শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রবাসীদের সহযোগিতায় 

ফেনীর বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:০১ পিএম | 134 বার পড়া হয়েছে
ফেনীর বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

ফেনী জেলার বালিগাঁও মধুয়াই গ্রামের গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, ফেনী জেলা শাখা।

মানবিক এই উদ্যোগে সহযোগিতা করেছেন কুয়েত প্রবাসী মোঃ ওসমান গণী, মোঃ ফারুকুল ইসলাম (তাকিয়া রোড, ফেনী) এবং ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস (ইসলামপুর রোড, ফেনী)।

সম্প্রতি আয়োজিত এ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে গ্রামের অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও প্রয়োজনীয় পোশাক বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মানবিক সহায়তা গরীব মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ।

ফেনী জেলা অফিসার জনাব উসমান গণী, সুজন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মোঃ ইব্রাহিম মিয়াজী, আলাউদ্দিন ভুঁইয়া সহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার দাগনভূঞা উপজেলার সহ-সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। প্রবাসী ও স্থানীয় সমাজসেবীদের সহযোগিতায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারা আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসার মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।

এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।

বস্ত্র পেয়ে উপকৃত অনেকেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

মো. আরফান আলী

ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

মো. আরফান আলী, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ পিএম
ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

ঠাকূরগাঁও জেলায় পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ, হরিপূর নামক স্থানে গো-খাদ্য হিসেবে গম শস্য হাট- বাজার ও ভ্যানে করে বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষক অধিক লাভের আশায় গম ফসল খেত ঘাস পাইকারী কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। গম ফসল তোলার অপেক্ষা না করে একই সময়ে দুইবার গম ঘাস হিসেবে বিক্রি যোগ্য। বাজারে পর্যাপ্ত গিনি, পারা, নেপিয়ার, ভূট্রা ঘাস থাকার পরও গম দানাদার খাদ্যশস্য গো-খাদ্য ব্যবহার করা লক্ষ্য করা যায়। এক বিঘা অর্থাৎ ৫০ শতাংশ জমিতে পরিপক্ব অবস্থায় বিক্রি করলে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকের ভাষ্য মতে, গম পাকানোর চাইতে কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করা অধিক লাভ।
ঠাকূরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর জানান,” যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে সেটা কৃষক ব্যবহার করে। “
গম বীজ গো-খাদ্য ব্যবহার ফলে রাসায়নিক সার উচ্চ মাত্রা ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন এর নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান অদূর ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যহত হলে গম নির্ভরশীল পণ্য দাম বৃদ্ধি, খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে, গম দ্বারা সুজি,বার্লি, সাগু, আটা, ময়দা, প্রস্তুত করা হয়।

চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল এলাকায় পুকুর সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে একটি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বাঘলবাড়ি গ্রামের একটি মাঠের পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

‎জানা যায়, সরকারি একটি প্রকল্পের আওতায় পুকুরটি সংস্কারের জন্য ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে মাটি কাটার সময় শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

‎পুকুর খননকাজের দায়িত্বে থাকা গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রীস আলী বিষয়টি থানায় ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী এবং হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তারা মূর্তিটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে মূর্তিটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজিত বিষ্ণু দেবতার এবং এটি অনেক প্রাচীন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকায় আগে কোনো প্রাচীন মন্দির বা স্থাপনা থাকতে পারে, যার অংশ হিসেবে মূর্তিটি মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।

‎চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কেজি। মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আপাতত এটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

আজ ৭ মার্চ ২০২৬, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের একমাত্র পুত্র, আদরের সন্তান ও বংশের গর্ব মোঃ মুনতাসীর রহমান -এর প্রথম জন্মদিন।আজ তার ১ বছর পূর্ণ হলো ।আজকের এই দিনে সকলের কোল উজার করে পৃথিবীর আলোবাতাস দেখেছেন তিনি ।

তার এই জন্মদিনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মুনতাসীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। সবাই মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন—তিনি যেন সুস্থ, দীর্ঘায়ু ও নেককার বান্দা হিসেবে গড়ে ওঠেন।

মুনতাসীরের বাবা-মা দোয়া চেয়ে বলেন, “আমাদের সন্তান যেন বড় হয়ে একজন আলেম, রাসূল (সঃ)-এর অনুসারী ও সমাজের উপকারে আসা একজন আদর্শ মানুষ হতে পারে—এই আমাদের কামনা।”

আজকের এই শুভ দিনে সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি রইল সালাম ও দোয়ার অনুরোধ ।

error: Content is protected !!