শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

ঠাকুরের দীঘি ব্রাদার্স অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে প্রাণবন্ত ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম | 64 বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরের দীঘি ব্রাদার্স অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে প্রাণবন্ত ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

 

গ্রামীণ ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে এবং তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদনের ধারায় সম্পৃক্ত করতে ঠাকুরের দীঘি ব্রাদার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য এ ম্যাচে রুপার বাজার ফুটবল একাদশ চমৎকার দলীয় সমন্বয় ও কৌশলগত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জিহাদ মামুন ফুটবল একাদশ (ইন্দ্রার পাড়া)-কে ৪-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলার শুরু থেকেই রুপার বাজার একাদশ আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণভিত্তিক ফুটবল প্রদর্শন করে মাঠে প্রাধান্য বিস্তার করে। তাদের সুচিন্তিত পাসিং, গতিময় আক্রমণ এবং নিখুঁত ফিনিশিং দর্শকদের মুগ্ধ করে। অপরদিকে জিহাদ মামুন একাদশও লড়াকু মানসিকতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয়নি।

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো মাঠকে এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত করে। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও সমর্থন খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে নতুন উদ্দীপনা যোগায়।

উক্ত খেলায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ জুবায়ের আলম, মোঃ ইব্রাহিম খলিল বাচ্চু এবং গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যারা খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন এবং আয়োজকদের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

এ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে কমিটির সদস্যদের নিরলস পরিশ্রম ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দর্শকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, যা আয়োজনটিকে আরও সুশৃঙ্খল ও সফল করে তুলেছে।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে ক্রীড়ার মাধ্যমে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখা এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতেই তাদের এ আয়োজন, যা ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেয়েছেন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেয়েছেন

পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষ ও বিষধর সাপের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এই প্রাণঘাতী সমস্যার এক অদ্ভুত ও দুঃসাহসী সমাধান নিয়ে কাজ করছেন টিম ফ্রিড নামের ৫৮ বছর বয়সী এক মার্কিন নাগরিক। একটি কার্যকর ও সর্বজনীন ‘অ্যান্টিভেনম’ বা সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরির লক্ষ্যে তিনি নিজের শরীরে ইচ্ছাকৃতভাবে ২০০ বার বিষধর সাপের কামড় খেয়েছেন।

জানালা পরিষ্কারের কাজ করলেও টিমের নেশা ছিল বিজ্ঞান। গত ২০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক সব সাপের কামড় খেয়েছেন, যাতে তাঁর শরীরে এমন এক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ইমিউনিটি’ তৈরি হয়, যা থেকে একদিন সর্বজনীন অ্যান্টিভেনম তৈরি করা সম্ভব হয়। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে নিজ বাড়ির বেজমেন্টে এই বিপজ্জনক পরীক্ষা চালিয়েছেন তিনি।

এই পাগলাটে নেশা তাঁকে একাধিকবার মৃত্যুর মুখোমুখি করেছে। সাপের বিষে তাঁর পা ও আঙুল পচনের উপক্রম হয়েছিল। একবার তিনি কয়েকদিনের জন্য কোমায় চলে গিয়েছিলেন। টিম বলেন, ‘লোকে আমাকে পাগল বলত, অনেকে থামানোর চেষ্টাও করেছে। কিন্তু সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করত। তাই আমি নিজের জীবন বাজি রেখেছি এবং আজ আমি আনন্দিত যে, আমি সফল হয়েছি।’

টিমের এই আত্মত্যাগে এখন একটি নতুন ও কার্যকর অ্যান্টিভেনম তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং ৪ লাখ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করে। তাঁদের অধিকাংশেরই বাস এশিয়া ও আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোর দরিদ্র অঞ্চলে।

জলবায়ু সংকটের কারণে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাপ ও মানুষের সংস্পর্শে আসার ঘটনা বাড়ছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় অস্বাভাবিক গরমের কারণে চলতি বছর ইতিমধ্যে ছয়জন র‍্যাটলস্নেকের কামড়ের শিকার হয়েছেন।

বর্তমানে সেন্টিভ্যাক্স নামে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন টিম। ছবি: এপি
বর্তমানে সেন্টিভ্যাক্স নামে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন টিম। ছবি: এপি

বর্তমানে সেন্টিভ্যাক্স নামে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন টিম। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জ্যাকব গ্ল্যানভিল জানান, টিম এমন সব সাপের বিষ নিজের শরীরে নিয়েছেন, যা সাধারণ অবস্থায় একটি ঘোড়াকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট। গত বছরের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টিমের শরীরের অ্যান্টিবডিগুলো কোবরা, মাম্বা, তাইপান, ক্রেইটসহ ‘এলাপিডি’ পরিবারের ১৯টি বিষধর সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম।

