সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

মেহেদির ছিমছাম নকশায় ঈদ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২০ পিএম | 14 বার পড়া হয়েছে
মেহেদির ছিমছাম নকশায় ঈদ

উৎসবে নিজেকে সাজাতে মেয়েদের জন্য মেহেদি এক অনন্য অনুষঙ্গ। আগেকার দিনে ঈদে হাতভর্তি নকশায় মেহেদি লাগানোর চল থাকলেও এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চলে বদল এসেছে। এখনকার তরুণীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে মেহেদি লাগানোর চেয়ে ছিমছাম বা এককথায় সিম্পল নকশা বেশি পছন্দ করছেন। মেহেদির সৌন্দর্য কেবল তার গাঢ় রঙে নয়, বরং তার পরিচ্ছন্ন নকশায়।

মডেল: নাফিসা তাবাসসুম জুয়েনা, মেহেদি: শোভন মেকওভার। ছবি: হাসান রাজা
মডেল: নাফিসা তাবাসসুম জুয়েনা, মেহেদি: শোভন মেকওভার। ছবি: হাসান রাজা

শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা বলেন, ‘এবার খুব হালকা নকশার মেহেদি ট্রেন্ডে রয়েছে। হাতের তালুতে একটু ঘন নকশা হলেও হাতের ওপরের পিঠে হালকা নকশাতেই মন ভরছে তরুণীদের।’

■ যেসব নকশা ট্রেন্ডে রয়েছে এবার

» লেসি ফ্লোরাল ডিজাইন

  • ফুলের মোটিফের সঙ্গে লেসের মতো সূক্ষ্ম কারুকাজ এই নকশাকে অনন্য করে তোলে। যাঁরা হাতে একটু জালের মতো কাজ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি হবে দারুণ পছন্দ।

মডেল: নাফিসা তাবাসসুম জুয়েনা, মেহেদি: শোভন মেকওভার। ছবি: হাসান রাজা
মডেল: নাফিসা তাবাসসুম জুয়েনা, মেহেদি: শোভন মেকওভার। ছবি: হাসান রাজা

» সার্কেল ও ভাইন নকশা

  • হাতের তালুর মাঝখানে গোলাকার বৃত্ত বা ম্যান্ডালা এবং তার চারপাশে লতাপাতার নকশা। এই ঐতিহ্যবাহী ডিজাইনটি একদিকে যেমন সহজ, অন্যদিকে দেখতে চমৎকার।

» লোটাস বা পদ্ম মোটিফ

  • মেহেদির নকশায় পদ্ম ফুলের ব্যবহার এখন বেশ ট্রেন্ডি। হাতের তালুর মাঝখানে বা আঙুলের মাথায় ছোট ছোট পদ্মের নকশা হাতকে দেয় এক স্নিগ্ধ লুক।

» ঝরোকা স্টাইল

রাজস্থানি ঘরানার এই নকশায় হাতের ওপর জানালার মতো বা ঝরোকা প্যাটার্ন তৈরি করা হয়। আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে এই স্টাইলটির জুড়ি নেই।

» ফ্লোরাল মেজ

  • এই নকশায় পুরো হাতে জালের মতো করে ছোট ছোট ফুল ছিটিয়ে দেওয়া হয়। এটি দেখতে যেমন শৈল্পিক, তেমনই আধুনিক।

» মিনিমালিস্ট ব্রাইডাল লুক

  • এখন অনেক কনেও খুব ভারী নকশা এড়িয়ে চলেন। ঈদের পর যাঁদের বিয়ে, তাঁদের জন্য এটি সেরা। ছিমছাম কিন্তু বিয়ের সাজের সঙ্গে মানানসই এই নকশাগুলো বিশেষ দিনে আপনাকে দেবে এক মার্জিত রূপ।

» কো-অর্ডিনেটেড ডিজাইন

  • দুই হাতের নকশায় যখন একই ধরনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়, তাকে কো-অর্ডিনেটেড ডিজাইন বলে। দুই হাত এক করলে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ নকশা ফুটে ওঠে, তখন তা দেখতে দারুণ লাগে।

