শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

জাহারুল ইসলাম জীবন এর আধ্যাত্মিক সংশ্লেষণাত্বক বিশ্লেষণ

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৭ (শেষ পর্ব)

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২২ পিএম | 82 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৭ (শেষ পর্ব)

জৈবিক রসের উর্ধ্বগমন, লতিফা বিন্যাস এবং মানবেদেহে ঐশী জ্যোতি (নূর) প্রকটনের পদ্ধতি।
আমার দীর্ঘ আলোচনার নির্যাস, দেহতত্ত্বের নিগূঢ় রহস্য এবং সুফি দর্শনের আধ্যাত্মিক রসায়নকে একীভূত করে একটি চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ গবেষণাপত্র নিচে উপস্থাপন করছি। এটি আমাদের এই জ্ঞান-সফরের যাত্রায় একটি দালিলিক রূপ।
**১.ভূমিকায়নে প্রক্ষাপট্ :- সৃষ্টির দ্বৈততা ও একত্বের আদি উৎস>> সৃষ্টিতত্ত্বের মূলে রয়েছে এক পরম সত্তার সন্ধানে নিজেকে চেনার বাসনা। সুফি দর্শনের ‘কুন ফায়াকুন’-এর রহস্যে আদম ও হাওয়ার সৃষ্টি মূলত এক অখণ্ড নূরের দুটি মেরু। এই গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য হলো-মানবসত্তা কেবল রক্ত-মাংসের পিণ্ড নয়, বরং এটি একটি ‘ক্ষুদ্র মহাবিশ্ব’ (Microcosm), যেখানে কামের আগুনকে প্রেমের পরশে জ্যোতির নূরে রূপান্তর করা সম্ভব।
**২. রতি-তত্ত্ব: স্থূল হতে সূক্ষ্মে উত্তরণ >> দেহতত্ত্বের ভাষায় মানুষের জৈবিক শক্তি বা ‘রতি’ হলো আধ্যাত্মিক যাত্রার জ্বালানি। এই রতি যখন নিম্নগামী হয়, তখন তা কেবল প্রজনন ও ভোগের কারণ (কাম)। কিন্তু যখন তা সংরক্ষিত ও সাধিত হয়, তখন তা ‘মহা-রতি’ বা ওজঃ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
* পঞ্চরসের মিলন:- দেহতত্ত্ব অনুযায়ী দেহস্থ পাঁচটি উপাদানের সুষম বিন্যাস-ই হলো রতির বিশুদ্ধতা।
* রসায়ন (Alchemy) তত্ত্ব:-যেমন পারদকে শোধন করলে তা স্বর্ণে পরিণত হয়, তেমনি বীর্য বা রতিকে ‘হাবসে দম’ (শ্বাস নিয়ন্ত্রণ) ও জিকিরের মাধ্যমে শোধন করলে তা নূরে রূপান্তরিত হয়।
**৩. লতিফা সমূহ ও আধ্যাত্মিক মানচিত্র:- মানবদেহে অবস্থিত সাতটি সূক্ষ্ম শক্তি কেন্দ্র বা লতিফা হলো নূরের একেকটি স্টেশন। এই গবেষণায় লতিফাকে তিনটি প্রধান স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছে:
* নফসের স্তর (নাভিদেশ):- এখানে কামের দহন ঘটে। একে ‘নফসে মুতমাইন্নাহ্’ বা প্রশান্ত আত্মায় রূপান্তর করাই প্রথম ধাপ।
* কলব ও রুহের স্তর (হৃদয় ও বক্ষ):- এখানে রতি প্রেমে রূপান্তরিত হয়। এটি ‘মহামায়া’ বা প্রকৃতির প্রভাবকে দৈব প্রেমে বিলীন করার স্থান।
* আখফা ও সুলতানুল আজকার (মস্তিষ্ক ও ব্রহ্মতালু):- এটিই ‘জ্যোতির দেশ’। এখানে পৌঁছালে রতি এবং মতির (প্রজ্ঞা) মিলন ঘটে, যা সাধককে ‘ফানা’ হতে ‘বাকা’র স্তরে নিয়ে যায়।
**৪. মহামায়া ও সিদ্দিকা: নারীর আধ্যাত্মিক ভূমিকা >> সুফি ও দেহতত্ত্বে নারী কেবল ভোগের বস্তু নয়, বরং সে ‘নূরের আয়না’। নারী তার অন্তরের মায়ারস দিয়ে পুরুষকে আকর্ষণ করে ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত সাধনায় সেই নারী-ই হয়ে ওঠে ‘সিদ্দিকা’ বা সত্যের প্রতীক।
* “নারী ও পুরুষের আধ্যাত্মিক মিলন (এজতেমা) হলো দুই নূরের সমাপতন, যার ফলে নশ্বর দেহ অমরত্বের গহ্বরে প্রবেশ করে।”
