শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

ফ্যাসিবাদী সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫১ পিএম | 70 বার পড়া হয়েছে
ফ্যাসিবাদী সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড় করানোর পাশাপাশি সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে অকার্যকর করে দিয়েছে। অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কারণে হুন্ডি প্রবাহ এবং অর্থ পাচারের কারণে রিজার্ভের পরিমাণ কমে ২০ বিলিয়নে নেমে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও আমদানি প্রবৃদ্ধি কমে এসেছে এবং রেমিট্যান্স বা প্রবাস আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজ শুক্রবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে দেওয়া বিবৃতিতে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। বিবৃতিতে তাঁর বক্তব্যে আর্থিকখাতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে।

সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের আর্থিকখাতের চিত্রও বর্ণনা করেন অর্থমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, কোন অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে। সরকারের পরবর্তী জার্নিটা কোথায় হবে সেই বিষয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় যে রেমিট্যান্সগুলোর বন্ধ ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তা বেড়েছে। এই রেমিট্যান্স না বাড়লে এই সরকারের সময়ে অর্থনীতি ম্যানেজ করা খুবই কঠিন হতো কারণ আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি তখন সবগুলো অর্থনৈতিক সূচক নিম্নগামী ছিল।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির জনগোষ্ঠীকে ভাতা প্রদান করা হলেও এর আগে ভাতার পরিমাণ মূল্যস্ফীতি রেখে যৌক্তিকীকরণ করা হয়নি, এতে উপকারভোগীরা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বাইরে থেকে গেছে যার ক্রমে বৈষম্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে। উপকারভোগী নির্বাচনে দলীয়করণ ও দুর্নীতির প্রমাণ অজস্র।

মন্ত্রী বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দুর্বলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে যা সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। বাজার সিন্ডিকেট দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য হিসেবে এ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করেছে।

মন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নেওয়া পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষ ঋণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব প্রদান করেছে। ঘাটতি অর্থায়নের বিকল্প ও সহজ শর্তে বৈদেশিক উৎস এবং মূলধন বাজার উন্নয়ন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। ঘাটতি অর্থায়ন ও এর উৎসের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ ও ঋণের ঝুঁকি হ্রাসের দিকে নজর দিচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্পে রাজস্ব খাত থেকে অর্থায়ন বাড়িয়ে ঋণ নির্ভরতা হ্রাস করা এবং জিডিপির উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঋণ-জিডিপি অনুপাত কমিয়ে আনা এবং ফিসক্যাল স্পেস তৈরির মাধ্যমে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে টেকসই করা হবে।

তিনি বলেন, মূলধন গঠনে ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়ে আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে দিক নির্দেশনা দিয়েছি যা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাজারে বিনিয়োগকারীদের ফিরিয়ে আনতে বিএসইসি-কে প্রকৃত স্বাধীনতা দেওয়া হবে এবং বাজার কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ১৫ বছরের অনিয়ম তদন্তে বিশেষ কমিশন গঠন করা হবে।

বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, ভোগ ও রাজস্বের স্বাভাবিক চক্রকে সচল করার মাধ্যমে সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত অর্থনীতিতে পরিণত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখে আমাদের নির্বাচিত করেছে এবং সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটানোই হবে এই সরকারের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’

দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

মোঃ খোরশেদ আলম লালন বিভাগীয় ব্যুরো চিফ রাজশাহী। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

 

