সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

গাইবান্ধা পৌর মহাশ্মশানের জায়গা দখলের চেষ্টা

Tanin Afrin
Tanin Afrin - DISTRICT CORRESPONDENT, GAIBANDHA প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:০২ পিএম | 33 বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধা পৌর মহাশ্মশানের জায়গা দখলের চেষ্টা

গাইবান্ধা পৌর মহাশ্মশানের জায়গা দখলের চেষ্টা ও শ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে সর্বস্তরের মানুষ। মহাশ্মশানটি পৌর এলাকার জুম্মাপাড়ায় অবস্থিত। সম্প্রতি ওই এলাকার ভূমিদস্যু মাসুদ রানা তার সহযোগী সন্ত্রাসীদের নিয়ে রাতের অন্ধকারে মহাশ্মশানের জায়গা দখলের চেষ্টা করে। রাতেই খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনায় পরেরদিন সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত তা গ্রহণ করেননি। এ নিয়ে সনাতন হিন্দুদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পৌর শ্মশান কমিটির আয়োজনে শনিবার গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোড আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সনাতন হিন্দুরা ছাড়াও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
শ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন প্রসাদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের সদর উপজেলা আহবায়ক গোলাম রব্বানী মুসা, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক জাভেদ হোসেন, সাংবাদিক হেদায়েতুল ইসলাম বাবু ও লালচান বিশ্বাস সুমন, সনাতন সংঘের সাধারণ সম্পাদক বিমল চন্দ্র দাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ঐক্য ফ্রন্টের বিপুল চন্দ্র দাশ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি সুমন চক্রবর্ত্তী, কালী মন্দির কমিটির রঞ্জন সাহা, পৌর মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানিক সরকার প্রমুখ।
বক্তারা, সদর থানায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে পৌর মহাশ্মশান কমিটির মামলা গ্রহণ, অভিযুক্ত ভূমিদস্যু মাসুদ রানা ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানান। অন্যথায় গাইবান্ধাসহ গোটা উত্তরাঞ্চলে বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণের হুশিয়ারি দেন।

ইরান শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলবে কি?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৮ পিএম
ইরান শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলবে কি?

ইরান কি বিশ্বকাপে খেলবে— ফুটবল বিশ্বে এই মুহূর্তে এর চেয়ে বড় প্রশ্ন আর নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। কবে শেষ হবে সেটাও অজানা। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে খেলার কথা কেইবা ভাবতে পারে। তাও আবার শত্রুর দেশে গিয়ে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমদ দুনিয়ামালি জানান, কোনো অবস্থাতেই ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবে না ইরান। তবে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। তারা ধরে নিচ্ছে ইরান খেলবে।

গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সতর্কবার্তায় জানান যে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে বিশ্বকাপে অংশ নিলে ইরানি দলের ‘জীবন ও নিরাপত্তা’ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বিমান হামলার ফলে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

কুয়ালালামপুরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এএফসির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর পল জন বলেন, ‘আমাদের জানা মতে, ইরান খেলছে। তারা শেষ পর্যন্ত খেলবে কি না সেদিকে আমরা নজর রাখছি, তবে এই মুহূর্তে তারা টুর্নামেন্টে আছে। তারা খেলবে না—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আমাদের কাছে নেই।’

উইন্ডসর জোর দিয়ে বলেন যে, এএফসি চায় ইরানের মতো একটি শীর্ষসারির দল বিশ্বমঞ্চে অংশ নিক। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আশা করি তারা তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করবে… এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে।’

ট্রাম্প তার ’ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে বলেছিলেন যে, ইরানি দল স্বাগত, ‘তবে আমি সত্যি মনে করি না যে তাদের সেখানে থাকাটা ঠিক হবে, তাদের নিজস্ব জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থেই।’

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপে অংশগ্রহণকারী ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জাহরা ঘানবারি গতকাল তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন। জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করায় দেশে ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত হওয়ার পর নারী দলের সাতজন সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। অধিনায়কের এই সিদ্ধান্তের পর এখন মাত্র দুজন খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রত্যাবর্তনকারী নারী খেলোয়াড়েরা মালয়েশিয়া থেকে ওমানে যাবেন। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে উইন্ডসর জানান, এএফসি তাদের প্রস্থানের খবরের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ তাদের সিদ্ধান্ত এবং আমরা সেটিকে সমর্থন করব।’

 

রাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
রাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম। তিনি রাবি জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।

আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেন, ‘আমি বিষয়টি জেনেছি এবং দায়িত্ব নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি। তবে অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন এখনো হাতে পাইনি।’

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও নগদ টাকা আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করলেন এসপি আল মামুন শিকদার

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও নগদ টাকা আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করলেন এসপি আল মামুন শিকদার

নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও নগদ টাকা আনুষ্ঠানিক ভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর করলেন এসপি আল মামুন শিকদার। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার”র প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল(CCIC) উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। উজ্জ্বল যায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত চৌকস অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ জয়নুল আবেদীন, এসআই (নিঃ) মোঃ রাকিবুল হাসানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নড়াইল জেলার ৪টি থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ টি হারানো মোবাইল ও বিভিন্নভাবে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ২১২,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৬ মার্চ’) সকালে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত বিভিন্ন মডেলের বিশ টি স্মার্ট ফোন ও অনলাইন প্রতারণা মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ২১২,০০০/- টাকা মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার, পুলিশ সুপার, নড়াইল আনুষ্ঠানিক ভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেন।
এসময় হারানো মোবাইল ফোন ও খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত পেয়ে মালিকরা আনন্দে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। মোবাইল ও টাকা ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা এগুলো পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, পুলিশ তাদের মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। তারা তাদের মোবাইল ও টাকা খোয়া গেলে নিকটস্থ থানায় ঘটনার বিষয়ে জিডি করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইল টিমের সাথে যোগাযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে তাদের হারানো মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্বার করা হয়। তারা পুলিশ সুপার ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত সদস্যদের কাজ ও আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আব্দুল খালেক, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

error: Content is protected !!