সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

ভ্রমণে-যানবাহনে করণীয় বর্জনীয়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:৩৮ এএম | 144 বার পড়া হয়েছে
ভ্রমণে-যানবাহনে করণীয় বর্জনীয়

যানবাহন আধুনিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ। কখনো কাজের প্রয়োজনে আবার কখনো বিনোদন-ভ্রমণে আপনাকে সহায়তা নিতে হয় যানবাহনের।

নিজস্ব বাহন হোক অথবা গণপরিবহন, তা ব্যবহারে কিছু শুদ্ধাচার অনুসরণ আপনার যাত্রাপথকে করবে স্বচ্ছন্দ ও নিরাপদ। আর দলবদ্ধ ভ্রমণে সহজ কিছু নীতিমালা ও আচরণ-অভ্যাস আপনার ভ্রমণকে করে তুলবে অনাবিল আনন্দের।

যাত্রী হিসেবে যা করণীয়

> পথে নেমেই সচেতন থাকুন− কোনোরকম তাড়াহুড়ো নয়, কয়েক মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলবেন না। মনে রাখুন, আপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব অন্য পথচারী, ড্রাইভার, কন্ডাক্টর কিংবা রাস্তায় চলাচলকারী কোনো পরিবহনের নয়। যে-কোনো দুর্ঘটনার দায়ভার অন্য কারো হলেও ভোগান্তি একান্তই আপনার।

> কোথায় যাবেন, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে এবং ভাড়া নির্দিষ্ট করে অথবা টিকেট সংগ্রহ করে গাড়িতে উঠুন।

> অন্য কেউ ট্যাক্সি বা রিকশা ডেকে থাকলে তার কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি নিজের জন্যে ডাকবেন না।

> রিকশাচালক/ অটোরিকশা-ট্যাক্সি-বাসের ড্রাইভার ও কন্ডাক্টর, বয়স যা-ই হোক তাদেরকে ‘আপনি’ সম্বোধন করুন।

> বেশি ভাড়া চাইলে রূঢ় আচরণ না করে শান্তস্বরে দরদাম করুন অথবা অন্য বাহনের খোঁজ করুন।

> কাঙ্ক্ষিত ভাড়ায় আরেকটি বাহন পেয়ে গেলে সেটাতেই উঠুন। প্রথম চালক যদি একই ভাড়ায় যেতে ইচ্ছুক হয়ে পুনরায় ডাকাডাকি করে, তবুও তাকে এড়িয়ে যান। এ ধরনের হঠকারিতাকে প্রশ্রয় দেবেন না।

> নিয়মভঙ্গ করে রাস্তার মাঝখানে যানবাহন দাঁড়ালেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাতে ওঠা এবং নামা থেকে বিরত থাকুন।

> যানবাহনের জন্যে অপেক্ষমাণ থাকাকালে ফুটপাত ঘেঁষে দাঁড়ান। রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানবাহন চলাচলে অসুবিধার কারণ হবেন না।

> যে যানবাহনে টিকেট কেটে ওঠার নিয়ম, তাতে বিনা টিকেটে উঠবেন না। যাত্রার শেষ পর্যন্ত টিকেট সংরক্ষণ করুন। পুরনো টিকেট ব্যবহার করবেন না।

> গন্তব্যে পৌঁছে রিকশা/ ট্যাক্সির ভাড়া দ্রুত মিটিয়ে দিন।

> গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই কোনো প্রয়োজনে রিকশা/ অটোরিকশা মাঝপথে দাঁড় করিয়ে সময় নিতে চাইলে শুরুতেই চালককে জানান।

> রিকশাচালককে দিয়ে কোনো ভারী বস্তু বিল্ডিংয়ের ওপরে ওঠাতে হলে তাকে বখশিশ দিন।

> ভাংতি না থাকলে বা কোনো কারণে ভাড়া সামান্য বেশি নেয়ায় হইচই করবেন না, ক্ষুব্ধ হবেন না।

> বাহনে বসা ও ওঠানামার ক্ষেত্রে মহিলা শিশু প্রবীণ প্রতিবন্ধী ও অসুস্থদের অগ্রাধিকার দিন এবং প্রয়োজনে দরজা খুলে নামতে তাদের সহযোগিতা করুন।

> যানবাহনের ভেতর থেকে যানবাহনের বাইরে বয়োজ্যেষ্ঠ কারো সাথে কথা বলতে হলে−পরিস্থিতি বুঝে নেমে দাঁড়িয়ে কথা বলুন।

> এমনভাবে বসুন যাতে পাশের আসনের যাত্রীর কোনো অসুবিধা না হয়।

> লাইট ফ্যান জানালা এসি ব্যবহারে অন্যের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করুন।

> কোনো কারণে যানবাহন ছাড়তে দেরি হলে উত্তেজিত হবেন না, ভাড়া দিতে গিয়ে চালকের উদ্দেশ্যে কটু মন্তব্য করবেন না।

> ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে রাখুন। যাত্রাপথে অপরিচিত কাউকে নিজের ব্যাগ ও জিনিসপত্র দেখে রাখার দায়িত্ব দেবেন না।

> অন্য যাত্রীদের সাথে ব্যক্তিগত আলাপে সংযত থাকুন। দেশ/ রাজনীতি/ সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে যাবেন না। অপর পক্ষ আগ্রহ দেখালেও কৌশলে এড়িয়ে যান।

