সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

অনুসন্ধানী সংবাদে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১:১৫ পিএম | 63 বার পড়া হয়েছে
কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ পলিথিনের অবৈধ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আনিস নামের এক ব্যক্তি পলি ব্যবসায়ী। সম্প্রতি এ বিষয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক ইস্পাহানী ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আনিসের সঙ্গে আমিনুল ও শুক্কুর নামের আরও দুই ব্যক্তি মিলে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কদমতলী, শুভাঢ্যা, রাজেন্দ্রপুরসহ কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে নিষিদ্ধ পলিথিনের একাধিক গোডাউন ও সরবরাহ ব্যবস্থা। এসব এলাকা ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে পলিথিন মজুদ ও বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় সরকার বহু আগেই পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই এসব পলিথিনের বেচাকেনা চলছে এবং দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাসযোগে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কিছু অসাধু সাংবাদিকও ভূমিকা রাখছে। তাদের মধ্যে শাহীন,এশিয়ান টিটু, এনবিপি মাসুম পারভেজসহ আরও কয়েকজনের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, এই অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কেউ যদি এই অবৈধ পলিথিন ব্যবসা নিয়ে অনুসন্ধান বা সংবাদ প্রকাশ করেন তখন একটি চক্র সক্রিয় হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিস, আমিনুল, শুক্কুর ও অভিযোগ ওঠা সাংবাদিকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত করার সাইফুল আলম জানান, অনিয়মের ক্ষেত্রে কোন ব্যবসায়ী বা সাংবাদিককে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, পরিবেশ ধ্বংসকারী এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক

কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার আহ্বান জানিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে ১৫ মার্চ ২০২৬, র‌বিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন এর মাধ্যমে স্মারকলিপিটি প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব‍্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে- ইতিমধ্যে নতুন সেতুর প্রকল্পটি ২০২৪ সালে অক্টোবরে একনেক পাশ করেছে এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা গত বছর ২০২৫ সালের মে মাসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখনো এর কাজ দৃশ্যমান হয়নি। এতে চট্টগ্রামবাসী হতাশ হয়েছেন। বিগত সময়ে এ ব্যাপারে রেল ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ও কর্তৃপক্ষ বারবার ডিজাইন, পুন:ডিজাইন ইত্যাদি অজুহাতে বিভিন্নভাবে অবহেলা করে দাবীটির বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত করেছেন, সবশেষে এ কারণে প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম আশা করছে নতুন সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ অনতিবিলম্বে শুরু করবেন এবং ২০২৮-২৯ সালের মধ্যেই এই ৭০০ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ করতে সবরকম ব্যবস্থা করবেন। এই সাথে এই প্রকল্পটি নিয়ে অতীতের মতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি ও দীর্ঘসূত্রিকা যেন না হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে আর কাল বিলম্ব না করে কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার জন্য নাগরিক ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর একান্ত হস্তক্ষেপ, উদ্যোগ ও নির্দেশনা কামনা করেছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীর কমিশনার সেতুটির নির্মাণ নিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তিনি স্মারকলিপিটি জরুরি ভিত্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে ফোরামের মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, মিটুল দাশ গুপ্ত, আবু তাহের চৌধুরী,এম, মনছুর আলম, তসলিম খাঁ, শ.ম. জিয়াউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইমরান, মোঃ আক্তার, মিজানুর রহমান, রেকা চৌধুরী, মোহাম্মদ রানা, নুরুল হুদা, হারুনুর রশিদ, মো. রাকিব, ওয়াহিদুল হক, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জাহিদ সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সেতুটি নতুনভাবে নির্মাণের দাবীতে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এই দাবিকে একটি জনপ্রিয় জাতীয় দাবিতে পরিণত করেছে। বিগত সরকারের সময়ে কিছু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতা নাগরিক ফোরামের এ আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করলেও এটি থেমে থাকেনি।

দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল কমিটির সভাপতি বানালে আদালতে যাব: রাশেদা কে চৌধুরী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল কমিটির সভাপতি বানালে আদালতে যাব: রাশেদা কে চৌধুরী

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। এর ব্যত্যয় হলে আবার আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংলাপে মঞ্চে উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন রাশেদা কে চৌধুরী। আজ সোমবার রাজধানীর ৬ লেকশোর হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম নামে একটি সংগঠন এ সংলাপের আয়োজন করে।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘বলা হয়েছে যে এডুকেশন এজ অ্যা পলিটিক্যাল এজেন্ডা। অবশ্যই রাজনৈতিক এজেন্ডা তবে এটি যেন দলীয় এজেন্ডা না হয়। পার্টির এজেন্ডা না হয়। বিভিন্ন জায়গায় বলা হচ্ছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা কমানো হবে। আমরা তো সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ডরাই! সে জন্য বলছি সেখানে যেন রাজনৈতিক মনোনয়ন দেওয়া না হয়। আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০১৭ সালের হাইকোর্টের একটি রিটের একটি রুলিং আপিল বিভাগ আপহোল্ড করেছেন। আদালত বলেছেন, কোনো দলীয় কাউকে কোনো স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা যাবে না। আপনারা যদি দেন আমি আবার আদালতে গিয়ে রিট করব। শিক্ষাকে রাজনীতিকরণ করতে দেওয়া যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে কিন্তু শিক্ষাকে নাগরিক অধিকার হিসেব এখনো সংবিধানে স্বীকৃতি পায়নি। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে সংবিধান স্বীকৃত।’

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পরে এ বিষয়ে জবাব দেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের মাঝে বিষয়টি নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

টাঙ্গাইল (মির্জাপুর প্রতিনিধি)

মির্জাপুরে কোর্টের নির্দেশে ৫২ বছর পর ফেরত পেল জমি

টাঙ্গাইল (মির্জাপুর প্রতিনিধি) প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৮ পিএম
মির্জাপুরে কোর্টের নির্দেশে ৫২ বছর পর ফেরত পেল জমি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই ইউনিয়নের নাজির পাড়া এলাকায় ৫২ বছর পর আদালতের নির্দেশে ঢাক ঢোল পিটিয়ে জমির প্রকৃত মালিককে ১৩৫ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দিলেন আদালত।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আদালতের পক্ষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। জমির পরিমাপ করে উদ্ধার করা জমিতে লাল নিশানা টানিয়ে দেন।

জজ কোর্টের পক্ষে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে মির্জাপুর থানার পুলিশ ফোর্স ও অন্যান্য সবাইকে নিয়ে এই জমি ডিগ্রিপ্রাপ্ত বাদী নান্দু খান ও ইব্রাহিম খান কে তার পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত।

মামলার বাদী নান্দু খান ও ইব্রাহিম খান বলেন,৫২ বছর পর হলেও আমরা আমাদের জমি বুঝে পেয়ে খুবই আনন্দিত।

error: Content is protected !!