সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৫৪ পিএম | 115 বার পড়া হয়েছে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা বাড়ছে

অবশেষে বাড়ছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা। পুরুষের ৩৫ ও নারীদের হবে ৩৭ বছর। অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন সুপারিশ দিয়েছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পর্যালোচনা কমিটি।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি প্রায় একযুগের। এই ইস্যুতে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে রাজপথে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান, সাবেক সচিব আবদুল মুয়ীদ চৌধুরীকে প্রধান করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গঠন করা হয় পর্যালোচনা কমিটি। এক সপ্তাহ পর সরকারের কাছে সুপারিশ দিয়েছে তারা।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরির আবেদনে পুরুষের বয়স হবে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর, আর নারীদের ৩৭ বছর।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, পরীক্ষার ধরন ও কর্মসংস্থানের সুযোগের বিষয়টি আমলে নিয়েছে পর্যালোচনা কমিটি। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছরই সুপারিশ করেছে পর্যালোচনা কমিটি।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হলে ৩২ বছর।

সাতক্ষীরার নলেন গুড়ের সন্দেশ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
সাতক্ষীরার নলেন গুড়ের সন্দেশ

সাতক্ষীরার নলেন গুড়ের সন্দেশ — দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মিষ্টিপ্রেমীদের মন জয়! ✈️🌍
বাংলার শীত মানেই নলেন গুড়ের ঘ্রাণ… আর সেই ঘ্রাণকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিচ্ছে -এর বিখ্যাত । 🥰
এক সময় এই সুস্বাদু মিষ্টি শুধু স্থানীয় মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন আধুনিক প্যাকেজিং, অনলাইন অর্ডার ও প্রবাসী বাঙালিদের চাহিদার কারণে এটি পৌঁছে যাচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা দেশে। 🌎📦
🌾 শীতকালীন খেজুরের রস থেকে তৈরি নলেন গুড়ের অনন্য স্বাদ সন্দেশকে দিয়েছে এক বিশেষ পরিচিতি। এর মোলায়েম টেক্সচার, প্রাকৃতিক মিষ্টতা এবং ঐতিহ্যবাহী প্রস্তুত প্রণালী বিদেশিদের কাছেও তৈরি করছে নতুন কৌতূহল ও ভালোবাসা। ❤️
🍽️ অনেক মিষ্টান্নপ্রেমী বলছেন, “একবার নলেন গুড়ের সন্দেশ খেলে সেই স্বাদ ভোলা যায় না!”
এভাবেই গ্রামীণ ঐতিহ্য এখন হয়ে উঠছে বাংলাদেশের মিষ্টি শিল্পের গর্ব ও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। 🚪✨

ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন

ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন — যে মুসলিম বিজ্ঞানী প্রথম সত্যটি আবিষ্কার করেছিলেন!
বর্তমান সময়ে আমরা সবাই জানি হৃদপিন্ড কীভাবে কাজ করে। হৃদপিন্ড থেকে রক্ত ফুসফুসে যায়, সেখানে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং তারপর সেই অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে যায়।
কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন—এই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণার ভিত্তি প্রথম কে তৈরি করেছিলেন? 🤔
অনেকে হয়তো ভাববেন, নিশ্চয়ই কোনো ইউরোপীয় বিজ্ঞানী এই আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা।
🧠 মুসলিম চিকিৎসাবিদের অসাধারণ আবিষ্কার
ত্রয়োদশ শতাব্দীতে একজন মুসলিম চিকিৎসাবিদ প্রথমবারের মতো ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনের সঠিক ব্যাখ্যা দেন। তিনি হলেন
👉 Ibn al‑Nafis
তাঁর পূর্ণ নাম ছিল আলা-আল-দ্বীন আবু আল-হাসান আলি ইবনে আবি-হাযম আল-কারশি আল-দিমাস্কি।
তিনি তাঁর বিখ্যাত চিকিৎসাবিষয়ক গ্রন্থে লিখেছিলেন যে—
হৃদপিণ্ডের ডান দিক থেকে রক্ত সরাসরি বাম দিকে যায় না।
বরং রক্ত প্রথমে ফুসফুসে যায়, সেখানে বায়ুর সাথে মিশে বিশুদ্ধ হয়।
তারপর সেই রক্ত হৃদপিণ্ডের বাম অংশে ফিরে আসে।
আজ আমরা যাকে পালমোনারি সার্কুলেশন বলি, সেই ধারণাটিই তিনিই প্রথম সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। 🔬
📚 সময়ের অনেক আগের বিজ্ঞান
ইউরোপে যখন এই ধারণা জনপ্রিয় হয়, তখন প্রায় ৩০০ বছর পেরিয়ে গেছে। পরবর্তীতে
👉 William Harvey
১৭শ শতকে সম্পূর্ণ রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করেন।
কিন্তু ইতিহাসবিদরা স্বীকার করেন—ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনের ধারণা প্রথম পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন ইবনে আল-নাফিস।
🌍 ইসলামের স্বর্ণযুগের জ্ঞানচর্চা
এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে মধ্যযুগে মুসলিম বিশ্বের জ্ঞানচর্চা কতটা উন্নত ছিল। চিকিৎসা, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ নানা ক্ষেত্রে তারা মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
আজ আমরা যে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুবিধা পাচ্ছি, তার পেছনে রয়েছে সেইসব প্রাচীন বিজ্ঞানীদের অমূল্য অবদান।

ধ্বংসের আড়ালে লাভের সাম্রাজ্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
ধ্বংসের আড়ালে লাভের সাম্রাজ্য

যুদ্ধ মানেই ধ্বংস, মৃত্যু আর হাহাকার। 😔 কিন্তু ইতিহাস বলছে—এই ধ্বংসস্তূপের আড়ালেই তৈরি হয় এক ভিন্ন বাস্তবতা, যেখানে ফুলেফেঁপে ওঠে অস্ত্র ব্যবসার বিশাল সাম্রাজ্য।
বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যেমন , এবং — তাদের কাছে জমা থাকা অস্ত্রের অর্ডারের ব্যাকলগ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা অনেক দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)-কেও অনায়াসে ছাড়িয়ে যায়। 📈
একদিকে যখন আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের এর মধ্যকার উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত বিশ্ব রাজনীতিকে অস্থির করে তুলছে 🌍, ঠিক তখনই অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ছে দ্রুতগতিতে। বিনিয়োগকারীদের কাছে যুদ্ধ এখন যেন “লাভের সংকেত”! 💹
আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ আর শুধু ভূখণ্ড দখল বা মতাদর্শের সংঘর্ষ নয়—
👉 এটি পরিণত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম লাভজনক ব্যবসায়িক খাতে।

error: Content is protected !!