শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

বিশ্বের সবচেয়ে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশ রাশিয়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৮ এএম | 73 বার পড়া হয়েছে
বিশ্বের সবচেয়ে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশ রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ব্যাংকিং, তেল-গ্যাস, প্রযুক্তি, আমদানি-রপ্তানি—সবই টার্গেট।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এত কিছুর পরও রাশিয়ার অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। কেন? চলুন সহজভাবে দেখি ⬇️
🔹 ১️⃣ তেল ও গ্যাসই মূল শক্তি
রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ও গ্যাস উৎপাদক। ইউরোপ কমালেও চীন, ভারত, তুরস্কসহ এশিয়ার দেশগুলো রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে—কম দামে হলেও বিপুল পরিমাণে। এতে বৈদেশিক আয়ের ধারা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
🔹 ২️⃣ বিকল্প বাজার ও ‘বন্ধু রাষ্ট্র’
পশ্চিমা বাজার বন্ধ হলে রাশিয়া ঝুঁকেছে গ্লোবাল সাউথের দিকে—চীন, ভারত, ইরান, মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে। বাণিজ্যের পথ বদলেছে, কিন্তু থামেনি।
🔹 ৩️⃣ ডলার ছাড়া লেনদেন 💱
নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়া ডলার-ইউরোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউয়ান, রুবল ও দ্বিপাক্ষিক মুদ্রায় বাণিজ্য বাড়ায়। নিজস্ব পেমেন্ট সিস্টেম (SPFS) ব্যবহার করে ব্যাংকিং চালু রাখে।
🔹 ৪️⃣ রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শক্ত অর্থনীতি
রাশিয়ার অর্থনীতি অনেকটাই রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত। সংকটে সরকার সরাসরি শিল্প, ব্যাংক ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখতে পারে—যা মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে কঠিন।
🔹 ৫️⃣ সামরিক ও যুদ্ধভিত্তিক উৎপাদন 🏭
যুদ্ধকালীন অর্থনীতিতে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন বেড়েছে। এতে শিল্পচক্র সচল এবং কর্মসংস্থান বজায় আছে।
🔹 ৬️⃣ স্বনির্ভরতা নীতি
নিষেধাজ্ঞার ফলে আমদানি কমে যাওয়ায় রাশিয়া কৃষি, খাদ্য ও ভোক্তা পণ্যে দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বাধ্য হয়েছে—যা দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরতা কমাচ্ছে।
⚠️ তবে চ্যালেঞ্জ নেই এমন নয়
দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তির ঘাটতি, বিনিয়োগ হ্রাস, মুদ্রাস্ফীতি ও জনগণের জীবনমানের চাপ রাশিয়ার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে আছে।
🧠 উপসংহার
রাশিয়ার অর্থনীতি এখনো টিকে আছে মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, বিকল্প জোট, রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রণ ও যুদ্ধকালীন কৌশলের কারণে। তবে এই টিকে থাকা কতটা টেকসই—তা নির্ভর করবে যুদ্ধ ও বৈশ্বিক রাজনীতির ভবিষ্যতের ওপর।

পীরগঞ্জে দুই মাদক ব্যবহারকারী কারাদন্ড

মো. আরফান আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
পীরগঞ্জে দুই মাদক ব্যবহারকারী কারাদন্ড

ঠাকূরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জগথা গ্রামের হঠাৎ পাড়া রেললাইন সংলগ্ন দুই মাদক ব্যবহারকারীকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার( ভূমি) এন এম ইশফাকুল কবীর ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দোষী সাবস্ত করে। দোষী ব্যক্তিগণ হলো ক. দুখু মিয়া( ২৯), পিতা- এন্তাজুল ইসলাম, খ. পয়গাম (৩৩) পিতা- মমির উদ্দীন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার ( ভূমি) এর কার্যালয়ে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। উভয়কে দুই মাস কারাদণ্ড ও একশত টাকা করে অর্থ জরিমানা করা হয়েছে।

ঝালকাঠিতে গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম
ঝালকাঠিতে গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

ঝালকাঠির কিফাইতনগর এলাকায় গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে আলিফ (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আলিফ ঢাকার উত্তরার হাউস বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা সেলিম হাওলাদারের ছেলে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে প্রায় পাঁচ দিন আগে আলিফ তার নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে। শনিবার দুপুরে সে তার ছোট ভাই আলফিন ও খালাতো ভাই টুকটুককে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের গাবখান নদীতে গোসল করতে নামে। তবে আলিফ সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে নদীর স্রোতে পড়ে ডুবে যেতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দোকানদার ইনুচ জানান, আলিফকে ডুবে যেতে দেখে তিনি দ্রুত পানিতে ঝাঁপ দেন এবং খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। পরে স্থানীয় লোকজনও বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান চালিয়েও কোনো সন্ধান পাননি।

খবর পেয়ে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে বরিশাল থেকে একটি ডুবুরি দল এসে অভিযানে যোগ দেয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ কিশোরের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মাহবুব হোসেন জানান, “নিখোঁজের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছি। বরিশাল থেকে ডুবুরি দল এসে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং নিখোঁজ আলিফকে উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
মোবাইল ০১৭৪৭-৯৮৬৩৫৮ /০১৭৫৬-৫৫৫৩২১
তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬।

রাজাপুরে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসে বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
রাজাপুরে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসে বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। তবে এই সুযোগে কিছু পরিবহন সংস্থার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠির রাজাপুরে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার সকাল থেকে ঝালকাঠির রাজাপুর বাইপাস এলাকার বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে দেখা যায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপকে পুঁজি করে একাধিক পরিবহন সংস্থা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা জানান, যমুনা লাইন, ইসলাম পরিবহন, জে.বি পরিবহন, বরিশাল এক্সপ্রেস, বলেশ্বর ও ইমাদসহ বেশ কিছু পরিবহনের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে গিয়ে তাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় প্রতি টিকিটে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।

যাত্রীদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় প্রতিবছরই ঈদকে কেন্দ্র করে এই ধরনের অনিয়ম বাড়ছে। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

বাসের সুপারভাইজার বলছেন, ঢাকা থেকে গাড়ি খালি নিয়ে আসতে হয় এতে জ্বালানি তেল খরচ বিভিন্ন সেতুর টোল ভাড়া দিতে হয় যার কারণে কিছুটা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে।

মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
মোবাইল ০১৭৪৭-৯৮৬৩৫৮ /০১৭৫৬-৫৫৫৩২১
তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬।

error: Content is protected !!