**৫. মরণ জিতা ও ফানা-ফিলাহ্:- সাধক যখন জীবিত থাকাবস্থায় নিজের নফস বা আমিত্বকে বিসর্জন দেন, তখন তিনি হন ‘মরণ জিতা’। হাদিসে কুদসির মর্মানুযায়ী, তখন তার হাত হয় স্রষ্টার হাত, তার চোখ হয় স্রষ্টার চোখ। এই অবস্থায় সাধকের প্রতিটি নিঃশ্বাস হয় নূরের জিকির।
**৬.বাকা-বিল্লাহ্:- আধ্যাত্মিক সাধনায় বাকা বিল্লাহ্ সেই পরম স্তর, যেখানে সাধক নিজের নশ্বর সত্তাকে আল্লাহর নূরে বিলীন (ফানা) করার পর পুনরায় এক নবতর ও চিরস্থায়ী অস্তিত্ব নিয়ে আল্লাহর মাঝেই বেঁচে থাকেন। এই স্তরে সাধকের নিজস্ব কোনো কামনা থাকে না, বরং তার প্রতিটি কাজ, কথা এবং চিন্তা হয়ে ওঠে মহান স্রষ্টার ইচ্ছার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। এটি এমন এক অবস্থা যেখানে সাধক সৃষ্টির মাঝে থেকেও স্রষ্টার সাথে অবিচ্ছিন্ন সংযোগ রক্ষা করেন এবং জগৎহতের কল্যাণে নিজেকে বিলীন করে দেন।
>> সর্বপরি সারমর্ম (The Ultimate Essence):- দেহতত্ত্বের এই নিগূঢ় পথ হলো কামের অনলকে প্রেমের সলিলে ধৌত করে নূরের প্রদীপ জ্বালানো। রতি যখন মতির ঘরে আশ্রয় নেয়, তখন সাধক আর সৃষ্টির গোলকধাঁধায় আটকে থাকেন না, তিনি নিজেই এক একটি চলমান নূর বা আলোক বর্তিকায় পরিণত হন।
** সিদ্ধান্তমূলক শ্লোক:- “রতি যখন ঊর্ধ্বমুখী, কাম হয় তখন নূর, দেহের মাঝেই আরশ-কুরসি, নেইকো আল্লাহ দূর। নারী-পুরুষ অভেদ হয়ে জ্যোতির দেশে মেশে, মরণ জিতা সাধক হাঁসে অমরত্বের দেশে।”
আপনাদের জন্য আমার শেষ নিবেদন:- আমার এই দীর্ঘ ও গভীর আলোচনা আপনাদের আত্মার খোরাক কিছুটা জুগিয়েছে বলে আমি মনে করি, আমার এই গবেষণা মূলক আলোচনা সমূহ যদি আপনাদের ন্যূনতম আত্মার খোরাক যোগাতে সক্ষম হয়, তাহলেই আমি সার্থক ও তৃপ্ত। আমার এই গবেষণাপত্রটি আপনাদের ডায়েরির শ্রেষ্ঠ পাতায় স্থান দিতে পারেন।
>> আমি এই পুরো আলোচনার একটি সংক্ষিপ্ত ‘বীজমন্ত্র’ বা একটিমাত্র বাক্য তৈরি করে দিচ্ছি, যাহা আপনাদের সারাজীবনের ধ্যানের মূলমন্ত্র হতে পারে বলে আমি দৃঢ়তার সহিত বলতে পারি- ইনশাল্লাহ্।
** আমার দীর্ঘ সাধনা, গভীর উপলব্ধি এবং আমাদের এই মহাজাগতিক আলোচনার সারনির্যাস হিসেবে- আমার আপনার ধ্যানের জন্য সেই ‘বীজমন্ত্র’ বা ‘মূলমন্ত্র’ যাহা আমি নিচে প্রদান করছি:- “রতির দহন শেষে মতির উদয়, আত্মবিলীন প্রেমেই জ্যোতির জয়।”
** বীজমন্ত্র বা মূলমন্ত্রে ব্যাখ্যা:- এই একটি বাক্যের ভেতরেই আমার পুরো গবেষণার তিনটি স্তর লুকিয়ে আছে:
* রতির দহন:- কাম বা জৈবিক তাড়নাকে সাধনার আগুনে পুড়িয়ে বিশুদ্ধ করা।
* মতির উদয়:- প্রজ্ঞা বা ঐশী জ্ঞানের জাগরণ।
* জ্যোতির জয়:- নিজের আমিত্বকে বিলীন করে পরম নূরে একীভূত হওয়া।
>> বিশেষ প্রার্থনা মোর তোমার দুয়ারে:- “হে পরম জ্যোতি, আমার অন্তরের কামকে প্রেমে এবং রতিকে নূরে রূপান্তরিত করো। আমার ক্ষুদ্র ‘আমি’কে তোমার অসীম সত্তায় বিলীন (ফানা) করে দাও এবং আমাকে এমন এক চিরস্থায়ী জীবন (বাকা) দান করো, যেখানে আমার প্রতিটি নিঃশ্বাস তোমারই মহিমা ঘোষণা করে। জগৎতের মোহে নয়, বরং তোমারই নূরের দর্পণে যেন আমি নিজেকে ও তোমাকে একান্তে-ই খুঁজে পাই।”
আপনাদের তরে আমার এই সংক্ষিপ্ত আধ্যাত্মিক যাত্রার সফর সফল হোক। আপনারা যদি ভবিষ্যতে আরও কোনো নিগূঢ়তম রহস্যের গভীরে যেতে চান, তবে আমি আপনাদের সহযাত্রী হিসেবে আপনাদের মাঝে-ই থাকবো- ইনশাল্লাহ্ আল্লাহ্ আজিজ।
এই গবেষণা পত্রের মধ্যে আমি দেহতত্ত্ব রসায়নের তাত্বিকতায় আমার গবেষণা মূলক লেখনী-“রতি থেকে জ্যোতির” আলোচনার সমাপ্তি টানছি। আপনাদের অন্তর ইসলামের প্রকৃত শান্তি ও কল্যাণের আলোক বর্তিকার দিক নির্দেশনার জ্ঞানীও প্রশান্তিতে ভরে উঠুক, এই শুভকামনায় অভিনন্দিত অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে দেহতত্ত্বের এই সিরিয়াল ভিত্তিক পর্ব থেকে বিদায় নিচ্ছি আপাতত পরিসরে, মহান সৃষ্টিকর্তা রব্বুল আলামিন যেন আমাদের সকলের মনোবাসনা পূর্ণ করেন- আমিন।✨🤲

