বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

ভোজ্যতেল ও ডিমের মূল্যে সুখবর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৫২ এএম | 86 বার পড়া হয়েছে
ভোজ্যতেল ও ডিমের মূল্যে সুখবর

ভোজ্যতেল ও ডিমে সুখবর দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আমদানিতে ভোজ্যতেলে পাঁচ শতাংশ ও ডিমে ২০ শতাংশ শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, “সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কাজ করছে। দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনতে বিশেষ করে ডিমের দামের ঊর্ধগতি ঠেকাতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমদানি প্রক্রিয়াতে ডিমের শুল্ক ৩৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ কমিয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোজ্যতেলে পাঁচ শতাংশ শুল্ক কমানো হয়েছে এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক বৈঠকে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী নেতারা ভোজ্য তেল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক পাঁচ শতাংশ এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে আরোপিত সমুদয় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতির প্রস্তাব করেন।

এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সভায় উপস্থিত কয়েকজন আড়তদার ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যেটি বাস্তবায়ন করতে পারলে ভোক্তা পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ডিম বিক্রি সম্ভব।

শাকসবজি, মাছসহ ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ায় ডিমের বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়া ও দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে ডিমের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। যা সামাল দিতে সরকার সাড়ে ৪ কোটি পিস ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তবে সেই ডিম এখনো দেশে এসে পৌঁছায়নি।

ব্যবসায়ীদের দাবি, অভিযানের নামে তাদের যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়। কারণ, উৎপাদন পর্যায় থেকে বেশি দামে কিনলে আড়তদার কখনো কম মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন না। সেই সঙ্গে সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, তাও বাস্তবসম্মত নয়।

ব্যবসায়ীরা জানান, এ অবস্থায় ভোক্তা অধিদপ্তর ‘আপাতত’ সরকার নির্ধারিত মূল্যে ডিম বিক্রি নিয়ে ব্যবসায়ীদের চাপ প্রয়োগ করবে না বলে সভায় জানিয়েছে। একইসঙ্গে করপোরেট কোম্পানিগুলো ঢাকায় যাতে ডিমের সরবরাহ বাড়ায় সে বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছে।

ডিম উৎপাদনকারীরা জানান, সরকার চাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের বাদ দিয়ে কীভাবে সরাসরি ঢাকায় ডিমের সরবরাহ করা যায়। এজন্য বড় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!