শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

মম জামান

মজাদার তেলের পিঠা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৫১ এএম | 221 বার পড়া হয়েছে
মজাদার তেলের পিঠা

সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের তেলের পিঠা খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। ঘরে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় এই পিঠা। মজার এই তেলের পিঠার রেসিপি দিয়েছেন মম জামান। তো, আসুন তার রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।
উপকরণ :
চালের গুঁড়া ৪ কাপ, ময়দা ১ কাপ, খেজুরের গুড় বা চিনি ২ কাপ, লবণ এক চিমটি, বেকিং সোডা এবং ভাজার জন্য সামান্য তেল।
পিঠা ভাজার প্রণালি :
প্রথমে চুলায় একটি পাত্রে পরিমাণ মতো পানিতে গুড় বা চিনি দিয়ে গলিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি কুসুম গরম থাকা অবস্থায় প্রথমে চালের গুঁড়া এবং বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে ঘন একটা ব্যাটার তৈরি করে নিতে হবে। মিশ্রণটি অন্তত এক ঘণ্টা রেস্টে রাখলে পিঠা ভাজার সময় ভালো ভাবে ফুলে ওঠে।
এবার একটি লোহা বা ননস্টিক কড়াইতে তেল খুব ভালোভাবে গরম করে নিতে হবে। এরপর বড় গোল চামচ দিয়ে ব্যাটার তেলে ছাড়তে হবে। কয়েক সেকেন্ডেই পিঠা ফুলে উঠবে। দুই পাশ লালচে বাদামি করে ভেজে তুললেই পরিবেশনের জন্য তৈরি মজাদার তেলের পিঠা।

রৌমারীতে গোয়ালঘরে মিললো ড্রামভর্তি পেট্রোল

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৬ পিএম
রৌমারীতে গোয়ালঘরে মিললো ড্রামভর্তি পেট্রোল

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় এক বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রোল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান।

অভিযানে জানা যায়, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবু জাহানের গোয়ালঘরে ড্রামে করে পেট্রোল মজুত রাখা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, তার ছেলে এরশাদুল হক এসব পেট্রোল বেশি দামে বিক্রি করতেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রোল ও তেল বিক্রির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ অনুযায়ী এরশাদুল হকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় এরশাদুল হক উপস্থিত না থাকায় তার ভাই হারুন অর রশিদ জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘মোটরসাইকেলের ব্যবহারের জন্য কিছু পেট্রোল রাখা ছিল। প্রতিবেশীদের কেউ শত্রুতাবশত বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারের সদস্যরা ভিন্ন সময়ে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বাজারে তাদের একটি তেলের দোকান রয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান বলেন, ‘বসতবাড়ির গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুত করায় জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দকৃত তেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।’

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ ​সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে আওয়ামীপন্থী ২৫ আইনজীবী সহ অজ্ঞাত-৮৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা: গ্রেপ্তার-২

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ ​সুনামগঞ্জ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৫ পিএম
সুনামগঞ্জে আওয়ামীপন্থী ২৫ আইনজীবী সহ অজ্ঞাত-৮৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা: গ্রেপ্তার-২

সুনামগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে মিছিল ও স্লোগানসহ পুষ্পস্তবক অর্পণের ঘটনায় বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ২৫ জন সদস্যের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত দুই আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়ছে।

​গ্রেপ্তারকৃত দুই আইনজীবী হলেন
​অ্যাডভোকেট মনীষ কান্তি দে (মিন্টু): বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন।
​অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান (শামীম): জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য।

​সুনামগঞ্জ কোর্টের উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ব্যানারে একদল আইনজীবী মিছিল নিয়ে আদালত চত্বরের স্মৃতিসৌধে যান।

সেখানে তাঁরা ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এই কর্মসূচির ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আইনি পদক্ষেপ নেয় পুলিশ।
​মামলার এজহারভুক্ত ২৭ জন আসামির সবাই পেশায় আইনজীবী। তাঁদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতাও রয়েছেন।

উল্লেখ যোগ্য আসামিরা হলেন
​অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন (সহসভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ)
​অ্যাডভোকেট হায়দার চৌধুরী লিটন (যুগ্ম সম্পাদক)
​অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম (সাংগঠনিক সম্পাদক)
​অ্যাডভোকেট নুরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল,​অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন দোলন,
​অ্যাডভোকেট বিমান রায়, শুকুর আলী, হাসান মাহবুব সাদী এবং পঙ্কজ তালুকদার সহ আরও অনেকে।

​সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনার ভিত্তিতে আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪১ এএম
আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমালোচনা, আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা উচিত নয়, যা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বিএনপি।

সভায় বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের স্বাদ এবং সাধ্যের মধ্যে ফারাক থাকলেও আমি এই দেশের একজন নাগরিক হিসেবে, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।’

দলের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার দলের সহকর্মীদের, প্রত্যেক গণতান্ত্রিক মানুষের কাছে আমি একটি কথা তুলে ধরতে চাই—আসুন, এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক—সমাজের একটি অংশ নয়, বরং আমরা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এই দেশে ভালো থাকব। আসুন, আমরা প্রত্যেকে একসঙ্গে সহ-অবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব—এই হোক আমাদের আজকের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা, প্রতিজ্ঞা।’

সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এ দেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এ দেশের মানুষের প্রতিষ্ঠিত সরকার। সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি। প্রতিনিয়ত তার জন্য আপনাদের এই সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, চেষ্টা করে যাচ্ছে।’

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘তৎকালীন বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম—এই বাংলাদেশের মানুষ। সুতরাং, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাথা, তা নিয়ে আলোচনা হবে, গবেষণা চলবে এবং এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে আলোচনা-সমালোচনা কিংবা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা অবশ্যই আমাদের জন্য ঠিক হবে না—যেটি আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরব, ইতিহাস, তাকে কোনোভাবে খাটো করতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কথাটি আমি আপনাদের সামনে বলেছিলাম, সেটি হলো—অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ। আর অতীতকে যদি আমরা ভুলে যাই, তাহলে আমাদের দুই চোখ অন্ধ। সুতরাং, আমরা যেমন অতীতকে একদম ভুলে যাব না, ভুলে যাওয়া চলবে না; ঠিক একইভাবে অতীতেও আমরা দেখেছি। খুব বেশি দিন না, নিকট অতীতেও আমরা দেখেছি যে—অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে, যেটা আমাদের সামনে যে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ আছে, সেই ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করেছে।’

এ সময় স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়ে আপনাদের বক্তব্যে অনেক অজানা তথ্য উঠে এসেছে, যা এই মঞ্চে সহ অথবা সামনে যাঁরা বসে আছেন, বাইরেও বহু মানুষ আজকের এই আলোচনা শুনছেন, অনেকেরই হয়তো অনেক কিছু জানা ছিল না। কিন্তু আলোচকবৃন্দের বক্তব্যে আজকে এই রকম অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে। আজকে বাইরে এখানে আসার সময় আমি দেখেছি, তরুণ প্রজন্মের অনেক সদস্য ভেতরে আসতে পারেনি জায়গা সংকুলানের কারণে, তাঁরা ভিড় করেছেন। সেই তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খুব সংক্ষেপে আমি বলতে চাই—বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বছরের পর বছর, এমনকি যুগের পর যুগ ধরেও বিশ্বের যেখানে যাঁরা স্বাধীনতার লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন, একমাত্র তাঁদের পক্ষেই উপলব্ধি করা সম্ভব—স্বাধীনতার মূল্য কতখানি। আমরা যদি একটু পাশে তাকাই, তাহলেই দেখতে পারব—স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছে স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের মানুষ। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আমরা ২০২৪ সালে দেশ এবং স্বাধীনতা রক্ষা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির ভেতরে থেকেও, বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও আপনারা কীভাবে প্রতিরোধ গড়েছিলেন, কীভাবে আপনারা স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিলেন…. আমরা আমাদের বহু সহকর্মীকে সেদিন হারিয়েছি; প্রতিটি প্রাণের স্বপ্ন আছে, আকাঙ্ক্ষা আছে… স্বপ্ন ছিল, আকাঙ্ক্ষাও ছিল। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণেই তাঁরা সাহসের সঙ্গে সেদিন লড়াই করেছিলেন—৭১, ৯০, ২৪-এ। ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল—সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক তাঁবেদারমুক্ত একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আলোচনা সভার শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ স্বাধীনতাযুদ্ধে বীর শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

error: Content is protected !!