> ‘তাড়াতাড়ি যান/ ওভারটেক করেন’ বলে গাড়ি চালাতে তাড়া দেবেন না। চালককে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করতে উদ্বুদ্ধ করবেন না।

> রাস্তায়/ গাড়ির জানালা দিয়ে থুতু ফেলবেন না। এটি অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা অভ্যাস। তাছাড়া বাতাসের তোড়ে তা কারো গায়ে ছিটেও যেতে পারে।

> বমির প্রবণতা বা মোশন সিকনেস থাকলে আগে থেকে প্রস্তুতি (প্রয়োজনীয় ওষুধ, পলিব্যাগ, রুমাল, টিস্যু পেপার, পানির বোতল ইত্যাদি) রাখুন।

> ট্রাফিক জ্যামে অস্থির হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না। শান্ত হয়ে বসুন, অটোসাজেশন চর্চা/ দোয়া/ প্রার্থনা করুন, যা পথের ক্লান্তি কমিয়ে দেবে। মনে মনে দিনের কাজের পরিকল্পনা বা পর্যালোচনাও করে নিতে পারেন।

> যানজটকে কাজে লাগান বইপড়া, সংবাদপত্রে চোখ বোলানো, লেখালেখির প্লট বা অন্যান্য সৃজনশীল চিন্তায়। অর্থাৎ গাড়িতে বা জ্যামে বসে করা সম্ভব এমন কাজের জন্যে ওই সময়টাই নির্ধারণ করুন। দেখবেন সময়টা সুন্দরভাবে কাজে লাগছে।

> হকার বা ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা এলে ধমক দেবেন না। ভদ্রভাবে বলুন যে, আপনি কিছু কিনতে চাচ্ছেন না।

> যানবাহনে জানালার পাশে বসে ফোনে কথা বলতে হলে যে হাত ভেতরের দিকে সে হাতে ফোনসেটটি ধরুন।

> বাহন থেকে নামার সময় দরজা ডানপাশে হলে প্রথমে ডান পা আর দরজা বামপাশে হলে প্রথমে বাম পা দিয়ে নামুন।

> আরোহী যখন আপনি একা আর আপনার পরিচিত কেউ তার নিজের গাড়ি চালাচ্ছেন, তখন আপনি তার পাশের সিটে বসুন। ভাড়াগাড়িতে আপনার ইচ্ছানুযায়ী যে-কোনো সিটে বসতে পারেন।

> যানবাহনের ভেতরে ও বাইরে−বাদামের খোসা, খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল, ব্যবহৃত টিস্যু পেপার ইত্যাদি ফেলবেন না। নিজের কাছেই রেখে দিন। সুযোগমতো ডাস্টবিনে ফেলুন।

> মোটর সাইকেলে চালকসহ দুজনের বেশি ওঠা থেকে বিরত থাকুন। চালক ও আরোহী−দুজনই হেলমেট পরুন।

> ওড়না, শাড়ির আঁচল বা পোশাকের কোনো অংশ রিকশা বা অটোরিকশার চাকায় পেঁচিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে সচেতন হোন।

> গাড়ি থেকে নামার আগে ভালো করে দেখে নিন কিছু ফেলে যাচ্ছেন কিনা।

> বাহনে ওঠার সময় চালককে সালাম দিন এবং গন্তব্যে পৌঁছে ধন্যবাদ দিন।

যানবাহনে বর্জনীয়

> একটি গন্তব্যের জন্যে টিকেট কেটে তার চেয়ে অতিরিক্ত পথ যাওয়া।

> জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সিট ছেড়ে বার বার ওঠা।

> সিট কভারে হাত মোছা। জুতোসহ পা সিটে তুলে দেয়া।

> সিটের পেছনে বা বাহনের গায়ে লেখা, আঁকাআঁকি বা কাটাকুটি করা, আঁচড় কাটা, গদি ছেঁড়া।

> অন্যদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে−যানবাহনের ভেতরে এমনভাবে বসা ও ব্যাগ রাখা।

> চালক ও তার সহযোগীকে ধমক দেয়া ও গালিগালাজ করা।

> অপরিচিত কারো কাছ থেকে কিছু খাওয়া এবং তাকে খাবার অফার করা।

> চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চালকের সঙ্গে কথা বলা, গল্প করা। বাহনের জানালা দিয়ে মাথা বা হাত বাইরে বের করা।

> চালক বা যাত্রীদের উপস্থিতিতে একান্ত পারিবারিক বা অফিসিয়াল আলাপ করা।

> অন্যের ব্যক্তিগত গাড়িতে ড্রাইভারকে গাড়ি চালানোর বিষয়ে অথবা কোন পথে যাবে−সে নির্দেশনা নিজ থেকে দেয়া।

> ট্রাফিক সিগন্যালে যানবাহন থেমে থাকা অবস্থায় কেনাকাটা করা।

ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মোঃমাহফুজুর রহমান বিপ্লব। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ এএম
ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে বিকাশ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর করেছে বলে জানাযায়।

আজ রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের সাতৈর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বিকাশ চন্দ্র কর্মকার বোয়ালমারী উপজেলার কামারহাটি গ্রামের নিতাই চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েক বছর আগে সাতৈর বাজারে স্বর্ণের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং দেনা পরিশোধ করতে জমিজমা বিক্রি করেন। প্রায় দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যায়। এরপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ধারণা, ঋণগ্রস্ততা ও ব্যক্তিগত হতাশা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পদ বেঁচে নেয়।

জানাযায়, রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জগামী গামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

error: Content is protected !!