যে নারী বিজ্ঞানী নিউক্লিয়ার ফিশন ব্যাখ্যা করেও নোবেল পাননি
বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অনন্য অথচ অবহেলিত নাম — Lise Meitner।
নিউক্লিয়ার ফিশনের (Nuclear Fission) তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা যিনি দিয়েছিলেন, কিন্তু নোবেল পুরস্কারের তালিকায় যার নাম ছিল না!
📚 ১৯৩৮ সালে জার্মান রসায়নবিদ Otto Hahn পরীক্ষাগারে ইউরেনিয়াম নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অদ্ভুত ফলাফল পান। কিন্তু সেই ফলাফলকে ব্যাখ্যা করেছিলেন লাইসে মাইটনার ও তার ভাতিজা Otto Robert Frisch।
তারা ব্যাখ্যা করেন—ভারী পরমাণু ভেঙে গেলে বিপুল শক্তি নির্গত হয়, যা আমরা আজ “নিউক্লিয়ার ফিশন” নামে জানি। ⚛️
🌍 কিন্তু ১৯৪৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় শুধুমাত্র ওটো হানকে।
মাইটনারের অবদান সেখানে উপেক্ষিত থাকে। ইতিহাসবিদরা মনে করেন, তৎকালীন লিঙ্গবৈষম্য ও নাৎসি জার্মানি থেকে তার পালিয়ে যাওয়া—এই উপেক্ষার পেছনে বড় কারণ ছিল।
💔 মাইটনার কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রকল্পে যুক্ত হননি। বরং তিনি শান্তিপূর্ণ বিজ্ঞানের পক্ষেই ছিলেন।
তাকে অনেকেই বলেন—“The Mother of the Atomic Bomb”, যদিও তিনি নিজে যুদ্ধবিরোধী ছিলেন।
🌟 আজ বিজ্ঞান ইতিহাসে লাইসে মাইটনার একটি প্রতীক—
👉 নারীর মেধা, সংগ্রাম ও অবদানের
👉 বৈষম্যের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদের
👉 এবং সত্যিকারের বৈজ্ঞানিক সততার
📌 মনে রাখা দরকার, নোবেল না পেলেও ইতিহাস তাকে ভুলে যায়নি। তার সম্মানেই মৌলিক পদার্থ ১০৯-এর নাম রাখা হয়েছে “Meitnerium”।
নারীরা শুধু ইতিহাসের অংশ নয়—তারা ইতিহাস গড়েন। 💪🔬
















