মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ব্রিটিশরা কিভাবে বিশ্ব জয় করেছিল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৩ পিএম | 3 বার পড়া হয়েছে
ব্রিটিশরা কিভাবে বিশ্ব জয় করেছিল

ইতিহাসের এক সময়ে এমন একটি সাম্রাজ্য ছিল যার সম্পর্কে বলা হতো— “The Sun Never Sets on the British Empire.” অর্থাৎ, পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সবসময়ই ব্রিটিশদের শাসন চলত! 🌅
কিন্তু প্রশ্ন হলো— কিভাবে ছোট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র ব্রিটেন বিশ্বের বিশাল অংশের উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল? 🤔
🔎 ১. শক্তিশালী নৌবাহিনী (Royal Navy)
ব্রিটিশদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাদের নৌবাহিনী। সমুদ্রপথে তারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুত পৌঁছাতে পারত এবং বাণিজ্য ও সামরিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করত। 🚢⚓
💰 ২. বাণিজ্য ও কোম্পানি শাসন
ব্রিটিশরা প্রথমে সরাসরি যুদ্ধ নয়, বরং বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করত। যেমন— ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের বিশাল অংশ শাসন করেছিল। পরে সেই অঞ্চলগুলো সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যায়। 📦🌏
⚙️ ৩. শিল্প বিপ্লবের সুবিধা
শিল্প বিপ্লবের ফলে ব্রিটেন প্রযুক্তি, অস্ত্র, জাহাজ এবং অর্থনৈতিক শক্তিতে অন্যদের থেকে অনেক এগিয়ে যায়। ফলে তারা সহজেই অনেক দেশকে পরাজিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 🏭🔧
🤝 ৪. “Divide and Rule” নীতি
অনেক অঞ্চলে ব্রিটিশরা স্থানীয় রাজা, গোত্র বা গোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেছিল। এতে তারা কম শক্তি ব্যবহার করেই বড় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। ⚖️
🗺️ ৫. কৌশলগত উপনিবেশ
ব্রিটিশরা পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, দ্বীপ ও বাণিজ্য পথ নিয়ন্ত্রণ করেছিল— যেমন ভারত, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক অঞ্চল।
📜 ফলাফল:
১৯শ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য পৃথিবীর প্রায় এক-চতুর্থাংশ ভূমি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করত!
আজও বিশ্বের অনেক ভাষা, আইন ব্যবস্থা, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব দেখা যায়।
📌 ইতিহাস আমাদের শেখায়— শক্তি শুধু অস্ত্রের নয়, অর্থনীতি, কৌশল ও প্রযুক্তির সমন্বয়েই একটি সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!