শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম | 51 বার পড়া হয়েছে
দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

 

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি খাস পুকুর লিজ ইজারায় বিভিন্ন সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তাদের উপর ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পুকুর লিজ নিয়ে তারা নিজেরা মাছ চাষ করেনা, এতে দেখা যায় সরকারি শর্তাবলী লংঘন করে এবং তাদের দেওয়া অঙ্গীকার তারা নিজেরাই ভঙ্গ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে অচল সমিতিকে পুকুর পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদান। তিন বছর পর পর কুকুর লিজ নিয়ে,লিজ দেয়াই তাদের ব্যবসা। সমিতির কেউ পুকুর সরেজমিনে চিনেনা। এ ব্যবসা দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটি সমিতির ম্যানেজার/সাধারণ সম্পাদক, লিজ বানিজ্য বন্ধ করতে, প্রমাণ সহ লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী বাদী মোঃ জফির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক/ ম্যানেজার, “আমার বাড়ি আমার খামার সমিতির পক্ষে লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লীজ বাতিলের আবেদন করেছেন। তার দাবি তার সমিতির দর অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও সে পুকুর পায়নি। অনেক অচল সমিতি দির্ঘদিন কার্যক্রম নেই, সেগুলো সমিতি শুধু মাত্র পুকুর নেয়ার জন্য প্রত্যয়নপত্র, রেজুলেশন,অডিট ইত্যাদি কাগজপত্র তৈরি করে এগুলো অপকর্মে জড়িত আছেন।‌ কিছু দালাল চক্র মোঃ গোলাম মোস্তফা মান্নান, অফিস সহকারী কৃষ্ণপুর মাদ্রাসা এই দালালের কাজ মাধ্যম হয়ে পুকুর দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করা। সমিতির সভাপতির কাগজপত্র টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে ব্যবসা করাই তার কাজ। যাচাই বাছাই তদন্ত না করেই এগুলো সমিতিকে পুকুর লিজ দিয়েছেন। কিছু পুকুর লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন অনেকে। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছেন,কোন সমাধান এখনো হয়নি। কিছু সমিতির সভাপতি টাকার বিনিময়ে সমিতি বিক্রি করে দিয়েছে আগেই। দ্বিতীয় বার আবার পুকুর দেখা শুনা করার জন্য সমিতির সভাপতি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে, অন্য ব্যক্তির কাছে পুকুর লিজ প্রদান করে দেয়। কোন সমিতির সভাপতি নিজেরা পুকুরে মাছ চাষ করে না। এলাকার লোকজন বলছে এরা অপরাধী। পুকুর লিজ ছাড়া এদের কোন ভিত্তি নেই। অনেকেই কাগজপত্র তৈরি করে জাল স্বাক্ষর করে,পুকুর লিজ পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করছেন। নামে মাত্র মৎস্য জীবী সমিতি,বাস্তবে এদের কিছু নেই। সভাপতি একাই যা করে তাই, সদস্যরা তেমন অবগত নয়। অভিযুক্ত পুকুরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মৌজা বিআড়, জে এল নং ৮৯, দাগ নং ৫৩৪, পরিমাণ ৫৮, শতাংশ। কিসমত বগুড়া , জে এল নং ৮২, দাগ নং ৮১৮, রকম পুকুর, খতিয়ান ১,
পরিমাণ ৭৪ শতাংশ। মৌজার রঘুনাথপুর,জে এল নং ৮৫, খতিয়ান১,দাগ নং ১৮৮৭,পরিমাণ ৭০ শতক। মৌজা রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫, খতিয়ান নং১,দাগ নং ১৬৩৯,পরিমাণ ১.৯০ একর। উল্লেখিত পুকুর গুলো সমিতির সভাপতিগন সাব- লীজ দিয়েছে,কেউ আবার দেখা শুনা করার জন্য স্ট্যাম্প করে লিজ প্রদান করেছেন। তদন্ত পূর্বক,অবৈধ লিজ বাতিল করতে, প্রশাসনের কাছে একান্ত দাবি।

খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় পরিচয়হীন একজন পুরুষের পায়ের নিচের অংশে পচন ধরেছে

জাহিদ হোসেন, খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় পরিচয়হীন একজন পুরুষের পায়ের নিচের অংশে পচন ধরেছে

রাস্তাঘাটে চলাচলকারী ও পরিচয়হীন ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন, বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

সড়ক দুর্ঘটনায় গরিব অসহায়দের জন্য বিনামূল্যের চিকিৎসার খুব সু-ব্যবস্থা করা হোক। যাতে করে চিকিৎসার অভাবে পরিচয়হীন মানুষগুলো মৃত্যুবরণ করতে না হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক পুরুষের পায়ের নিচের অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয় খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

কোন কিছুর সাথে গভীরভাবে বিদ্ধ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা করার মতো এমন কোন হৃদয়বান ব্যক্তির দেখা যায় নী।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির পাশে দুজন পথচারী বলছে আজ থেকে ২০ বছর যাবত খুলনা রেলস্টেশনে যেখানে- সেখানে জীবন পার করছে। আরোও বলেন আমাদের জানা সত্ত্বে তিনি ইন্ডিয়ান ব্যক্তি। সেই পরিচয়হীন মানুষটি কোন ভাবে বাংলাদেশের চলে আসে কিন্তু মানুষটির পরিচয় আজও কেউ জানতে পারি নি।

এটি একটি বিপজ্জনক ধরনের আঘাত, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি এবং দ্রুত পরিচয়হীন মানুষটির জন্য এ মুহূর্তে সরকারের নিকট থেকে ভালো চিকিৎসা না করানো হলে এটি রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে ও পরিচয়হীন পুরুষ ব্যক্তিটির পায়ের অংশটি পচনে গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

পরিচয়হীন রোগীর পায়ের নিচের অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় পায়ের অংশটি ভয়াবহতা সৃষ্টি হয়। একজন রিক্সার চালক কয়েকদিন পর পর পরিচয়হীন ব্যক্তিটির পায়ের ব্যান্ডেজ করা অংশটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করে।

গভর্নর পদের ৬৭ বছরের বয়সসীমা তুলে দিয়ে বিল পাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
গভর্নর পদের ৬৭ বছরের বয়সসীমা তুলে দিয়ে বিল পাস

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে সর্বোচ্চ ৬৭ বছর বয়সসীমা তুলে দিয়ে একটি বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। বিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৬৭ বছর পূর্ণ হলে পদে থাকা যাবে না বলে যে শর্ত ছিল, তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ সংশোধনের বিলটি উত্থাপন করেন। পরে দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী না থাকায় তা উত্থাপিত আকারে পাস হয়। নতুন আইনের নাম রাখা হয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন আইন, ২০২৬।

বিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৬৭ বছর পূর্ণ হলে পদে থাকা যাবে না বলে যে শর্ত ছিল, তা বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ১০ অনুচ্ছেদের ৫ দফায় থাকা শর্ত বিলুপ্ত হবে। এর অর্থ, গভর্নর পদে চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের বিধান থাকবে, কিন্তু বয়স ৬৭ বছর পার হলে পদ ছাড়তে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা আর থাকবে না।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংক তদারকি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়সহ আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গভর্নর পদে ‘অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তি’ নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যমান বয়সসীমা অনেক ক্ষেত্রে আর্থিক খাতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি সংশোধনের যৌক্তিকতা-সংবলিত তুলনামূলক বিবরণীতেও একই কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এই পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

ওই বিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও পাকিস্তান ছাড়া অন্য অনেক দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। সে কারণেই ‘উক্ত আইনগত সীমাবদ্ধতা দূরীকরণ’ জনস্বার্থে প্রয়োজন বলে মত দেওয়া হয়েছে। সংসদের চলতি অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া চলছে, তার অংশ হিসেবেই এই সংশোধনী বিলটি আনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন বিলের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো-সংক্রান্ত আরও কয়েকটি বিলও ওই অধিবেশনে নিষ্পত্তি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের মুদ্রানীতি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। সে কারণে এই পদে নিয়োগের যোগ্যতা, মেয়াদ, পুনর্নিয়োগ ও বয়সসীমা নিয়ে আইনি বিধান সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়।

