বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম পণ্যের জট কমছেনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ পিএম | 6 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম পণ্যের জট কমছেনা

প্রতি মাসে গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ কনটেইনার নিলামে তোলা হচ্ছে। এর বড় অংশ বিক্রি হলেও ডেলিভারি না নেওয়ায় অনেক লট পুনরায় নিলামে তুলতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ নিলামে পণ্য বিক্রিতে সাড়া মিললেও সর্বোচ্চ দরদাতার তালিকা অনুমোদনে দেরি এবং সময়মতো ডেলিভারি না নেওয়ায় নিলাম পণ্যের জট কমছে না। এতে বারবার নিলাম আয়োজন করতে হচ্ছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় কাঙ্ক্ষিত গতিতে কমছে না নিলামযোগ্য কনটেইনারের চাপ।

নিলাম নীতিমালা ও বাস্তবতাঃ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী প্রথম নিলামে পণ্যের ভিত্তিমূল্যের ৬০ শতাংশ দরে বিক্রি বাধ্যতামূলক। এ দর না উঠলে একাধিকবার নিলাম দিতে হয়। তবে বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গত বছরের ১৪ মে বিশেষ আদেশ জারি করে এনবিআর। এতে প্রথম নিলামে ভিত্তিমূল্য ছাড়াই সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে পণ্য বিক্রির বিধান চালু হয়। এ সিদ্ধান্তে নিলামের গতি বাড়লেও সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি। অনলাইনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিডাররা অংশ নিলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিডার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি না নেওয়ায় জামানতের টাকা হারাচ্ছেন।

কাস্টমস কর্মকর্তার বক্তব্যঃ

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস-এর নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, “নিলাম সম্পন্ন করতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লেগে যায়। বিডাররা প্রথম নিলামেই পণ্য ডেলিভারি নিলে পুনরায় নিলাম দিতে হতো না। আবার দ্বিতীয় নিলামে প্রথম দামের সমপরিমাণ দর নাও উঠতে পারে—এ আশঙ্কাও রয়েছে।”

বিডারদের অভিযোগঃ

বিডারদের অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পণ্য সরাসরি দেখার সুযোগ না থাকায় অনুমানের ভিত্তিতে দর দিতে হয়। ফলে পরে পণ্য বুঝে নেওয়ার সময় প্রকৃত অবস্থা ভিন্ন হলে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হয়। পাশাপাশি অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতায় সময়ক্ষেপণ হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস নিলাম ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াকুব চৌধুরী বলেন, “সময়মতো পণ্য না পেলে লোকসান দ্বিগুণ হয়ে যায়। মাল আগে পেলে ক্ষতিটা অনেক কম হতো।”

পরিসংখ্যানঃ

কাস্টমস সূত্র জানায়, এনবিআরের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ কনটেইনার নিলামে তোলা হচ্ছে। এর বড় অংশ বিক্রি হলেও ডেলিভারি না নেওয়ায় অনেক লট পুনরায় নিলামে তুলতে হচ্ছে।
২০২৫ সালে নিলাম থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসে আয় দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। তবে এখনো বন্দরে নিলামের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ১০ হাজার কনটেইনার।

উপসংহারঃ

নীতিগত সংস্কার ও নিলামে গতি এলেও ডেলিভারি ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সমন্বয় না হলে চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম পণ্যের জট দ্রুত কমার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!