শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

১৪ দলের শরিকদের বিরুদ্ধে ট্র্যাইব্যুনালে অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৩৭ পিএম | 134 বার পড়া হয়েছে
১৪ দলের শরিকদের বিরুদ্ধে ট্র্যাইব্যুনালে অভিযোগ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলের সরাসরি হুকুমদাতা হিসেবে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের শরিকদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে বিচার চাওয়া হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

ববি হাজ্জাজের উপস্থিতিতে এ সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর এডভোকেট তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম ও প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গণহত্যার সরাসরি হুকুমদাতা আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের শরিক রাজনৈতিক দল- সাম্যবাদী দল, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, জাসদ (ইনু), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মেনন), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, তরিকত ফেডারেশন, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, বাসদ ও জাতীয় পার্টি-জেপির বিরুদ্ধে দল হিসেবে গণহত্যার অভিযোগ গঠন করে তদন্ত পূর্বক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।

গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে দেশ থেকে গত ৫ আগস্ট পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিগত সংসদ ভেঙে দেয়া হয়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে শপথ নেয় নতুন অন্তর্বতীকালীন সরকার।

আন্দোলনে বিগত সরকারের নির্দেশে পরিচালিত হত্যা গণহত্যা ও মারাত্মকভাবে জখমের শিকার ঘটনার বিচারের দাবিতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও ভিকটিমদের পক্ষে অভিযোগ আনা হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৯ এএম
দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজ বৃহস্পতিবার ২৯ শে রমজান স্থানীয় উপজেলা মোড় খান ফার্মেসীতে দিঘলিয়া উপজেলার এস এস সি ৯৩ ব্যাচের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের আহবায়ক শেখ শামীমুল ইসলাম এবং পরিচালনা করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম শেখ, উপস্থিত ছিল উপজেলা ব্যাচ ৯৩ এর উপদেষ্টা আলী রিয়াজ কচি,ব্যাংকার বন্ধু মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ রবিউল ইসলাম মোড়ল,মোল্লা সালাউদ্দিন, মোঃ ররি, মোঃ মিজানুর রহমান, মোল্লা হাবিবুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ করির,মোঃ আমান,মোঃ কওসার হোসেন বিদ্যুৎ, খান শহীদ, মোঃ কুদ্দুস মোল্লা, মোঃ জিয়াউর রহমান, এ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মিলন শেখ, আহাদ গাজী, আরো অনেকে, ইফতার মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করে বন্ধু খান শহীদ প্রমুখ,মাগরিবের নামাজের শেষে আবারও উক্ত স্থানে ৯৩ বন্ধুদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিনে রোজ সোমবার ২৩ শে মার্চ স্থানীয় দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে ঈদ পূর্ণ মিলনীর আয়োজন করা হবে, ঈদ পূর্ণ মিলনিতে সকল ৯৩ বন্ধুরা তাদের পরিবারের সকল সদস্য কে নিয়ে বিকাল ৫ ঘটিকায় বিদ্যালয়ের মাঠ উপস্থিত হবে এবং ঈদ পূর্ণ মিলনী রাত ১০ টা পর্যন্ত একটানা চলবে বিভিন্ন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গান,আবৃত্তি, বল বিতরণ,ছোট নাটিকার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

মামুনুর রশীদ মামুন: ময়মনসিংহ জেলা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ এএম
ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জেলার সকল পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। ঈদুল ফিতর আনন্দ,শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাসের সংযম ও আত্মশুদ্ধির পর এই পবিত্র উৎসব আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করে। এই উপলক্ষে তিনি সকলের সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বলেন,জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় নিয়োজিত। ঈদের সময় যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে,সে জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। যানজট নিয়ন্ত্রণ,গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল বৃদ্ধি এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন,শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করে,তবে একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জেলা পুলিশের সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসাথে তাদের পরিবারসহ সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
সবশেষে,তিনি ময়মনসিংহবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—“ঈদ মোবারক। সবার জীবন সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।”

জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞানের প্রকার ভেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ এএম
জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞান দুই প্রকারঃ- আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের নামই অর্পিত জ্ঞান ও অর্জিত জ্ঞান বলা হয় বই , খাতা কলম শিক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে যেই

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি কুলের সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হিসেবে সৃষ্টি করেন
এবং জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি মানুষের ভেতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। একে জাগ্রত করাই প্রত্যেক সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের। সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের।

মোঃ তালাত মাহামুদ
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকা”

error: Content is protected !!