বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

৫৪ বছর পর আবার কেন চাঁদে যাচ্ছে মানুষ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২৭ পিএম | 23 বার পড়া হয়েছে
৫৪ বছর পর আবার কেন চাঁদে যাচ্ছে মানুষ

১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর। অ্যাপোলো ১৭-এর কমান্ডার জিন সারনান চাঁদের ধূলিকণায় শেষ পদচিহ্ন এঁকে ফিরে আসছিলেন। তিনি হয়তো কল্পনাও করেননি, তাঁর ফিরে আসার পরবর্তী পাঁচ দশকের বেশি সময় সেখানে আর কোনো মানুষের পা পড়বে না। অবশেষে এ বছর আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

কেন এই দীর্ঘ বিরতি

আর্টেমিস-২ এর ক্রুরা। বাম দিক থেকে কোচ, গ্লোভার, হ্যানসেন এবং ওয়াইজম্যান। ছবি: উইকিপিডিয়া
আর্টেমিস-২ এর ক্রুরা। বাম দিক থেকে কোচ, গ্লোভার, হ্যানসেন এবং ওয়াইজম্যান। ছবি: উইকিপিডিয়া
চাঁদে যাওয়ার পথে বড় বাধা শুধু প্রযুক্তি নয়, রাজনৈতিক সদিচ্ছাও তার বড় বাধা। নাসার সাবেক প্রযুক্তিবিদ লেস জনসন জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪ বা ৮ বছর পর নতুন সরকার আসার সঙ্গে সঙ্গে নাসার লক্ষ্য বদলে যায়। যেমন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা শুরু করলেও ওবামা এসে তা পরিবর্তন করে গ্রহাণু গবেষণায় মন দেন। ট্রাম্প আবার চাঁদকে প্রাধান্য দেন এবং জো বাইডেন সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। অ্যাপোলো প্রোগ্রামের বিশাল বাজেটের পর সরকারগুলো এমন দীর্ঘমেয়াদি এবং ব্যয়বহুল প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল।

অনেকে প্রশ্ন করেন, ষাটের দশকে যদি চাঁদে যাওয়া সম্ভব হয়, তবে এখন কেন এত দেরি হচ্ছে? অ্যাপোলোর রকেট এবং যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানা ও দক্ষ কারিগরেরা এখন আর নেই। সেই পুরোনো প্রযুক্তি আজ নতুন করে তৈরি করাও অবাস্তব। ১৯৬৭ সালের অ্যাপোলো-১ অগ্নিকাণ্ড এবং পরবর্তী মহাকাশযান দুর্ঘটনাগুলো নাসাকে অনেক বেশি সতর্ক করে তুলেছে। সে কারণে এখনকার মিশনগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ করার চেষ্টা করা হচ্ছে সর্বাত্মকভাবে।

অ্যাপোলো বনাম আর্টেমিস

লঞ্চ কমপ্লেক্সে আর্টেমিস-২, জানুয়ারি ২০২৬। ছবি: উইকিপিডিয়া
লঞ্চ কমপ্লেক্সে আর্টেমিস-২, জানুয়ারি ২০২৬। ছবি: উইকিপিডিয়া
আর্টেমিস-২ এর পথরেখা অ্যাপোলো ৮-এর মতোই। কিন্তু প্রযুক্তিগতভাবে এটি কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে। এটিকে সর্বাধুনিক করে সাজানো হয়েছে। এর নতুন ফিচারগুলো দেখলেই তা বোঝা যায়।

কম্পিউটার ক্ষমতা: আর্টেমিসের ওরিয়ন ক্যাপসুলের কম্পিউটার অ্যাপোলোর চেয়ে ২০ হাজার গুণ দ্রুত এবং এতে ১ লাখ ২৮ হাজার গুণ বেশি মেমোরি রয়েছে। ফলে আর্টেমিস-২-এর তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের ক্ষমতা অনেক বেশি।

শৌচাগার ও গোপনীয়তা: অ্যাপোলোর নভোচারীদের বর্জ্য সংগ্রহের জন্য প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করতে হতো। কিন্তু ওরিয়নে একটি আধুনিক প্রাইভেট বাথরুম রয়েছে, যা নারী ও পুরুষ নভোচারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

স্থায়ী আবাসন: অ্যাপোলো ছিল শুধু পতাকা আর পদচিহ্ন রেখে আসার মিশন। কিন্তু আর্টেমিসের লক্ষ্য হলো চাঁদে একটি স্থায়ী ঘাঁটি বা লুনার বেস তৈরি করা।

নতুন প্রতিযোগিতা

ষাটের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে হারানোর লক্ষ্য ছিল আমেরিকার। বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তাদের প্রতিযোগিতা চীনের সঙ্গে। চীন ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। আমেরিকা তার বন্ধুদেশগুলোকে নিয়ে আর্টেমিস অ্যাকর্ডস গঠন করেছে, যাতে তারা মহাকাশে শান্তি ও বাণিজ্যিক খননের অধিকার নিশ্চিত করা যায়।

মহাকাশবিজ্ঞানী জন ইয়ং ২০০৪ সালে বলেছিলেন, ‘এক গ্রহের প্রজাতি হিসেবে মানুষ বেশি দিন টিকবে না।’ সেই লক্ষ্যেই আর্টেমিস মিশন শুধু চাঁদে ফেরা নয়, এটি মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে।

সূত্র: সিএনএন, রয়্যাল মিউজিয়াম গ্রেনউইচ

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।