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি খাস পুকুর লিজ ইজারায় বিভিন্ন সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তাদের উপর ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পুকুর লিজ নিয়ে তারা নিজেরা মাছ চাষ করেনা, এতে দেখা যায় সরকারি শর্তাবলী লংঘন করে এবং তাদের দেওয়া অঙ্গীকার তারা নিজেরাই ভঙ্গ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে অচল সমিতিকে পুকুর পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদান। তিন বছর পর পর কুকুর লিজ নিয়ে,লিজ দেয়াই তাদের ব্যবসা। সমিতির কেউ পুকুর সরেজমিনে চিনেনা। এ ব্যবসা দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটি সমিতির ম্যানেজার/সাধারণ সম্পাদক, লিজ বানিজ্য বন্ধ করতে, প্রমাণ সহ লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী বাদী মোঃ জফির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক/ ম্যানেজার, “আমার বাড়ি আমার খামার সমিতির পক্ষে লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লীজ বাতিলের আবেদন করেছেন। তার দাবি তার সমিতির দর অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও সে পুকুর পায়নি। অনেক অচল সমিতি দির্ঘদিন কার্যক্রম নেই, সেগুলো সমিতি শুধু মাত্র পুকুর নেয়ার জন্য প্রত্যয়নপত্র, রেজুলেশন,অডিট ইত্যাদি কাগজপত্র তৈরি করে এগুলো অপকর্মে জড়িত আছেন।‌ কিছু দালাল চক্র মোঃ গোলাম মোস্তফা মান্নান, অফিস সহকারী কৃষ্ণপুর মাদ্রাসা এই দালালের কাজ মাধ্যম হয়ে পুকুর দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করা। সমিতির সভাপতির কাগজপত্র টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে ব্যবসা করাই তার কাজ। যাচাই বাছাই তদন্ত না করেই এগুলো সমিতিকে পুকুর লিজ দিয়েছেন। কিছু পুকুর লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন অনেকে। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছেন,কোন সমাধান এখনো হয়নি। কিছু সমিতির সভাপতি টাকার বিনিময়ে সমিতি বিক্রি করে দিয়েছে আগেই। দ্বিতীয় বার আবার পুকুর দেখা শুনা করার জন্য সমিতির সভাপতি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে, অন্য ব্যক্তির কাছে পুকুর লিজ প্রদান করে দেয়। কোন সমিতির সভাপতি নিজেরা পুকুরে মাছ চাষ করে না। এলাকার লোকজন বলছে এরা অপরাধী। পুকুর লিজ ছাড়া এদের কোন ভিত্তি নেই। অনেকেই কাগজপত্র তৈরি করে জাল স্বাক্ষর করে,পুকুর লিজ পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করছেন। নামে মাত্র মৎস্য জীবী সমিতি,বাস্তবে এদের কিছু নেই। সভাপতি একাই যা করে তাই, সদস্যরা তেমন অবগত নয়। অভিযুক্ত পুকুরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মৌজা বিআড়, জে এল নং ৮৯, দাগ নং ৫৩৪, পরিমাণ ৫৮, শতাংশ। কিসমত বগুড়া , জে এল নং ৮২, দাগ নং ৮১৮, রকম পুকুর, খতিয়ান ১,
পরিমাণ ৭৪ শতাংশ। মৌজার রঘুনাথপুর,জে এল নং ৮৫, খতিয়ান১,দাগ নং ১৮৮৭,পরিমাণ ৭০ শতক। মৌজা রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫, খতিয়ান নং১,দাগ নং ১৬৩৯,পরিমাণ ১.৯০ একর। উল্লেখিত পুকুর গুলো সমিতির সভাপতিগন সাব- লীজ দিয়েছে,কেউ আবার দেখা শুনা করার জন্য স্ট্যাম্প করে লিজ প্রদান করেছেন। তদন্ত পূর্বক,অবৈধ লিজ বাতিল করতে, প্রশাসনের কাছে একান্ত দাবি।

ফেনীতে ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির এনসিপিতে যোগদান

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৭ পিএম
ফেনীতে ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির এনসিপিতে যোগদান

নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় গাজী ইউছুপ বাপ্পি, তরুণ নেতৃত্বে শক্তি বাড়ানোর আশা এনসিপির

ফেনীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিয়েছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ ফেনী জেলা শাখার সদ্য সাবেক সভাপতি গাজী ইউছুপ বাপ্পি। বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপি ফেনী জেলা শাখায় যোগদান করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
শহরের জুলাই চত্বরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এনসিপির জেলা আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত, সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন সজিব এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুহাইমিন তাজিম ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় গাজী ইউছুপ বাপ্পি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে দলের সঙ্গে যুক্ত হন।
যোগদান শেষে গাজী ইউছুপ বাপ্পি বলেন,
“স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার মাধ্যমে তরুণ বিপ্লবীরা একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন। এনসিপি সেই সম্ভাবনাকে ধারণ করছে। আমি আজ থেকে জুলাইয়ের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির নতুন পথে যাত্রা শুরু করলাম।”
তিনি আরও বলেন, তরুণদের নেতৃত্বে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব এবং এনসিপির মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের অংশ হতে চান তিনি।
এদিকে, এনসিপি ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত বলেন,
“জুলাইয়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি থেকে গড়ে ওঠা এনসিপি একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গাজী বাপ্পীর মতো উদ্যমী ও সচেতন তরুণদের দলে অন্তর্ভুক্তি আমাদের শক্তিকে আরও বেগবান করবে।”
তিনি আরও জানান, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যারা একটি গণমুখী ও পরিবর্তনধর্মী রাজনীতিতে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এনসিপির দরজা উন্মুক্ত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ নেতৃত্বের এই ধরনের দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতাদের মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেনীতে গাজী ইউছুপ বাপ্পির এই যোগদানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খানপুর মানবকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে, অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে চাউল বিতরণ,

নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
খানপুর মানবকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে, অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে চাউল বিতরণ,

 

১১ই এপ্রিল ২০২৬ রোজ শুক্রবার, ২ টা ৩০ মিনিটে, নারায়ণগঞ্জের, খানপুর মানব কল্যাণ সংস্থার, পক্ষ থেকে, অর্ধ এলাকার, অসহায় হতদরিদ্রের মাঝে, চাউল বিতরণ করেন,

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হইতে অনুদানকিত চাউল, খানপুর মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ডের, অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে, অদ্য এলাকার গণ্যমান্য, প্রধান অতিথি, ব্যক্তিবর্গ, মোহাম্মদ আজাদ সাহেবের উপস্থিতিতে,
পারভিন আক্তার,এর সভাপতিত্বে, হাজী মোঃ নাজির খান এর সঞ্চালনায়, একশত পরিবারের মাঝে, চাউল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়,
উক্ত চাউল অসহায় পরিবাররা পেয়ে খুব আনন্দিত।

error: Content is protected !!