শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান

সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার ও অপব্যবহার প্রতিরোধে সতর্কতা জোরদার

MD. AZGAR ALI
MD. AZGAR ALI - Khulna Bureau Chief, KHULNA DIVISION প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম | 43 বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার ও অপব্যবহার প্রতিরোধে সতর্কতা জোরদার

সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার ও অপব্যবহার প্রতিরোধে সতর্কতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন, স্থলবন্দর এবং সম্ভাব্য পাচার রুটে বিশেষ নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে পাচার প্রতিরোধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
শনিবার (৭ মার্চ) সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ও পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও দামের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর সম্ভাব্য প্রভাব দেশের অভ্যন্তরেও পড়তে পারে। তাই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও জানান, অনেক সময় বিদেশি কার্গো যানবাহন কম জ্বালানি নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে স্থানীয়ভাবে ট্যাংক পূর্ণ করে আবার সীমান্ত অতিক্রম করে। আবার বাংলাদেশি কার্গো যানবাহন প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জ্বালানি বহন করে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করে। এসব অনিয়ম প্রতিরোধে বিজিবি বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এ লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের বিক্রি ও বিপণন কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় কঠোর নজরদারি ও বিশেষ তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য পাচার রুটগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যমান চেকপোস্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং মোবাইল টহল জোরদার করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্ত এলাকার জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে বিভিন্ন মতবিনিময় সভা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে সবাই মিলে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত সুরক্ষিত থাকলে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের উপঅধিনায়ক সাদমান সাদিক, উপসহকারী পরিচালক মাসুম বেগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

মো. আরফান আলী

ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

মো. আরফান আলী, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ পিএম
ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

ঠাকূরগাঁও জেলায় পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ, হরিপূর নামক স্থানে গো-খাদ্য হিসেবে গম শস্য হাট- বাজার ও ভ্যানে করে বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষক অধিক লাভের আশায় গম ফসল খেত ঘাস পাইকারী কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। গম ফসল তোলার অপেক্ষা না করে একই সময়ে দুইবার গম ঘাস হিসেবে বিক্রি যোগ্য। বাজারে পর্যাপ্ত গিনি, পারা, নেপিয়ার, ভূট্রা ঘাস থাকার পরও গম দানাদার খাদ্যশস্য গো-খাদ্য ব্যবহার করা লক্ষ্য করা যায়। এক বিঘা অর্থাৎ ৫০ শতাংশ জমিতে পরিপক্ব অবস্থায় বিক্রি করলে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকের ভাষ্য মতে, গম পাকানোর চাইতে কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করা অধিক লাভ।
ঠাকূরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর জানান,” যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে সেটা কৃষক ব্যবহার করে। “
গম বীজ গো-খাদ্য ব্যবহার ফলে রাসায়নিক সার উচ্চ মাত্রা ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন এর নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান অদূর ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যহত হলে গম নির্ভরশীল পণ্য দাম বৃদ্ধি, খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে, গম দ্বারা সুজি,বার্লি, সাগু, আটা, ময়দা, প্রস্তুত করা হয়।

চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল এলাকায় পুকুর সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে একটি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বাঘলবাড়ি গ্রামের একটি মাঠের পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

‎জানা যায়, সরকারি একটি প্রকল্পের আওতায় পুকুরটি সংস্কারের জন্য ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে মাটি কাটার সময় শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

‎পুকুর খননকাজের দায়িত্বে থাকা গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রীস আলী বিষয়টি থানায় ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী এবং হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তারা মূর্তিটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে মূর্তিটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজিত বিষ্ণু দেবতার এবং এটি অনেক প্রাচীন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকায় আগে কোনো প্রাচীন মন্দির বা স্থাপনা থাকতে পারে, যার অংশ হিসেবে মূর্তিটি মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।

‎চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কেজি। মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আপাতত এটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

আজ ৭ মার্চ ২০২৬, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের একমাত্র পুত্র, আদরের সন্তান ও বংশের গর্ব মোঃ মুনতাসীর রহমান -এর প্রথম জন্মদিন।আজ তার ১ বছর পূর্ণ হলো ।আজকের এই দিনে সকলের কোল উজার করে পৃথিবীর আলোবাতাস দেখেছেন তিনি ।

তার এই জন্মদিনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মুনতাসীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। সবাই মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন—তিনি যেন সুস্থ, দীর্ঘায়ু ও নেককার বান্দা হিসেবে গড়ে ওঠেন।

মুনতাসীরের বাবা-মা দোয়া চেয়ে বলেন, “আমাদের সন্তান যেন বড় হয়ে একজন আলেম, রাসূল (সঃ)-এর অনুসারী ও সমাজের উপকারে আসা একজন আদর্শ মানুষ হতে পারে—এই আমাদের কামনা।”

আজকের এই শুভ দিনে সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি রইল সালাম ও দোয়ার অনুরোধ ।

error: Content is protected !!