বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:১০ পিএম | 12 বার পড়া হয়েছে
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা জোরালো ভাবে চল্লেও বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা নওমুসলিমরা পিছিয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। বুধবার ১৮ মে ২০২৬ তারিখ খাগড়াছড়ি জেলা রামগড়ে নওমুসলিমদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, খ্রিস্টান মিশনারি এগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মাঝে দান/অনুদান প্রদান করে এবং লোভ-লালসা দেখিয়ে পাহাড়ের সহজসরল মানুষদের ধর্মান্তিত করাচ্ছে। যেন দীর্ঘ মেয়াদি সময়ে অত্র অঞ্চলপ একটি স্বাধীন খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠন করা যায়। খ্রিস্টান মিশনারি গুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসী সশস্ত্র সংগঠন গুলো কে দিয়ে নওমুসলিম, স্থানীয় মুসলিম এবং স্থানীয় বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মানুষকে অত্র অঞ্চল থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের করণীয় কী? আর কীভাবে ইসলাম ও মুসলিম এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের এই মারাত্মক চক্রান্তের মুকাবিলা করা যাবে? কি ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমদের তাদের জুলুম ও নির্যাতন থেকে রক্ষা করা যাবে তা সরকার এবং সচেতন নাগরিকদের ঠিক করতে হবে। নিশ্চয় এ দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বড়, আর তা সকল মুসলিমের উপর সমভাবে আবর্তিত। এককভাবে হোক কিংবা সংঘবদ্ধভাবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে হোক কিংবা গোষ্ঠীগতভাবে। দেশের প্রতিটি মুসলিম ও দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর উপরই এ দায়িত্ব পতিত। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি মুসলিম, বৌদ্ধ ও সনাতনী সম্প্রদায়ের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই খ্রিস্টান মিশনারি গুলোর বিষাক্ত টার্গেটের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ, নওমুসলিম সহ সকল মুসলমান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মানুষকে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করবেন।

সভাপতি বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দিনটি আমাদের মুসলিম ভাইদের জন্য বড়ই আনন্দের এবং খুশির দিন। পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমরা দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করায় এবং ভিন্ন ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার কারণে নিজ জাতিগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম অর্থনৈতিক ও খাদ্য সংকটের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছে। রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হতদরিদ্রের জন্য সহযোগিতা প্রদান করা হলেও পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামো উপজাতিদের হাতে থাকায় নওমুসলিমগণ সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নওমুসলিমদের প্রতি সাহার্যের হাত বাড়িয়ে দিতে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন তিনি। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নওমুসলিমদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে বরাবরের মতো এবারও ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে নওমুসলিম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হক, আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রবিউল ইসলাম লাদেন, মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া,শিক্ষাবিদ মরিয়ম বেগম, নওমুসলিম কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সম্পাদক মোঃ জুয়েল হোসেন, প্রমুখ।

‎ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চাউল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, নুডুলস, চিনি, লাচ্চা সেমাই, বাংলা সেমাই, নারিকেল, বাদাম, দুধ সহ ১৩ ধরনের খাদ্য সামগ্রী।

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঝালকাঠি শাখার উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ রোডস্থ সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ সম্পাদক রুবেল খানের সঞ্চালনায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার ঝালকাঠি প্রতিনিধি রেজাউল করিম, ‘ঢাকার সময়’ ও ‘চ্যানেল এস স্যাভেন’-এর স্টাফ রিপোর্টার শংকর দাস পবন, সাংবাদিক বাবুল মিনা,মাহাবুবুর রহমান, কামরুজ্জামান সুইটসহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির সার্বিক অগ্রগতি, মানুষের সুখ-শান্তি এবং পেশাজীবী সাংবাদিকদের কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

ঈদের ছুটিতে চালু থাকবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
ঈদের ছুটিতে চালু থাকবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটিতেও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ২৪ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন চালু থাকবে। ১৬ মার্চ জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সহায়তায় ১০ মার্চ থেকে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের প্রবাসী কল সেন্টারে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এখানে তিন শিফটে মোট ২০ জন কর্মকর্তা ও ২৪ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবাসীরা জরুরি প্রয়োজনে দেশের ভেতর থেকে টোল-ফ্রি ১৬১৩৫ নম্বরে এবং বিদেশ থেকে ‍+৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবেন ওয়েজ আর্নারস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া। আর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিদেশে শ্রমকল্যাণ উইংগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং প্রাপ্ত তথ্য নিয়মিতভাবে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ আনতে কাজ করছে সরকার

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ আনতে কাজ করছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজনের মরদেহ ইতিমধ্যেই দেশে আনা হয়েছে। অন্য চারজনের মরদেহও দেশে আনার জন্য কাজ করছে সরকার।’ এ ছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

আজ বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের ঈদ উপহার বিতরণী আয়োজনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় তেল, গ্যাস ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যে সংকটের কথা ছিল, তা কিন্তু নেই। তেল বা খাদ্য সামগ্রীর দাম কিন্তু বাড়েনি। প্রধানমন্ত্রী সব বিষয়ে খোঁজ রাখছেন এবং সকল বিষয়ে সমাধান করছেন। এ ছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা যারা কষ্টের মধ্যে রয়েছেন, তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতেও কাজ করছে সরকার। সেই সঙ্গে তারা যাতে সেখানে নিরাপদে থাকতে পারেন, সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

ঈদে রাজধানী থেকে মানুষ যাতে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরতে পারে, তার সকল ব্যবস্থা সরকার নিয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই মানুষ ঘরে ফিরছে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীরা খোঁজ খবর রাখছেন, সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করছেন। আমরা আশা করছি সকলে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরে তাদের পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারবে।

এর আগে জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে সহস্রাধিক অসহায় মানুষের হাতে শাড়ি-কাপড় তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

error: Content is protected !!