মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ইরানে হামলাকে সমর্থন জানাল পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:১০ পিএম | 17 বার পড়া হয়েছে
ইরানে হামলাকে সমর্থন জানাল পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন

পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয় একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলাকে সমর্থন জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং সম্ভাব্য সমর্থন পাওয়ার কৌশল হতে পারে।

রোববার (১৫ মার্চ) ‘নিক্কেই এশিয়া’ জানিয়েছে, বেলুচিস্তানভিত্তিক সংগঠন ‘ফ্রি বেলুচিস্তান মুভমেন্ট’ (এফবিএম) এক বিবৃতিতে ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপকে ‘সাহসী সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছে। সংগঠনটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও ‘কার্যকর, সমন্বিত ও ফলপ্রসূ’ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায়। তাদের মতে—এর মাধ্যমে মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

এফবিএম মূলত পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে সক্রিয় একটি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে এটি বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবি তুলে আসছে। সংগঠনটি তথাকথিত ‘গ্রেটার বেলুচিস্তান’ ধারণার পক্ষে—যার আওতায় পাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তানের কিছু অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এফবিএম-এর সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্ম (আজাদ) এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই সংগঠনটি ২০১৭ সালে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) থেকে বিভক্ত হয়ে গঠিত দুটি অংশের একটি। বিএলএ পাকিস্তান থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবিতে বিভিন্ন সময় নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি স্থাপনা ও চীনা অবকাঠামো প্রকল্পে হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যে এই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এফবিএম-এর বিবৃতি আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণের প্রচেষ্টা। ইসলামাবাদভিত্তিক থিংকট্যাংক সানোবার ইনস্টিটিউট-এর নির্বাহী পরিচালক কামার চিমা বলেন, ‘সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে চাইছে, তারা আঞ্চলিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক স্বীকৃতি ও সম্ভাব্য আর্থিক সহায়তা পাওয়ার প্রচেষ্টাও হতে পারে।’

অন্যদিকে স্বাধীন বিশ্লেষক কিয়া বালুচ মনে করেন, বিদেশি শক্তিগুলো রাজনৈতিক লবিং, আন্তর্জাতিক প্রচারণা কিংবা গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তার মতো বিভিন্ন উপায়ে সমর্থন দিতে পারে।

তবে পাকিস্তানের সব বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এই অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়। যেমন বেলুচ লিবারেশন ফ্রন্ট বা বিএলএ-এর আরেক অংশ বিএলএ-জুনায়েদ এখনো ইরান পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, মতভেদের মূল কারণ ভৌগোলিক লক্ষ্য। অনেক গোষ্ঠী শুধু পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্নতার দাবিতে সক্রিয় থাকলেও এফবিএম পাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তান জুড়ে বৃহত্তর বেলুচিস্তানের স্বপ্ন দেখে।

এদিকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা মহলে আশঙ্কা রয়েছে—ইরানের সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে যদি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে সীমান্তজুড়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠী, অপরাধচক্র ও পাচারকারীদের তৎপরতা বেড়ে যেতে পারে। এতে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকেরা।

 

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!