» লেসি-ব্যাক-হ্যান্ড ডিজাইন

  • হাতের উল্টো পিঠে কবজি থেকে আঙুল পর্যন্ত জালের মতো সূক্ষ্ম লেস ডিজাইন এখনকার তরুণীদের কাছে জনপ্রিয়। এটি হাত অনেক বেশি লম্বা ও সরু দেখাতে সাহায্য করে।

» গ্রেসফুল সিম্পল ডিজাইন

  • এটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু অভিজাত নকশা। খুব অল্প কিছু লতাপাতা এবং বিন্দুর ব্যবহারে হাতের তালুর একাংশ সাজানো হয়, যা দেখতে অত্যন্ত মার্জিত।

এ তো গেল মেহেদির ট্রেন্ডের কথা। এবার আসা যাক কী করে এই মেহেদির রং পাকা করবেন সে বিষয়ে।

শোভন সাহা জানান, মেহেদি লাগানোর আগের প্রস্তুতিতে মন দিতে হবে। প্রথমে হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে তেল ও ময়লা মুক্ত করে নিন। চিনি ও লেবুর রস দিয়ে হালকা স্ক্রাব করলে মৃত কোষ দূর হয় এবং রং দ্রুত বসে। এ ছাড়া ওয়াক্সিং বা পেডিকিউর-মেনিকিউরের মতো কাজগুলো অন্তত দুই দিন আগে সেরে ফেলুন, নতুবা মেহেদির রং দ্রুত ফিকে হয়ে যায়।

শোভন সাহা জানান, মেহেদির রং গাঢ় করার কিছু উপায় রয়েছে। সেগুলো সবাইকেই মেনে চলতে হবে। তাহলেই কাঙ্ক্ষিত রং পাওয়া যাবে। সেগুলো হলো,

■ দীর্ঘ সময় রাখা

মেহেদি যত বেশি সময় ত্বকের সংস্পর্শে থাকবে, রং তত গাঢ় হবে। অন্তত ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা মেহেদি হাতে রাখুন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে সকালে তুলে ফেলুন।

■ লেবু-চিনির মিশ্রণ

মেহেদি একটু শুকিয়ে এলে তুলা দিয়ে লেবুর রস ও চিনির মিশ্রণ আলতো করে লাগিয়ে নিন। এটি মেহেদিকে ত্বকের সঙ্গে আটকে রাখে এবং রং গাঢ় করে।

■ লবঙ্গের ভাপ

একটি প্যানে কয়েকটি লবঙ্গ গরম করুন। মেহেদি শুকিয়ে আসার পর সেই লবঙ্গের ধোঁয়ায় হাত কিছুক্ষণ ধরুন। লবঙ্গের ভাপ মেহেদির রংকে গাঢ় করতে দারুণ কার্যকর।

■ সরিষার তেল

মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার পর বাকি অংশ পানি দিয়ে না ধুয়ে হাত দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন। এরপর হাতে সরিষার তেল বা ভিক্স জাতীয় বাম ম্যাসাজ করুন। এটি তাপ উৎপন্ন করে রং স্থায়ী ও গাঢ় করে।

■ প্রাকৃতিক তেল

মেহেদি লাগানোর আগে হাতে ইউক্যালিপটাস তেল বা মেহেদি তেল লাগিয়ে নিলে রঙের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

■ চা-কফির লিকার

মেহেদি গোলানোর সময় সাধারণ পানির বদলে চায়ের গাঢ় লিকার বা কফি ব্যবহার করতে পারেন। এর ট্যানিন রং আরও গাঢ় করে।

■ বিট

প্রাকৃতিক লালচে আভা পেতে মেহেদিতে সামান্য বিটমূলের রস বা গুঁড়া মেশানো যায়।

■ চিনি মেশানো

মেহেদি মিশ্রণে সামান্য চিনি যোগ করলে তা ত্বকে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্রতা ধরে রাখে, যা রং ছড়াতে সাহায্য করে।

