শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২

ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে আনার সময়সীমা বললেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম | 60 বার পড়া হয়েছে
ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে আনার সময়সীমা বললেন ট্রাম্প

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধ আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে গুটিয়ে আসতে পারে। তবে যুদ্ধের এই সময়সীমা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেও স্থলসেনা মোতায়েনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এখনো নীরবতা বজায় রেখেছে হোয়াইট হাউস।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে ফেরার পথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্ট করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, মার্কিন অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতাও পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এর মেয়াদ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি। কত দিন ধরে লড়াই চলবে, কোন কোন ফ্রন্টে যুদ্ধ হবে কিংবা কোন লক্ষ্য অর্জিত হলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে ‘বিজয়ী’ ঘোষণা করবে, তা নিয়ে হোয়াইট হাউস বরাবরই ধোঁয়াশা বজায় রেখেছিল। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের দেওয়া ‘৪ থেকে ৬ সপ্তাহ’ সময়সীমাটিকে প্রশাসনের নতুন অবস্থান হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক সাফল্যের খতিয়ান দিলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন। ইরান ভূখণ্ডে মার্কিন স্থলসেনা মোতায়েন করা হবে কি না, তা নিয়ে সারা বিশ্বে জল্পনা চললেও ট্রাম্পের পোস্টে এ বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্থল যুদ্ধ শুরু হলে সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী এবং রক্তক্ষয়ী হতে পারে, যা এড়াতে চাচ্ছে ওয়াশিংটন।

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় পরিণত হয় এক উষ্ণ, আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্তে।

১৪ স্বজন হারিয়ে তিন পরিবারে ঈদের দিনেও সুনসান নীরবতা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৭ পিএম
১৪ স্বজন হারিয়ে তিন পরিবারে ঈদের দিনেও সুনসান নীরবতা

বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাস-মাইক্রো বাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৪ জনের প্রাণ হারানোর ঘটনায় তাঁদের পরিবারে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। দুর্ঘটনার শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্বজনহারা পরিবার তিনটি। এখনো শোকের ছায়া ও স্বজনদের শূন্যতায় বিবর্ণ বেঁচে থাকা মানুষগুলো। বিগত ঈদগুলোতে নানা আয়োজন থাকলেও, এবারের ঈদে কোনো আয়োজন নেই এসব পরিবারে। এমনকি প্রতিবেশীদের মাঝেও রয়েছে দীর্ঘদিনের আপনজনকে হারানোর শূন্যতা।

মোংলা উপজেলা পরিষদের কাছে ছত্তার লেনের আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে গিয়ে দেখা যায় সুনসান নীরবতা। পুরোনো ইটের মলিন গেট। চারদিকে শোকের আবহ আর স্বজন হারানো হাহাকার। অথচ প্রতিবছর ঈদের সময় শিশু-কিশোর ও আত্মীয়স্বজনদের পদচারণা উৎসব-আনন্দের মুখরিত থাকত বাড়িটি। এবার ঈদে কোনো আনন্দ নেই।

রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মোংলার আব্দুর রজ্জাকসহ তাঁর পরিবারের ৯ সদস্য প্রাণ হারান এক সপ্তাহ পার হয়েছে। তবে স্বাভাবিক হতে পারেনি তাঁদের স্বজনেরা। একসঙ্গে এতজন স্বজনের মৃত্যুতে ঈদের কোনো আয়োজনই নেই তাঁদের। এখনো কবর স্থান ও শোকাহত স্বজনদের সান্ত্বনা দিয়ে কাটছে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী, তিন সন্তান, বাবাসহ ১৩ স্বজনকে হারানো আশরাফুল ইসলাম জনির।

আশরাফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘আমার কি আর ঈদ আছে? এক দুর্ঘটনা আমার সব শেষ করে দিয়েছে। বাবা, ভাই, স্ত্রী, তিন ছেলে-মেয়ে, বোন, বোনের ছেলে, ভাইয়ের নতুন বউ সবই হারিয়েছি। এখন শুধু আমার মা আর দুটো ভাই বেঁচে আছে। আমাদের আর ঈদ নেই। কখনো মাকে সান্ত্বনা, আবার কখনো কবর জিয়ারত–এভাবেই আমার দিন কাটছে।’

শুধু এই পরিবার নয়, আশপাশের মানুষেরও ঈদের আনন্দ মেলান হয়েছে এই শোকে। দীর্ঘদিনের সহযাত্রীদের হারিয়ে শূন্যতা তৈরি হয়েছে প্রতিবেশী ও স্বজনদের মাঝে।

বাগেরহাট দুর্ঘটনা: নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্নবাগেরহাট দুর্ঘটনা: নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্ন
মো. গনি সরদার নামের এক প্রতিবেশী বলেন, ‘মামা (আব্দুর রাজ্জাক) প্রতিবছর এলাকার মানুষকে ঈদের আগে খাবার দিতেন, কাপড় দিতেন। গ্রামের অনেক মানুষের জন্য টাকা পাঠাতেন। আর এই সময় পুরো বাড়ি ভরা লোকজন থাকত। আজ কেউ নেই, সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের দেখার মতো কেউ নেই।’

