বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২

ঈদযাত্রায় থমকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ৩০ কিমি যানজটে নাকাল যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা 

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ২:০৯ পিএম | 43 বার পড়া হয়েছে
ঈদযাত্রায় থমকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ৩০ কিমি যানজটে নাকাল যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা 

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 39;

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে এই স্থবিরতা তৈরি হয়।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাত থেকেই যমুনা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে টাঙ্গাইলের করাতিপাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে দেড় ঘণ্টায় পথ পাড়ি দেওয়ার কথা, সেখানে এখন সময় লাগছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। বিশেষ করে চন্দ্রা পার হওয়ার পর থেকেই যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। থেমে থেমে চলার কারণে অনেক যাত্রীর টাঙ্গাইল পৌঁছাতে ৮ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের পাশাপাশি কয়েকটি গাড়ি সড়কে বিকল হয়ে পড়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে এবং দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঈদ সামনে রেখে এই দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই যাত্রীদের বিকল্প সময় ও পরিকল্পনা নিয়ে যাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
নোয়াখালীতে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে ঠাকুর চাঁন (২৮) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার বাবা জনারদনসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন ছোট ফেনী নদীর খালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ঠাকুর চাঁন উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ার জনারদনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগ রাতে ছোট ফেনী নদীর খালে জনারদন ছেলে ঠাকুর চাঁনসহ তিনজনকে নিয়ে মাছ ধরতে যান । এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তারা গুরুতরভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করলে ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়। বর্তমানে রবিউল হোসেন আশঙ্কামুক্ত থাকলেও নিহতের বাবা জনারদনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার সময় নদী ও খোলা স্থানে না যাওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এতে আরও দুইজন আহত হয়।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের ইন্তেকাল

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম
চবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের(চবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য ও জনসংযোগ শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ আসর তাঁর গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়ার ইছামতিকুলে উজির আলী চৌধুরী মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে।
অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফ ২০১১ সালের ১৪ জুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান এবং ১৫ জুন ২০১১ থেকে ১৪ জুন ২০১৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ২০০১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ২০২১ সালে ইসলামিক ব্যাংকস কনসালটেটিভ ফোরাম (আইবিসিএফ)-এর নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের এমবিএ প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।
১৯৫১ সালের ১ মে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়ার ইছামতিকুলে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন পুত্রসন্তানের জনক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী জান্নাতুন্নেছা গৃহিণী।
দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে তাঁর অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এ.এস.এম হামিদ হাসান 

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদের ১৯৯তম জামাতের মাঠ প্রস্তুত: থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা

এ.এস.এম হামিদ হাসান  প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদের ১৯৯তম জামাতের মাঠ প্রস্তুত: থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা

দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ-এ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম ঈদ জামাত আজ অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এ ঈদগাহে সকাল ১০টায় জামাত শুরু হবে।

এবারের ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ এবং বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা যোবায়ের ইবনে আব্দুল হাই। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের জায়নামাজ ও মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কোনো সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ঈদগাহ মাঠের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যের পরিবেশে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তিনি মুসল্লিদের সময়মতো উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার ড.এস.এম.ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদগাহ এলাকায় ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার, চারটি ড্রোন ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন এবং পুরো এলাকা থাকবে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে।

মুসল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব ও ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

জনশ্রুতি রয়েছে, ইয়েমেন থেকে আগত ইসলামী সাধক হযরত শাহ সৈয়দ সফি আহমেদ ১৮২৮ সালে প্রথম শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে ইমামতি করেন। তাঁর প্রভাবে সে সময় প্রায় সোয়ালাখ মুসল্লির সমাগম ঘটে। সেই ‘সোয়ালাখ’ শব্দ থেকেই শোলাকিয়া’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানা যায়।

error: Content is protected !!