রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রবাসীদের সহযোগিতায় 

ফেনীর বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:০১ পিএম | 135 বার পড়া হয়েছে
ফেনীর বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

ফেনী জেলার বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামের গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, ফেনী জেলা শাখা।

মানবিক এই উদ্যোগে সহযোগিতা করেছেন কুয়েত প্রবাসী মোঃ ওসমান গণী, মোঃ ফারুকুল ইসলাম (তাকিয়া রোড, ফেনী) এবং ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস (ইসলামপুর রোড, ফেনী)।

সম্প্রতি আয়োজিত এ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে গ্রামের অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও প্রয়োজনীয় পোশাক বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মানবিক সহায়তা গরীব মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ।

ফেনী জেলা অফিসার জনাব উসমান গণী, সুজন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মোঃ ইব্রাহিম মিয়াজী, আলাউদ্দিন ভুঁইয়া সহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার দাগনভূঞা উপজেলার সহ-সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। প্রবাসী ও স্থানীয় সমাজসেবীদের সহযোগিতায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারা আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসার মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।

এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।

বস্ত্র পেয়ে উপকৃত অনেকেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন

জলঢাকা থানায় হ্রাস পেয়েছে মামলার সংখ্যা ও অপরাধ প্রবনতা

জসিনুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫০ পিএম
জলঢাকা থানায় হ্রাস পেয়েছে মামলার সংখ্যা ও অপরাধ প্রবনতা

চুরি, ছিনতাই, জুয়া, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং বাল্যবিয়ে সহ অপরাধ ও নিরাপদ, উপজেলা গঠনের লক্ষ্য নিয়ে জলঢাকা থানা এলাকায় নিরাপদ ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম।

জলঢাকা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেই মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম এর পর থেকেই বিভিন্ন মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় বহু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালানীদের

জলঢাকা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী এবং প্রকাশ্যে চোরাচালান বাণিজ্যে বাধাগ্রস্থ করা অভিযানকে থামিয়ে দিতে কৌশল অবলম্বন অব্যাহত রেখেছে অপরাধীরা। ওসির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপ-প্রচার চালাতে থাকে বিশেষ একটি কুচক্রী মহল।

ওসি নাজমুল আলম তার নিজ যোগ্যতা, আর দক্ষতায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সচেতন মহল ও সাধারণ এলাকাবাসীর মন জয় করেছেন। সেই সাথে একজন সফল ওসি হিসেবে যত গুণাবলী প্রয়োজন তা তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে চোরাচালান কারবারীদের লাগাম টেনে ধরেছে তাঁর নেতৃত্বে জলঢাকা থানা পুলিশ।

জলঢাকা থানার ওই ওসির নেতৃত্বে থানার অফিসার ফোর্স অপরাধীদের কঠোর হাতে দমন অব্যাহত রেখেছেন। ফলে পুর্বের তুলনায় মামলার সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। থানা এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে থানা পুলিশের টহল থাকায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড অনেকটাই আগের তুলনায় কমেছে বলে জানান এলাকাবাসী। আগে অলিতে গলিতে বিভিন্ন অপরাধীরা হরহামেশাই বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত থাকায় অতিষ্ঠ ছিলো এলাকাবাসী। যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিলো সেসব এলাকার অপরাধীদের আখড়ায় ওসি নাজমুল আলম নিজেই অভিযান পরিচালনা করেছেন।

এলাকাবাসী বলেন, আগের তুলনায় জলঢাকা থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। থানা পুলিশের টহল বৃদ্ধি করায় অপরাধীদের আনাগোনা কমেছে। প্রতিদিন যদি নিয়মিত থানা পুলিশের তৎপরতা থাকে তাহলে অপরাধীরা অপরাধ কর্মকান্ড করতে সুযোগ পাবে না বলে জানান এলাকার জনসাধারণ।

জলঢাকা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর থেকে থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভুমিদস্যুতা সহ সকল অপরাধ কমে এসেছে। থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিনতাইয়ের মত অপরাধ তার কঠোর হস্তক্ষেপে সহনশীল পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসীর নিকট প্রশংসায় পঞ্চমুখর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম । তবে এক শ্রেনীর লোকজন অপকর্ম করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এবিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল বলেন- জলঢাকা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যে অনেক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সেবা প্রদান করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হউক অপরাধ করলে ছাড় নাই। মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, জুয়াড়ী ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য জলঢাকা থানা বাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পুলিশকে যদি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয় তাহলে পুলিশ এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবে। তাহলে এ দেশ একদিন অপরাধ মুক্ত দেশে রুপান্তরিত হবে।

দিঘলিয়ায় অপরাধ দমনে সুধী সমাবেশ: মুরাদ হত্যা মামলার দ্রুত বিচার আশ্বাস ডিআইজির

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
দিঘলিয়ায় অপরাধ দমনে সুধী সমাবেশ: মুরাদ হত্যা মামলার দ্রুত বিচার আশ্বাস ডিআইজির

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ই মার্চ) দিঘলিয়া উপজেলা প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করে দিঘলিয়া থানা পুলিশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক (পিপিএম)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) সাইফুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তারা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক বলেন, “মাদক নির্মূলের সঙ্গে সমাজের সুস্থতা জড়িত। সমাজকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে হলে সমাজের সচেতন মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি সকল নাগরিককে আইনি সহায়তা প্রদানে পুলিশ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান। এ সময় দিঘলিয়ার চাঞ্চল্যকর যুবদল নেতা মুরাদ খান হত্যা মামলার বিষয়ে নিহতের স্ত্রীর করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ মামলায় জড়িত সকলকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে আদালতে সোপর্দ করা হবে।” তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সমাজে যারা ক্রিমিনাল, চাঁদাবাজ, মাস্তান ও প্রভাব বিস্তারকারী—তাদের সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন। তথ্যদাতাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে আমি আশ্বস্ত করছি।” তিনি আরও বলেন, “জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের একার পক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।” পুলিশ সুপার আরও বলেন, “কোনো পুলিশ সদস্য যদি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে সে তথ্য আমাদের দিন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেব। যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আপনারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও যেতে পারেন।”
সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা অপরাধমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার

ঈশ্বরদীতে ৪০ পিচ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
ঈশ্বরদীতে ৪০ পিচ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ কালাম হোসেন ( ৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।

গ্রেফতার কালাম হোসেন ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের বিলকেদার গ্রামের মৃত আলল মল্লিকের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের বিলকেদার মল্লিকপাড়া গ্রাম থেকে মাদক ব্যবসায়ী কালাম হোসেনকে আটক করা হয়। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

error: Content is protected !!