সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়, নামাজ পড়বেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১:১৯ পিএম | 58 বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়, নামাজ পড়বেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ঈদগাহে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এখানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি এখানে নামাজ পড়তে পাড়বেন। প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রধান জামাতটি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।

আজ সোমবার জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন। যেহেতু আবহাওয়া গরম, তাই কিছু অংশে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করব ঈদগাহে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত ফ্যান, লাইটের ব্যবস্থা থাকবে। সবার জন্য ওযুখানাসহ মেয়েদের জন্য আলাদা প্রবেশপথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে ঠিক করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। তবে বৃষ্টি হলে সময়ের পরিবর্তন হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, এ কারণে এখানকার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবার জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, এটা ঢাকার নাগরিকদের জন্য আনন্দের। নগরবাসী যাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ে জাতীয় ঈদগাহে আমন্ত্রণ জানাই। যাঁরা এখানে নামাজ আদায়ে আসবেন, তাঁরা নির্দেশনা মেনে নিরাপত্তায় ব্যাহত হয় —এমন কিছু সঙ্গে বহন করবেন না, ঈদগাহে প্রবেশের সময়।

জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক

কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

শহিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান

কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার আহ্বান জানিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে ১৫ মার্চ ২০২৬, র‌বিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন এর মাধ্যমে স্মারকলিপিটি প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব‍্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে- ইতিমধ্যে নতুন সেতুর প্রকল্পটি ২০২৪ সালে অক্টোবরে একনেক পাশ করেছে এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা গত বছর ২০২৫ সালের মে মাসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখনো এর কাজ দৃশ্যমান হয়নি। এতে চট্টগ্রামবাসী হতাশ হয়েছেন। বিগত সময়ে এ ব্যাপারে রেল ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ও কর্তৃপক্ষ বারবার ডিজাইন, পুন:ডিজাইন ইত্যাদি অজুহাতে বিভিন্নভাবে অবহেলা করে দাবীটির বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত করেছেন, সবশেষে এ কারণে প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম আশা করছে নতুন সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ অনতিবিলম্বে শুরু করবেন এবং ২০২৮-২৯ সালের মধ্যেই এই ৭০০ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ করতে সবরকম ব্যবস্থা করবেন। এই সাথে এই প্রকল্পটি নিয়ে অতীতের মতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি ও দীর্ঘসূত্রিকা যেন না হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে আর কাল বিলম্ব না করে কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার জন্য নাগরিক ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর একান্ত হস্তক্ষেপ, উদ্যোগ ও নির্দেশনা কামনা করেছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীর কমিশনার সেতুটির নির্মাণ নিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তিনি স্মারকলিপিটি জরুরি ভিত্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে ফোরামের মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, মিটুল দাশ গুপ্ত, আবু তাহের চৌধুরী,এম, মনছুর আলম, তসলিম খাঁ, শ.ম. জিয়াউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইমরান, মোঃ আক্তার, মিজানুর রহমান, রেকা চৌধুরী, মোহাম্মদ রানা, নুরুল হুদা, হারুনুর রশিদ, মো. রাকিব, ওয়াহিদুল হক, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জাহিদ সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সেতুটি নতুনভাবে নির্মাণের দাবীতে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এই দাবিকে একটি জনপ্রিয় জাতীয় দাবিতে পরিণত করেছে। বিগত সরকারের সময়ে কিছু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতা নাগরিক ফোরামের এ আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করলেও এটি থেমে থাকেনি।

দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল কমিটির সভাপতি বানালে আদালতে যাব: রাশেদা কে চৌধুরী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল কমিটির সভাপতি বানালে আদালতে যাব: রাশেদা কে চৌধুরী

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দলীয় ব্যক্তিকে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। এর ব্যত্যয় হলে আবার আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংলাপে মঞ্চে উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন রাশেদা কে চৌধুরী। আজ সোমবার রাজধানীর ৬ লেকশোর হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম নামে একটি সংগঠন এ সংলাপের আয়োজন করে।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘বলা হয়েছে যে এডুকেশন এজ অ্যা পলিটিক্যাল এজেন্ডা। অবশ্যই রাজনৈতিক এজেন্ডা তবে এটি যেন দলীয় এজেন্ডা না হয়। পার্টির এজেন্ডা না হয়। বিভিন্ন জায়গায় বলা হচ্ছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা কমানো হবে। আমরা তো সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ডরাই! সে জন্য বলছি সেখানে যেন রাজনৈতিক মনোনয়ন দেওয়া না হয়। আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০১৭ সালের হাইকোর্টের একটি রিটের একটি রুলিং আপিল বিভাগ আপহোল্ড করেছেন। আদালত বলেছেন, কোনো দলীয় কাউকে কোনো স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা যাবে না। আপনারা যদি দেন আমি আবার আদালতে গিয়ে রিট করব। শিক্ষাকে রাজনীতিকরণ করতে দেওয়া যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে কিন্তু শিক্ষাকে নাগরিক অধিকার হিসেব এখনো সংবিধানে স্বীকৃতি পায়নি। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে সংবিধান স্বীকৃত।’

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পরে এ বিষয়ে জবাব দেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের মাঝে বিষয়টি নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

টাঙ্গাইল (মির্জাপুর প্রতিনিধি)

মির্জাপুরে কোর্টের নির্দেশে ৫২ বছর পর ফেরত পেল জমি

টাঙ্গাইল (মির্জাপুর প্রতিনিধি) প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৮ পিএম
মির্জাপুরে কোর্টের নির্দেশে ৫২ বছর পর ফেরত পেল জমি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই ইউনিয়নের নাজির পাড়া এলাকায় ৫২ বছর পর আদালতের নির্দেশে ঢাক ঢোল পিটিয়ে জমির প্রকৃত মালিককে ১৩৫ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দিলেন আদালত।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আদালতের পক্ষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। জমির পরিমাপ করে উদ্ধার করা জমিতে লাল নিশানা টানিয়ে দেন।

জজ কোর্টের পক্ষে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে মির্জাপুর থানার পুলিশ ফোর্স ও অন্যান্য সবাইকে নিয়ে এই জমি ডিগ্রিপ্রাপ্ত বাদী নান্দু খান ও ইব্রাহিম খান কে তার পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত।

মামলার বাদী নান্দু খান ও ইব্রাহিম খান বলেন,৫২ বছর পর হলেও আমরা আমাদের জমি বুঝে পেয়ে খুবই আনন্দিত।

error: Content is protected !!