন্তু সে তা করে না—কারণ তার বিশ্বাস, আল্লাহ তাআলা তাকে দেখছেন ও জানছেন। এই উপলব্ধিই রোজার প্রকৃত শিক্ষা।”

তিনি আরও বলেন, রোজা মানুষকে আত্মসংযম, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এটি ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও আল্লাহভীতির এক অনন্য অনুশীলন।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন—

“বান্দার প্রতিটি আমলের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রোজা ব্যতীত; কেননা রোজা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।’ রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে—একটি ইফতারের সময় এবং অন্যটি তার রবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।” — সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৮৯৪; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১১৬৪

আরও বর্ণিত হয়েছে— “জান্নাতে রোজাদারদের জন্য ‘রাইয়ান’ নামে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে। কিয়ামতের দিন রোজাদাররা এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের প্রবেশের পর দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং তারা আর কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না।” — সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৮৯৫

তাকওয়া, ইবাদত ও নাজাতের আহ্বান

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার বলেন— “মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন— ‘রোজা আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব।’ তাই আমাদের উচিত রমজান মাসকে আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক মহাসুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, হযরত হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত— “যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে মৃত্যুবরণ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রোজা রাখবে এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে।” — সহিহ মুসলিম

এছাড়াও হযরত সাহল ইবনে সা’দ (রাঃ) বর্ণনা করেন— “জান্নাতে ‘রাইয়ান’ নামে একটি দরজা রয়েছে, যা দিয়ে কেবল রোজাদাররাই প্রবেশ করবে।” — সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৮৯৫

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর নেতৃবৃন্দ মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানান— আসুন, আমরা পবিত্র মাহে রমজানের রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের আশায় একাগ্রচিত্তে সিয়াম সাধনা করি; বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করি এবং অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C) ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানানো হলো।

শুভেচ্ছান্তে—

খান সেলিম রহমান
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)
সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা

মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার
প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)
সিনিয়র সহ-সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা।

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ

মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ এএম
মুক্তাগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদা ও বিনম্র চিত্তে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ০১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে শহীদ মিনারের মূল বেদী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে একে একে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মুক্তাগাছা উপজেলা শাখা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তাগাছা থানা, উপজেলা প্রেসক্লাব মুক্তাগাছা, পৌর ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন,
“মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতির গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ছিল না, এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও স্বাধিকার চেতনার সূচনা। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা আজ স্বাধীনভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছি।”
তিনি আরও বলেন,
“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশের স্বীকৃতি আমাদের জন্য বিশ্বমঞ্চে এক বিশেষ সম্মান। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানানো।”
ইউএনও মহোদয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“শিশু-কিশোরদের মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।”
সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কালো ব্যাজ ধারণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি আমাদের প্রাণের বাংলা ভাষা। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও দেশের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৪ এএম
চট্টগ্রাম বন্দরের জট খুললেই কমবে দ্রব্যমূল্য : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে শিগগিরই গতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর মেহেদীবাগের নিজ বাসভবনে বন্দর, কাস্টমস এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস থেকে শুরু করে পরিবহন শ্রমিক—সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে আমরা বসেছি। কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে খরচ বাড়ছে, শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে দ্রব্যমূল্যের ওপর।”
তিনি বলেন, “অনেক সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে দেওয়া গেছে। কিছু সমস্যার সমাধানে কয়েকদিন সময় লাগবে, কারণ এগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তের বিষয়। আশা করছি, শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হলে বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি আসবে। পণ্য দ্রুত খালাস হলে বাড়তি ব্যয় কমবে।”
রোজা উপলক্ষে আমদানি করা পণ্য দ্রুত সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে রোজার জন্য যেসব পণ্য এসেছে, সেগুলোর ডেলিভারি ধীরগতির। আমরা দ্রুত ডেলিভারির ব্যবস্থা করছি। ডেলিভারি কম থাকলে তো পণ্যের দাম বাড়তেই থাকবে।”
দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক জটিলতা। ইনশাল্লাহ আমরা এর সমাধান দেবো। কিছু সমাধান আজই হয়েছে।”
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “শেয়ারবাজারের ওপর মানুষের যে আস্থা কমে গেছে, তা ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি পরিচালিত হতে হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে। স্বচ্ছতার ব্যাপারে কোনো আপস নয়। আগামী দিনে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে শেয়ারবাজারে বড় বিপ্লব ঘটবে।”
তিনি আরও বলেন, “এর ফলে শুধু বিনিয়োগকারীই নয়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়বে এবং দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা আসবে।”

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৯ এএম
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের স্মরণ রেখে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য বৃন্দ