শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

পাঞ্জাব কেন ১৯৪৭ সালে বিভক্ত হয়েছিল?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৯ এএম | 71 বার পড়া হয়েছে
পাঞ্জাব কেন ১৯৪৭ সালে বিভক্ত হয়েছিল?

১৯৪৭ সাল—দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোর একটি। ব্রিটিশ শাসনের অবসানের সঙ্গে সঙ্গে জন্ম নেয় দুটি রাষ্ট্র—ভারত 🇮🇳 ও পাকিস্তান 🇵🇰। আর এই বিভাজনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগে ঐতিহাসিক ও সমৃদ্ধ অঞ্চল পাঞ্জাবে।
🔹 ধর্মীয় বাস্তবতা
পাঞ্জাব ছিল ধর্মীয়ভাবে বৈচিত্র্যময় অঞ্চল—
মুসলিম সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি
হিন্দু ও শিখদের উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক
দেশভাগের সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকা যাবে পাকিস্তানে, আর হিন্দু-শিখ অধ্যুষিত এলাকা থাকবে ভারতে।
🔹 র‍্যাডক্লিফ লাইন
ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ মাত্র কয়েক সপ্তাহে একটি সীমান্তরেখা টেনে দেন—যা আজ র‍্যাডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। এই রেখাই চিরতরে ভাগ করে দেয় পাঞ্জাবকে—
👉 পশ্চিম পাঞ্জাব → পাকিস্তান
👉 পূর্ব পাঞ্জাব → ভারত
🔹 রাজনীতি ও ক্ষমতার হিসাব
কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও ব্রিটিশ প্রশাসনের রাজনৈতিক সমঝোতা (বা অসহযোগিতা) পাঞ্জাব বিভক্তিকে অনিবার্য করে তোলে। কারো মতামতই পুরোপুরি উপেক্ষিত হয়নি, আবার পুরোপুরি শোনা হয়নি।
🔹 রক্ত, অশ্রু ও উদ্বাস্তু জীবন
পাঞ্জাব বিভাজনের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক ছিল সাম্প্রদায়িক সহিংসতা 🔥
প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়
নিহত হয় প্রায় ১০–১৫ লাখ মানুষ
ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, শতাব্দীর সহাবস্থান ভেঙে পড়ে মুহূর্তে।
🕯️ পাঞ্জাব বিভক্ত হয়েছিল শুধু ভূগোলের কারণে নয়—বিভক্ত হয়েছিল মানুষের হৃদয়ও।
এই ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ধর্ম বা রাজনীতির নামে বিভাজনের মূল্য কত ভয়াবহ হতে পারে।

পীরগঞ্জে দুই মাদক ব্যবহারকারী কারাদন্ড

মো. আরফান আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
পীরগঞ্জে দুই মাদক ব্যবহারকারী কারাদন্ড

ঠাকূরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জগথা গ্রামের হঠাৎ পাড়া রেললাইন সংলগ্ন দুই মাদক ব্যবহারকারীকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার( ভূমি) এন এম ইশফাকুল কবীর ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দোষী সাবস্ত করে। দোষী ব্যক্তিগণ হলো ক. দুখু মিয়া( ২৯), পিতা- এন্তাজুল ইসলাম, খ. পয়গাম (৩৩) পিতা- মমির উদ্দীন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার ( ভূমি) এর কার্যালয়ে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। উভয়কে দুই মাস কারাদণ্ড ও একশত টাকা করে অর্থ জরিমানা করা হয়েছে।

ঝালকাঠিতে গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম
ঝালকাঠিতে গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

ঝালকাঠির কিফাইতনগর এলাকায় গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে আলিফ (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আলিফ ঢাকার উত্তরার হাউস বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা সেলিম হাওলাদারের ছেলে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে প্রায় পাঁচ দিন আগে আলিফ তার নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে। শনিবার দুপুরে সে তার ছোট ভাই আলফিন ও খালাতো ভাই টুকটুককে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের গাবখান নদীতে গোসল করতে নামে। তবে আলিফ সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে নদীর স্রোতে পড়ে ডুবে যেতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দোকানদার ইনুচ জানান, আলিফকে ডুবে যেতে দেখে তিনি দ্রুত পানিতে ঝাঁপ দেন এবং খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। পরে স্থানীয় লোকজনও বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান চালিয়েও কোনো সন্ধান পাননি।

খবর পেয়ে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে বরিশাল থেকে একটি ডুবুরি দল এসে অভিযানে যোগ দেয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ কিশোরের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মাহবুব হোসেন জানান, “নিখোঁজের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছি। বরিশাল থেকে ডুবুরি দল এসে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং নিখোঁজ আলিফকে উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
মোবাইল ০১৭৪৭-৯৮৬৩৫৮ /০১৭৫৬-৫৫৫৩২১
তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬।

রাজাপুরে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসে বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
রাজাপুরে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসে বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। তবে এই সুযোগে কিছু পরিবহন সংস্থার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠির রাজাপুরে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার সকাল থেকে ঝালকাঠির রাজাপুর বাইপাস এলাকার বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে দেখা যায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপকে পুঁজি করে একাধিক পরিবহন সংস্থা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা জানান, যমুনা লাইন, ইসলাম পরিবহন, জে.বি পরিবহন, বরিশাল এক্সপ্রেস, বলেশ্বর ও ইমাদসহ বেশ কিছু পরিবহনের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে গিয়ে তাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় প্রতি টিকিটে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।

যাত্রীদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় প্রতিবছরই ঈদকে কেন্দ্র করে এই ধরনের অনিয়ম বাড়ছে। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

বাসের সুপারভাইজার বলছেন, ঢাকা থেকে গাড়ি খালি নিয়ে আসতে হয় এতে জ্বালানি তেল খরচ বিভিন্ন সেতুর টোল ভাড়া দিতে হয় যার কারণে কিছুটা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে।

মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
মোবাইল ০১৭৪৭-৯৮৬৩৫৮ /০১৭৫৬-৫৫৫৩২১
তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬।

error: Content is protected !!