সরকারের যুক্তি হচ্ছে, আর্থিক খাতে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করতে গেলে বয়সের নির্দিষ্ট সীমা অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে জটিল ব্যাংকিং ও আর্থিক বাস্তবতায় অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা সামনে এনে তারা এই সংশোধনী প্রস্তাব এনেছে।

গভর্নর পদের বয়সসীমা নিয়ে এটাই প্রথম পরিবর্তন নয়। ২০২০ সালে আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হয়েছিল। তখন সাবেক গভর্নর ফজলে কবিরকে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্বে রাখতেই সেই পরিবর্তন আনা হয়। পরে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর করার উদ্যোগ নিলে আবারও বয়সসীমার বিষয়টি সামনে আসে। সে সময় সরকারের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, বিদ্যমান আইনে ৬৭ বছরের বেশি বয়সী কাউকে গভর্নর পদে রাখার সুযোগ নেই। প্রায় ৭৩ বছর বয়সী আহসান এইচ মনসুরকে দায়িত্ব দিতে তাই আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সংসদে পাস হওয়া সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা পুরোপুরি তুলে দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী গভর্নরের মেয়াদ চার বছর। পুনর্নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এই অবস্থায় বয়সসীমা তুলে দেওয়ার ফলে ভবিষ্যতে সরকার এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের বদলে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রজ্ঞাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে।

নতুন সংশোধনীতে গভর্নরের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল থাকছে। বাদ যাচ্ছে শুধু বয়সসীমা-সংক্রান্ত শর্তটি। আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর করার সময় অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে বয়সসীমা-সংক্রান্ত এই পরিবর্তন কার্যকর করেছিল; সংসদে বিল পাসের মধ্য দিয়ে সেটি এখন আইনি ভিত্তি পেল।

 

টি-শার্টে ফুয়েল কার্ড

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৯ পিএম
টি-শার্টে ফুয়েল কার্ড

তেল নেওয়ার ভোগান্তি থেকে বাঁচতে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নিয়েছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক যুবক। জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করে টি-শার্টে ব্যবহার করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে লোকজনের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

ওই যুবকের নাম নূর মোহাম্মদ। তিনি উপজেলার বড়পাকুরিয়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় জামতৈল বাজারে সোনালি টেলিকম অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস নামে তাঁর একটি দোকান রয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার জামতৈল বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল চালানোর সময় ওই টি-শার্ট পরা অবস্থায় নূর মোহাম্মদকে দেখা যায়। জানা যায়, ৫ এপ্রিল কাজীপুর মোড় এলাকার একটি পেট্রলপাম্পে তেল নিতে গেলে ফুয়েল কার্ড না থাকায় নূর মোহাম্মদকে ফেরত পাঠানো হয়। পরে ৬ এপ্রিল তিনি ফুয়েল কার্ডটি টি-শার্টে প্রিন্ট করার সিদ্ধান্ত নেন।

টি-শার্টের সামনের অংশে তাঁর নাম, ছবি, পরিচয়সহ ফুয়েল কার্ডের তথ্য ছাপানো রয়েছে। পেছনের অংশে কবে তেল পাওয়া যাবে ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো প্রিন্ট করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নূর মোহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাম্পে গেলে আগে বলা হতো তেল নেই। পরে ফুয়েল কার্ড চালু হওয়ার পর কার্ড ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছিল না। একাধিকবার কার্ড সঙ্গে না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে। ছবি দেখালেও গ্রহণ করা হয়নি। এই অবস্থায় কার্ডটি সব সময় সঙ্গে রাখতে টি-শার্টে প্রিন্ট করার উদ্যোগ নিই।’ তিনি আরও বলেন, ‘যত দিন এই নিয়ম থাকবে, তত দিন এভাবেই ব্যবহার করব।’

error: Content is protected !!