রুমিচা বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘সেই দুর্ঘটনার পর থেকে এই বাড়ির মানুষের খাওয়া, গোসল কিছুই ঠিক নেই। তাঁরা কিসের ঈদ করবে। আমাদেরই ঈদের কোনো প্রস্তুতি নেই। এতগুলো লোক মারা গেল, আমরা কীভাবে ভালো থাকি বলেন।’

রবিউল নামের এক যুবক বলেন, ‘আব্দুর রাজ্জাক কাকা ও তাঁর ছেলেদের সঙ্গে এক সঙ্গে তারাবি ও ঈদের নামাজ পড়েছি দীর্ঘদিন। আর এবার ঈদ ঠিকই এসেছে, কিন্তু তাঁরা বেঁচে নেই। কেমন জানি একটা শূন্যতা অনুভব হয় মনের মধ্যে।’

এদিকে স্বামীর রুহের মাগফিরাত কামনায় মোংলা উপজেলার কুমারখালি শিকারি মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাইক্রো বাসচালক নাইমের স্ত্রী কবিতা আক্তার। একমাত্র মেয়ে ও শাশুড়িকে নিয়ে অথই সাগরে পড়েছেন তিনি। সবশেষ বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নাইম তাঁকে বলেছিলেন, ভাড়া থেকে এসে মেয়ে ও পরিবারের জন্য ঈদের পোশাক কিনবেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানো এই পরিবারেও নেই ঈদ উৎসব।

জ্বালানি সংকটে বিশ্ব

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম
জ্বালানি সংকটে বিশ্ব

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের অনেক আগে থেকেই এর প্রস্তুতি নিচ্ছিল চীন। ২০২১ সালে দেশটির একটি বৃহত্তম তেলখনি পরিদর্শনের সময় প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বলেছিলেন, চীনকে তার জ্বালানি সরবরাহ ‘নিজের হাতেই’ সুরক্ষিত রাখতে হবে। আজ যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যকে স্থবির করে দিয়েছে, তখন সি চিনপিংয়ের এক দূরদর্শী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সুফল পাচ্ছে বেইজিং।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো এখন হামলার মুখে। শিপিং অ্যানালিস্ট প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি ৬১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে এশিয়ার দেশগুলো বড় ধরনের সংকটে পড়েছে, কারণ ২০২৫ সালে তাদের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ৫৯ শতাংশই আসত এই অঞ্চল থেকে। জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো এখন জ্বালানি সাশ্রয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও চীন বর্তমানে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের গবেষক মিশেল মেইডান বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থায় শক্তিশালী ‘বাফার’ বা সুরক্ষা কবচ রয়েছে চীনের। আর সেটা হলো, তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বিশাল মজুত।

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, চীন প্রায় ১৪০ কোটি ব্যারেল তেলের এক বিশাল মজুতের ওপর বসে আছে।

চীন সাধারণত তার প্রয়োজনীয় তেলের অর্ধেক মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। যদিও এটি একটি বড় অংশ, তবুও জাপানের মতো দেশগুলোর তুলনায় চীনের ঝুঁকি অনেক কম। কারণ জাপান তাদের তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।

আপাতত তাইওয়ান দখলের চিন্তা নেই চীনের: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নআপাতত তাইওয়ান দখলের চিন্তা নেই চীনের: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন
এদিকে, যুদ্ধ চললেও চীনকে তেল সরবরাহ বন্ধ করেনি ইরান। কেপলার-এর তথ্যমতে, ইরান থেকে চীনের তেল আমদানি খুব সামান্যই কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন ১৫ দশমিক ৭ লাখ ব্যারেল তেল এলেও মার্চে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৭ লাখ ব্যারেলে। এ ছাড়া চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো বিকল্প পথে তেল সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে চীনের একটি সুপারট্যাঙ্কার সৌদি আরবের তেল নিতে লোহিত সাগরের একটি বন্দরে গেছে এবং এপ্রিলে তা চীনে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে চীন গত কয়েক বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মতে, চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সম্মিলিত বিক্রির চেয়েও বেশি ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি বিক্রি করে।

এনার্জি থিংক ট্যাংক এম্বার-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীনের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৩১ শতাংশই এসেছে বায়ু, সৌর এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। এ ছাড়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বেইজিং তার দেশীয় শোধনাগারগুলোকে তেল রপ্তানি বন্ধের নির্দেশ দিয়ে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

তবে সংকট যদি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসে গড়ায়, তাহলে পরিস্থিতি চীনের জন্যও বেদনাদায়ক হতে পারে।

অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের গবেষক মেইডান সতর্ক করে বলেছেন, চীনের কৌশলগত তেল মজুত (এসপিআর) অবমুক্ত করার প্রক্রিয়াটি এখন পর্যন্ত মাত্র একবার পরীক্ষা করা হয়েছে। যদি দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয় এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়, তবেই বেইজিং এই মজুত ব্যবহারের পথে হাঁটবে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলো, যারা মূলত ইরানের তেলের ওপর নির্ভরশীল। যদিও তারা এখন রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে, তবুও শিল্প ও রাসায়নিক খাতে ব্যবহৃত এলএনজির উচ্চমূল্য বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সি চিনপিংয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী জ্বালানি নিরাপত্তা পুরোপুরি চীনের হাতে না থাকলেও, এই মহাবিপদে তারা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপকতা দেখাতে সক্ষম হচ্ছে।

দ্য গার্ডিয়ান থেকে সংক্ষেপে অনূদিত

error: Content is protected !!