টিম ফ্রিডের এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে। তখন তিনি বিষের সঙ্গে স্যালাইন মিশিয়ে শরীরে ইনজেকশন দিতেন এবং ধীরে ধীরে সরাসরি সাপের কামড় নিতে শুরু করেন। ২০০১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিনি এক ঘণ্টায় একটি ‘মনোকলড কোবরা’ ও একটি ‘ইজিপশিয়ান কোবরা’র কামড় খান। এর ফলে তিনি কোমায় চলে যান। টিম বলেন, ‘আমার প্রতিবেশী সময়মতো সাহায্য না করলে ১৫ মিনিটের মধ্যেই আমি মারা যেতাম। তবে আমি মৃত্যুর স্বাদ জানি—সেটা অন্ধকার ও শীতল।’

কোমা থেকে ফিরে এসেও টিম দমে যাননি। সাপের কামড়ের তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করেও তিনি তাঁর পরীক্ষা চালিয়ে গেছেন। একবার র‍্যাটলস্নেকের কামড়ে তাঁর আঙুল কালো হয়ে পচন ধরেছিল, আবার কোবরার বিষে তাঁর পায়ের পেশি ছিঁড়ে বেরিয়ে এসেছিল। টিম বলেন, ‘পেশিগুলো পা থেকে ফেটে বেরোচ্ছিল, আমাকে রেজারের ব্লেড দিয়ে তা কাটতে হয়েছিল। দুই মাস হাঁটতে পারিনি।’

টিমের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বিষধর সাপ ইনল্যান্ড তাইপানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা। এই সাপের এক কামড়ের বিষ ১০০ জন মানুষকে মারার জন্য যথেষ্ট। টিম এই সাপের কামড় খেয়েছেন মোট ২২ বার।

২০১৯ সাল থেকে সেন্টিভ্যাক্স টিমের রক্ত থেকে অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করে অ্যান্টিভেনম তৈরির কাজ করছে। মানুষের শরীরে প্রয়োগের আগে এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় পোষা প্রাণীদের ওপর এই অ্যান্টিভেনমের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানো হবে।

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ সংসদে পাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৪ পিএম
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ সংসদে পাস

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি অভিন্ন একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম তদারকি করা সম্ভব হবে।

আজ শুক্রবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

নতুন আইনে আগে প্রস্তাবিত চারটি স্কুলে সাতটি কলেজকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে বলা হয়েছে, কলেজগুলো তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে; তবে একাডেমিকভাবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধিভুক্ত থাকবে।

আইনটি কার্যকর হওয়ার ফলে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা পরিচালনার জন্য একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এই কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের অপেক্ষায় ছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস বা অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া কলেজগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে এমফিল ও পিএইচডি কার্যক্রম চালু থাকবে। পাশাপাশি শিক্ষক উন্নয়ন ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগও থাকবে।

উল্লেখ্য, এসব কলেজ আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল এবং ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনা হয়। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একাডেমিক হয়রানির অভিযোগ তুলে পরে শিক্ষার্থীরা পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানায়। এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সেই দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো এবং উচ্চশিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

জব্দ সম্পদ ফেরত চাইল ইরান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
জব্দ সম্পদ ফেরত চাইল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার আগে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তি—এই দুটি বিষয় বাস্তবায়ন না হলে কোনো আলোচনা শুরু হবে না।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গালিবাফ জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে পূর্বে যে সমঝোতা হয়েছিল, তার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ‘লেবাননে একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনার আগে ইরানের ব্লক হয়ে থাকা সম্পদ মুক্ত করা—এই দুটি বিষয় পূরণ করতেই হবে।’

শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে ইরানের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন গালিবাফ নিজেই।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ। বিশেষ করে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার পর দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। এর পর থেকেই ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন, যার ফলে ইরানের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক সম্পদ বিদেশে আটকে থাকে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে লেবানন সীমান্তে ইসরায়েল ও ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরান মনে করে, এই সংঘাত বন্ধে কার্যকর যুদ্ধবিরতি না হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না, যা যেকোনো কূটনৈতিক আলোচনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার আগে শর্ত আরোপ করে ইরান কূটনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তি পেলে ইরানের অর্থনীতি কিছুটা স্বস্তি পাবে, আর লেবাননে যুদ্ধবিরতি হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমবে—যা আলোচনার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এই শর্তগুলো কতটা গ্রহণ করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে ইসলামাবাদের সম্ভাব্য বৈঠক শেষ পর্যন্ত কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

error: Content is protected !!