কোন ক্ষমতাবলে বুলবুলের কমিটি ভেঙে দিল ক্রীড়া পরিষদ?
মাত্র ৬ মাসেই বিসিবিতে ইতি ঘটল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটির। আজ বিকেলে সেই কমিটি ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করেছেন ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান।
এনএসসির অধীনে ৫২টি ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। এর বিসিবিও অন্তর্ভুক্ত। বিসিবির গঠনতন্ত্রে অ্যাডহক কমিটির উল্লেখ নেই। সর্বশেষ তিন নির্বাচনের কোনোটিই অ্যাডহক কমিটির অধীনে হয়নি। তবু কেন হঠাৎ অ্যাডহক কমিটির কথা উঠে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে।
এনএসসি অ্যাক্ট ২০১৮’র ধারা ২১ অনুযায়ী, আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইন, চুক্তি বা আইনি দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রিষদ জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা বা তফসিলে উল্লিখিত ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটি, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করিতেছে না বা সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থী কার্যক্রম পরিচালনা করিতেছে মর্মে পরিষদের নিকট প্রতীয়মান হইলে, উক্ত নির্বাহী কমিটি ভেঙে দিতে পারবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং প্রয়োজনে একটি অ্যাডহক কমিটি নিয়োগ করতে পারবে।
আমিনুল এহসান বলেন, ‘বিসিবি সংবিধানের ৯.৩.৩ ধারা অনুযায়ী, সভাপতি এককভাবে ১০ জন সাবেক ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর মনোনয়নের ক্ষমতা রাখেন না। বিসিবি সভাপতি হিসেবে জনাব আমিনুল ইসলাম বুলবুল একপক্ষীয়ভাবে ১০ জন সাবেক ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন করে তার ক্ষমতার বাইরে কাজ করেছেন। এটি স্পষ্ট ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিসিবি সংবিধানের লঙ্ঘন।’