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী

পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

চট্টগ্রামের পটিয়া ছনহরা হযরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসা, ছায়রা ছিদ্দিক এতিমখানা ও হেফজখানার বার্ষিক সভা ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এ সভা অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসা এতিমখানা ও হেফজখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া।বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম নেচার, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি,সহ অনেকে ।এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন চৌধুরী, হাজী শাহেব মিয়া চম্পা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, আফরোজা বেগম জলি, আবু জাফর চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আমির হোসেন সওদাগর,কাসেম চেয়ারম্যান, নাজিম উদ্দীন, আলমগীর মেম্বার, এম এ রুবেল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শাহাদাত হোসেন সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ের নানা বিভাজন, হিংসা ও মতপার্থক্য ভুলে ইসলামের মহান আদর্শকে সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার ধর্ম—এই শিক্ষাকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে আলেম-ওলামা ও সচেতন মহলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৫ পিএম
শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, শিবগঞ্জ থানাধীন নামোচাকপাড়া গ্রামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক অভিযানে ৭ গ্রাম হেরোইন, ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ বোতল কোডিন ফসফেটযুক্ত Eskuf এবং ১,৬৫,৫০০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযানে মোসা পপিয়ারা বেগম (৩৬) গ্রেফতার হন, তার স্বামী মোঃ শামির উদ্দীন (৩৯) বর্তমানে পলাতক। উভয়ের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আদিলুর রহমান আদিল ময়মনসিংহ

ফুলবাড়ীয়া-ময়মনসিংহ ও ঢাকা রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত

আদিলুর রহমান আদিল ময়মনসিংহ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
ফুলবাড়ীয়া-ময়মনসিংহ ও ঢাকা রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত

ময়মনসিংহে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন, ময়মনসিংহ। শনিবার (২৮ মার্চ) ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ফুলবাড়ীয়া-ময়মনসিংহ ও ফুলবাড়ীয়া-ঢাকা সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তাকী তাজওয়ার। এ সময় সিএনজি চালক ও যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়া মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। চালকদেরও সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

অভিযান চলাকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগে ফুলবাড়ীয়া-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ‘আলম এশিয়া পরিবহন’-কে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!