মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম | 9 বার পড়া হয়েছে
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

যমুনা সেতুতে গাড়ির চাপ, ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩ কোটি টাকার টোল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
যমুনা সেতুতে গাড়ির চাপ, ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩ কোটি টাকার টোল

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখী মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বেড়েছে যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ। ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ২৪ ঘণ্টায় (রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা) ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা। অপর দিকে উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ৭৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আগে থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই দুটি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন টোল আদায় করছে।

পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৮ পিএম
পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী পয়লা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী দিনে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করবেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন-সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ ১১ উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষককে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশুখাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।

টাঙ্গাইল ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হলো—পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।

বৈঠকসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণসুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।

বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত দক্ষিণ আফ্রিকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৫ পিএম
নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত দক্ষিণ আফ্রিকা

নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজটা তেমন একটা জমছে না। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে পরশু সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুই ইনিংস মিলে ২০০ রানও হয়নি। ভেন্যু বদলে আজ হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে লড়াই করার মতো রান তুলেছে ঠিকই। তবে প্রোটিয়ারা পাত্তাই পায়নি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ জিতলে সিরিজ জয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেত প্রোটিয়ারা। তবে হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে কিউইরা পেয়েছে ৬৮ রানের বিশাল জয়। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এখন ১-১ সমতায় রয়েছে।

১৭৬ রানের লক্ষ্যে নেমে সাবধানী শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ২৪ রানেই ভাঙতে পারত তাদের উদ্বোধনী জুটি। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে লকি ফার্গুসনকে সোজা ড্রাইভ করতে যান ভিয়ান মুলডার। তবে কট এন্ড বোল্ড করতে পারেননি ফার্গুসন।

শুরুতে ক্যাচ মিস নিউজিল্যান্ডের জন্য তেমন একটা বিপদ হয়ে আসেনি। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে কনর এস্টারহুইজেনকে (৮) ফেরান বেন সিয়ার্স। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ভাঙনের শুরু। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা প্রোটিয়ারা ১৫.৩ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায়। যার মধ্যে শেষ ৫ উইকেট তারা হারিয়েছে ১৮ রানে। সাত নম্বরে নামা জর্জ লিন্ডের ঝোড়ো ইনিংস বৃথা গেছে। ১২ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রান করেন তিনি। তাঁর স্কোরই দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে সর্বোচ্চ।

নিউজিল্যান্ডের সিয়ার্স ও ফার্গুসন তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন। যাঁর মধ্যে সিয়ার্স ৩ ওভারে ১৪ রান খরচ করেছেন। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩ ওভারে ১৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কোল ম্যাকনকি ও জেমস নিশাম।

হ্যামিল্টনে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক কেশব মহারাজ। আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছে ১৭৫ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন ডেভন কনওয়ে। ৪৯ বলের ইনিংসে ৫ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মুলডার ২ ওভারে ১৪ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। লিন্ডে, মহারাজ, ওটনিল বার্টম্যান ও জেরাল্ড কোয়েটজি একটি করে উইকেট পেয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে কনওয়ের হাতেই।

error: Content is protected !!