সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

নিপাহ-জলাতঙ্কের সমাধান খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৪ পিএম | 16 বার পড়া হয়েছে
নিপাহ-জলাতঙ্কের সমাধান খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

দিনে দিনে মশার উৎপাত বাড়ছে। বাড়ছে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের উপদ্রব। অন্যদিকে এবার বাংলাদেশ ও ভারতে বাদুড়বাহিত নিপাহ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সেই প্রকোপ মোকাবিলায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে বিধিনিষেধ আরোপ ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে বিজ্ঞানীরা ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার’ পথ খুঁজছেন। তাঁরা মশা ব্যবহার করে বাদুড় থেকে নিপাহ ভাইরাসসহ প্রাণঘাতী বিভিন্ন ভাইরাস ছড়ানো বন্ধের চেষ্টা করছেন। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী নেচার-এর অনলাইনে এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে। চীনের একদল গবেষক গবেষণাটি করছেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে এমন কিছু বিশেষ মশার জন্ম দিয়েছেন, যারা কামড়ে বাদুড়ের শরীরে জলাতঙ্ক ও নিপাহ ভাইরাসের প্রতিষেধক পৌঁছে দেবে। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে এই ভাইরাসগুলোর সংক্রমণ ঠেকানো। তবে বন্য পরিবেশে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে যথেষ্ট সংশয়ও রয়েছে।

বাদুড় প্রাকৃতিকভাবেই অনেক বিপজ্জনক ভাইরাসের বাহক। এশিয়ার দেশগুলোয় নিপাহ ভাইরাস একটি আতঙ্কের নাম। বাদুড় থেকে ছড়ানো এই রোগে আক্রান্তদের প্রায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত মারা যেতে পারে। অন্যদিকে, জলাতঙ্ক বা র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যু প্রায় শতভাগ নিশ্চিত। তাই এই দুই ভাইরাসের উৎস বাদুড়কে রোগমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

মজার ব্যাপার হলো, বাদুড় নিজে এসব ভাইরাসে অসুস্থ হয় না। তবে তাদের শরীর থেকে ভাইরাস অন্য প্রাণী বা মানুষের শরীরে ঢুকলে তা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। বাদুড় যেহেতু ফল ও ফলের রস খায়, কাজেই আপাতত সহজ সমাধান হিসেবে বিশেষজ্ঞরা খেজুরের কাঁচা রস পান না করার পরামর্শ দেন। ফলও ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

গবেষকেরা বলছেন, নিপাহ ও জলাতঙ্কের ভাইরাস ঠেকানোর আরেকটি উপায় হতে পারে বাদুড়কে টিকা দেওয়া। কিন্তু বাদুড় গুহাবাসী। থাকেও দলবদ্ধভাবে। লাখ লাখ বাদুড়কে টিকা দেওয়া অসম্ভব। এই সমস্যা সমাধানে মশাকে ব্যবহারের সুযোগ খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষণার অংশ হিসেবে চীনা গবেষকদল ‘এডিস ইজিপ্টি’ মশাকে এমন রক্ত পান করিয়েছেন, যাতে নিপাহ কিংবা জলাতঙ্ক ভাইরাসের টিকা মেশানো ছিল। রক্তপানের পর মশার লালাগ্রন্থিতে পৌঁছায় সেই টিকা। এরপর মশাগুলো বাদুড়কে কামড়ালে কিংবা বাদুড় সেই মশাকে খেয়ে ফেললে তাদের শরীরে টিকা পৌঁছে যায়। গবেষণাগারে দেখা গেছে, এই ‘টিকাবাহী’ মশার সংস্পর্শে আসা ইঁদুর ও বাদুড়ের শরীরে জলাতঙ্ক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

একইভাবে নিপাহ ভাইরাসের ক্ষেত্রেও ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। বেইজিংয়ের চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইরোলজিস্ট আইহুয়া জেং বলেন, বড় গবেষণাগারে বাদুড়ের ওপর পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তারপরও একই পর্যায়ের অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া বাদুড়েরা নিপাহ ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত ছিল।

কিন্তু গবেষণায় একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ফলখেকো বাদুড় বা ফ্রুট ব্যাটদের নিয়ে। কারণ, তারা মশা খায় না। তাদের জন্য বিজ্ঞানীরা টিকার মিশ্রণ মেশানো বিশেষ ‘স্যালাইন ড্রিঙ্কিং স্টেশন’ বা পানির পাত্র তৈরি করেছেন। এই পদ্ধতিতে টিকা গ্রহণেও বাদুড়ের শরীরে আশাব্যঞ্জক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দেখা গেছে।

এই অভাবনীয় কৌশল নিয়ে বিজ্ঞানীদের একাংশ বেশ চিন্তিত। ম্যালেরিয়া বিশেষজ্ঞ বার্ট নোলস মনে করেন, পানীয়র মাধ্যমে টিকা দেওয়া নিরাপদ হলেও মশা ব্যবহারের ঝুঁকি অনেক। তাঁর মতে, ‘মশা কাকে কামড়াবে তা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। এমনও হতে পারে যে টিকা নিতে অনিচ্ছুক কোনো মানুষের গায়েও সেই মশা বসে টিকা দিয়ে দিল!’

মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজিস্ট ড্যানিয়েল অ্যান্ডারসন বলেন, বন্য বাদুড়েরা আগে থেকেই নানা ভাইরাসে আক্রান্ত থাকে। গবেষণাগারে সুস্থ বাদুড়ের ওপর টিকা কাজ করলেও প্রাকৃতিকভাবে আক্রান্ত বাদুড়ের শরীরে তা কতটা কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট নয়। এ ছাড়া বাদুড়ের দেড় হাজারের বেশি প্রজাতি রয়েছে। তাই প্রতিটি প্রজাতির জন্য আলাদা কৌশলের প্রয়োজন হতে পারে।

গবেষক আইহুয়া জেং স্বীকার করেছেন, এখনই এই পদ্ধতি বন্য পরিবেশে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। বর্তমানে তারা পরীক্ষা করছেন কীভাবে গবাদিপশুর শরীরে বাদুড় থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যায়। সরকারি অনুমোদন এবং কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার পরই হয়তো কোনো একদিন মশার মাধ্যমে মহামারি রুখে দেওয়ার স্বপ্ন সত্যি হবে।

শাহরিয়ার ইসলাম, ঢাকা

শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তরুণ নিহত

শাহরিয়ার ইসলাম, ঢাকা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৯ এএম
শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তরুণ নিহত

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে রাকিব আহমেদ (২৫) নামের এক তরুণ মারা গেছেন। 

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শাহবাগ থানা-পুলিশ জানায়, রাত সোয়া নয়টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিব। এ সময় তিন-চারজন যুবক তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে এবং মাথায় গুলি করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিঠু ফকির বলেন, গুরুতর আহত রাকিবকে রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। পরে রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত রাকিবের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

রাকিব আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার চৌমুহনী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৈত্রী হলের একজন কর্মচারী। পরিবার নিয়ে রাজধানীর নিমতলী নাজিম উদ্দিন রোড এলাকায় থাকতেন। তিনি বোরহান উদ্দিন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রাকিবের বন্ধু আলামিন বলেন, রাতে বন্ধুরা মিলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে রাকিবকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত ও গুলি করে আহত করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

১৬–১৭ মার্চ

দক্ষিণ রাউজানে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (প্রতিনিধি) প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ পিএম
দক্ষিণ রাউজানে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির প্রাঙ্গণে গঙ্গা পূজা, মাতৃপূজা ও মহাতীর্থ বারুণী স্নান উপলক্ষে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞের ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মধুকৃষ্ণা এয়োদশী তিথিতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় আগামী ১৬ ও ১৭ মার্চ (সোম ও মঙ্গলবার) দুইদিনব্যাপী এ মহতী ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ১৬ মার্চ সোমবার বিকাল ৩টায় মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিবেশন করবে ‘টিম বৃষ্টি’। একইদিন মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, গঙ্গা আহ্বান এবং শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে। শুভ অধিবাস কীর্তন ও পৌরহিত্যের দায়িত্ব পালন করবেন হাটহাজারী শিকারপুর গৌরাঙ্গ বাড়ী সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ১০৮ স্বরূপ দাস বাবাজী মহারাজ।
পরদিন ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভারম্ভ, শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ, মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগারতি কীর্তন এবং দিবারাত্রি অন্নপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি।
দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শুভাষ কান্তি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু) জানান, মহোৎসবকে ঘিরে পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি দুলাল বৈদ্য, সহ-সভাপতি ধনা মালাকার, দোলন ঘোষ, সাগর সেন, সঞ্জিত বৈদ্য পিন্টু ও সুজিত দাশ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চন্দন বিশ্বাস; সহ-সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় মহাজন, পরিমল নাথ ও আশীষ দাশ; সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন ঘোষ (বাদশা), যিশু বৈদ্য ও অসীম চৌধুরী; অর্থ সম্পাদক সমীর চন্দ্র দে; সহ অর্থ সম্পাদক নারায়ণ মহাজন ও শিবু চক্রবর্তী; সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজন দাশ; সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুমন সেন; প্রচার সম্পাদক সজল দাশ; সহ প্রচার সম্পাদক মানস চৌধুরী; দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব মহাজন; সহ দপ্তর সম্পাদক যীতু চৌধুরী এবং সদস্য সুজন দে, অঞ্জন বিশ্বাস, কাজল চক্রবর্তী ও সুমন মালাকারসহ অন্যান্য সদস্যরা এ মহোৎসব আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মঠ-মন্দির ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের স্বস্তি

গাজীপুরে স্বল্পমূল্যে মুরগি, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি

দিশা আক্তারঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
গাজীপুরে স্বল্পমূল্যে মুরগি, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি

পবিত্র Ramadan উপলক্ষে গাজীপুরে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে Gazipur District Livestock Office। পহেলা রমজান থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন মুরগি, ডিম, গরুর মাংসসহ বিভিন্ন পণ্য কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ স্বল্প মূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে পারছেন, ফলে বাজারের বাড়তি দামের চাপ কিছুটা কমেছে। গাজীপুরের বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণত বেড়ে যায়। এ সময় জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এই উদ্যোগ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, “রমজান মাসে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। ভবিষ্যতেও প্রতিবছর এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য আমরা চেষ্টা করব।”
গাজীপুরবাসী আশা করছেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে এমন জনবান্ধব উদ্যোগ আগামী দিনেও চলমান থাকবে।

error: Content is protected !!