বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২

কোচিং-বাণিজ্যের ছায়ায় অস্তমিত শৈশব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৩ পিএম | 197 বার পড়া হয়েছে
কোচিং-বাণিজ্যের ছায়ায় অস্তমিত শৈশব

শিশুমনকে রঙিন স্বপ্নে ভরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষাব্যবস্থা আজ বাণিজ্যের নিগড়ে আবদ্ধ। শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় নীতিমালার ঊর্ধ্বে থেকে গড়ে উঠেছে স্বেচ্ছাচারীর মতো। ভোরের আলো ফোটার আগেই শুরু হওয়া শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম মাত্র দুই-আড়াই ঘন্টায় সমাপ্ত হয়, আর তখনই শুরু হয় একটি অদৃশ্য ও নিষ্ঠুর শিক্ষাব্যবস্থার নতুন অধ্যায়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্তির পর শিশুরা বিভাজিত হয় দুটি ধারায়। কেউবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দিকে ধাবিত হয়, আবার কেউবা ফিরে যায় সেই একই প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেট বা কোচিং সেন্টারে। সারাদিনব্যাপী এই শিক্ষার নামে বাণিজ্যের চক্রে আবদ্ধ হয় কোমলমতি শিশুরা। এখানেই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য বিকৃত হয়ে যায় মুনাফার নগ্ন তাণ্ডবে। বিস্ময়ের বিষয় হলো, কিন্ডারগার্টেনে পড়ালেখা করানোর পরও শিশুদেরকে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হয়। অভিভাবকদের অসচেতনতা আর শিক্ষকদের অর্থোপার্জনের ব্যাকুলতা শিশুদেরকে করে তোলে কোচিং-নির্ভর। এভাবেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আড়ালে গড়ে উঠেছে একটি অদৃশ্য শিক্ষা শিল্প।

এই ব্যবস্থায় শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক বেতন নামমাত্র-পনেরো শত থেকে দুই হাজার পাঁচ শত টাকা। কিন্তু এই সংখ্যাগুলো আসলে প্রতারণামাত্র। বাস্তবে এই শিক্ষকরা প্রাইভেট ও কোচিংয়ের মাধ্যমে অর্থোপার্জন করেন, যা তাদেরকে সমাজে প্রভাবশালী অবস্থানে নিয়ে যায়। শিশুদের প্রতি এই দায়িত্বহীনতার বিনিময়ে গড়ে উঠছে একটি বিকৃত শিক্ষাসংস্কৃতি। প্রতিষ্ঠান মালিকদের একচ্ছত্র আধিপত্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাই নিয়ন্ত্রিত। শিক্ষকের পদোন্নতি, চাকরির স্থায়িত্ব সবই প্রতিষ্ঠান মালিকের ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভরশীল। শিক্ষার এই বাণিজ্যিকীকরণ শিশুদের শৈশবকে করছে নিষ্পেষিত, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যকে করছে ধ্বংস। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে এই লোভের ব্যবস্থাকে রুখতে হবে। প্রয়োজন শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনা এবং শিশুদের শৈশবকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জাতীয় সচেতনতা গড়ে তোলা।

আনন্দপুর, মুন্সিরহাট ও সদর ইউনিয়নে জামায়াতের উদ্যোগ

ফুলগাজীতে ঘরে বসেই আয়ের স্বপ্ন দেখছেন সুবিধাবঞ্চিত নারীরা

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম
ফুলগাজীতে ঘরে বসেই আয়ের স্বপ্ন দেখছেন সুবিধাবঞ্চিত নারীরা

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। উপজেলার আনন্দপুর, মুন্সিরহাট ও সদর ইউনিয়নে আয়োজিত এই উদ্যোগে উপকারভোগী নারীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব বিভাগের পরিচালক ও বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবুল হোসেন মিয়াজি, আনন্দপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, দরবারপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাস্টার জাহিদুর ইসলাম (এমএসসি), মুন্সিরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের স্বনির্ভর করে তোলাই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তুলতে সেলাই মেশিন একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে তারা উল্লেখ করেন।
তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে অনেক নারী ঘরে বসেই সেলাই কাজের মাধ্যমে আয় করছেন। এই সেলাই মেশিনগুলো তাদের জন্য শুধু একটি যন্ত্র নয়, বরং এটি স্বপ্ন পূরণের একটি হাতিয়ার। এর মাধ্যমে তারা পরিবারে আর্থিক সহায়তা দিতে পারবেন এবং নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হবেন।
সেলাই মেশিন পেয়ে উপকারভোগী নারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এতদিন আয়ের কোনো নির্দিষ্ট উৎস না থাকায় পরিবার চালাতে কষ্ট হতো। এখন তারা নিজেরাই কিছু করতে পারবেন—এই আত্মবিশ্বাস তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঈদযাত্রায় থমকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ৩০ কিমি যানজটে নাকাল যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা 

খন্দকার আউয়াল ভাসানী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ২:০৯ পিএম
ঈদযাত্রায় থমকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ৩০ কিমি যানজটে নাকাল যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা 

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 39;

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে এই স্থবিরতা তৈরি হয়।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাত থেকেই যমুনা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে টাঙ্গাইলের করাতিপাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে দেড় ঘণ্টায় পথ পাড়ি দেওয়ার কথা, সেখানে এখন সময় লাগছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। বিশেষ করে চন্দ্রা পার হওয়ার পর থেকেই যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। থেমে থেমে চলার কারণে অনেক যাত্রীর টাঙ্গাইল পৌঁছাতে ৮ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের পাশাপাশি কয়েকটি গাড়ি সড়কে বিকল হয়ে পড়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে এবং দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঈদ সামনে রেখে এই দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই যাত্রীদের বিকল্প সময় ও পরিকল্পনা নিয়ে যাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঝালকাঠি শাখার উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ রোডস্থ সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ সম্পাদক রুবেল খানের সঞ্চালনায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার ঝালকাঠি প্রতিনিধি রেজাউল করিম, ‘ঢাকার সময়’ ও ‘চ্যানেল এস স্যাভেন’-এর স্টাফ রিপোর্টার শংকর দাস পবন, সাংবাদিক বাবুল মিনা,মাহাবুবুর রহমান, কামরুজ্জামান সুইটসহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির সার্বিক অগ্রগতি, মানুষের সুখ-শান্তি এবং পেশাজীবী সাংবাদিকদের কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

error: Content is protected !!