■ প্লাস্টিক বা ক্লিং র‍্যাপ

মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার ভয় থাকলে হাত পাতলা প্লাস্টিক বা ক্লিং র‍্যাপ দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে পারেন। এতে শরীরের তাপে রং গাঢ় হয়।

■ পানি থেকে দূরে থাকা

মেহেদি তোলার পর অন্তত ১২ ঘণ্টা হাতে পানি বা সাবান লাগাবেন না। পানি লাগালে অক্সিডেশন-প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

■ চুন বা লেবুর রস

মেহেদি তোলার পর হাতে সামান্য চুন বা লেবুর রস ঘষলে অনেক সময় রং দ্রুত গাঢ় হয়, তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এটি এড়িয়ে চলাই ভালো।

■ নারকেল তেল বা ভ্যাসলিন

পানি থেকে সুরক্ষা পেতে হাত থেকে মেহেদি তোলার পর হাতে নারকেল তেল বা ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এটি একটি লেয়ার তৈরি করে রং সুরক্ষিত রাখবে।

■ সতর্কতা

মেহেদির রং ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে আরও কিছু টিপস—

» হেয়ার ড্রায়ার এড়িয়ে চলুন: মেহেদি শুকাতে ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না।

» ব্লিচ ও শেভিং বন্ধ রাখুন: মেহেদি থাকা অবস্থায় ব্লিচ বা শেভিং করবেন না; এটি ত্বকের ওপরের স্তর তুলে রং নষ্ট করে দেয়।

» প্রাকৃতিক মেহেদি বেছে নিন: অ্যালার্জি এড়াতে ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত ‘কালো মেহেদি’ বাদ দিয়ে সব সময় প্রাকৃতিক মেহেদি ব্যবহার করুন।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীতে বিদেশী রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম
রাজশাহীতে বিদেশী রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশী রিভলবার ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৫)।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত ১২:৩৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৫-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি ইউএসএ (USA) তৈরি বিদেশী রিভলবার এবং ০৩ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থলে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে র‍্যাব জানিয়েছে, অস্ত্র ও গুলির মালিক বা এর সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৫-এর মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নির্মূলে র‍্যাব অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

চুয়াডাঙ্গা জেলায় অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। তাঁর বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


​আজ সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও অফিসার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, অফিসার্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী পুলিশ সুপারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন:

​আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: চুয়াডাঙ্গা জেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি মাদক নির্মূল, চোরাচালান রোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন।

​পেশাদারিত্ব: মাঠ পর্যায়ের পুলিশিং ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং পুলিশের সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

​মানবিক পুলিশিং: করোনাত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সামাজিক বিভিন্ন সংকটে তিনি সাধারণ মানুষের বন্ধু হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

​জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম কেবল একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাই নন, তিনি একজন অসাধারণ সমন্বয়ক। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের সাথে সুসমন্বয় বজায় রেখে তিনি জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যে অবদান রেখেছেন, চুয়াডাঙ্গাবাসী তা দীর্ঘকাল মনে রাখবে।”

​সংবর্ধনার জবাবে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সরকারি চাকুরির সূত্রে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে চুয়াডাঙ্গার মানুষের ভালোবাসা ও সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা আমি সারাজীবন মনে রাখব। দায়িত্ব পালনকালে আমি চেষ্টা করেছি ইনসাফ কায়েম করতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হতে। আমার কোনো ভুল-ত্রুটি হলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।”

​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অফিসার্স ক্লাব, চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপারকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

​পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বিদায়ের এই ক্ষণে সহকর্মীদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের নিয়োগ পেলেন এ কে এম ইরাদত মানু

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৮ পিএম
মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের নিয়োগ পেলেন এ কে এম ইরাদত মানু

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং মুন্সিগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ইরাদত মানু।

রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এ কে এম ইরাদত মানুকে।

সরকার মনে করছে, এই নিয়োগের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার নতুন প্রশাসকদের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

error: Content is protected !!