বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দ্বন্দ্বের সুফল যাবে বিএনপির ঘরে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৪ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দ্বন্দ্বের সুফল যাবে বিএনপির ঘরে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দ্বন্দ্বের সুফল যাবে বিএনপির ঘরে। এমনই ধারণা বিভিন্ন আসনের ভোটারদের। নিজেদের এলাকা বরিশালে তিন থেকে চারটি আসনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রায় সমসংখ্যক আসনে জামায়াতে ইসলামীরও রয়েছে শক্ত অবস্থান। ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর ঐক্যের কারণেই সৃষ্টি হয়েছিল এই পরিস্থিতির। তবে সেই অবস্থান এখন হারাতে বসেছে তারা। ভোট ভাগ হলে দুর্বল হবে তাদের অবস্থান। ফলে জিতে যাবে ধানের শীষ। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে এখানে ২-৩টির বেশি আসন পাবে না জামায়াত ও চরমোনাই। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিলছে এমনই তথ্য।
বরিশালের ২১টি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে ২০টিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। জোটকে ছাড়া হয়েছে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) নির্বাচনি এলাকা। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের জন্য আসনটি ছেড়েছে তারা। ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের আসন বলে পরিচিত বরিশাল-৫ (সদর) আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াজ্জম হোসাইন হেলাল। এদিকে ইসলামী আন্দোলনও একটি আসন রেখে মনোনয়ন দাখিল করেছে ২০টি নির্বাচনি এলাকায়। জামায়াত নেতা মরহুম মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আসন পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী)-এ কোনো প্রার্থী দেয়নি তারা। এখানে নির্বাচন করছেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। সাঈদীর আরেক ছেলে শামিম সাঈদীর পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেসারাবাদ) এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনেও মনোনয়ন দাখিল করেছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা। জয়ের সম্ভাবনা থাকা আসনগুলোতে এভাবে পালটাপালটি মনোনয়ন দাখিলের ঘটনাতেই পরিষ্কার হয়ে গেছে জামায়াত আর ইসলামী আন্দোলনের বিরোধ। এ নিয়ে অবশ্য আরও কয়েক দিন আগে থেকেই মিলছিল আভাস। ৮ দলের ঐক্যে এনসিপি-এবি পার্টিসহ আরও তিন দলের যোগদানের দিন যা অনেকটা পরিষ্কার হয়।

মনোনয়ন দাখিলের এই লড়াইয়ে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বরিশাল অঞ্চল। কেননা এখানেই সূতিকাগার চরমোনাই পীর তথা ইসলামী আন্দোলনের। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নে দরবার শরিফ চরমোনাই পীরের। স্বভাবতই বরিশালে তাদের সাংগঠনিক শক্তি আর জনসমর্থনও বেশি। যদিও এখানকার কোনো আসনেই কখনো জিততে পারেনি ইসলামী আন্দোলনের কোনো প্রার্থী। তবে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকাতেই রয়েছে তাদের নিজস্ব ভোটব্যাংক। এই ভোটব্যাংকের সঙ্গে জামায়াতসহ অন্য ইসলামী দলগুলোর ঐক্য মিলে তাদের জন্য সম্ভাবনা হয়ে ওঠে এখানকার ৩-৪টি আসন। এসব আসন হচ্ছে পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া), বরিশাল-৫ (সদর), বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী)। একইভাবে জামায়াতও তাদের শক্ত অবস্থানের জানান দেয় তিনটি আসনে। এগুলো হলো-পিরোজপুর-১, পিরোজপুর-২ ও পটুয়াখালী-২। এছাড়া বিভাগের অন্য ১৪টি আসনেও তৈরি হয় বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ ইসলামী দলগুলোর লড়াইয়ের সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দ্বন্দ্বে। ঐক্য না টিকলে বরিশালে একটি আসনও তারা পাবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। যে সংশয় নিশ্চিত করছে এসব আসনে বিএনপি প্রার্থীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা।
বরিশালে এখন পর্যন্ত একটিমাত্র আসনে জয়ের রেকর্ড আছে জামায়াতে ইসলামীর। সেটি মরহুম মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পিরোজপুর-১। ’৯৬-এর নির্বাচনে ২৮০ ভোটের ব্যবধানে এখানে জেতেন তিনি। সেবার এককভাবে নির্বাচন করেছিল জামায়াত। ২০০১-এ জোটবদ্ধ বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থী হয়ে জিতলেও মরহুম সাঈদীর প্রাপ্ত ভোট ছিল পরাজিত প্রার্থীর তুলনায় মাত্র সাত হাজার বেশি। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী যখন বিএনপি-জামায়াত তখন চরমোনাইয়ের ভোটকে ধরা হয়েছিল জয়ের নিয়ামক শক্তি হিসাবে। ঐক্য থেকে চরমোনাই চলে গেলে জয় পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে জামায়াতের জন্য। একই ঘটনা ঘটতে পারে বরিশাল সদর আসনে। এখানে ২৫ থেকে ৩৩ হাজার ভোট পাওয়ার রেকর্ড রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের। এর সাথে জামায়াতসহ ঐক্যের অন্য দলগুলোর ভোট যোগ হলে জয় পাওয়ার একটা সম্ভাবনা ছিল হাতপাখার। জামায়াত সরে গেলে অসম্ভব হয়ে যাবে সেই সম্ভাবনা। বরিশালের অন্য আসনগুলোতেও ঘটবে একই ঘটনা। ফলে সব আসনেই জয় পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে বিএনপির। বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ভোটাররা বলছেন, জামায়াত-চরমোনাইসহ ১১ দলের যে ঐক্য তা ছিল বিএনপির জন্য অশনিসংকেত। শেষ পর্যন্ত এই ঐক্য না থাকলে ধানের শীষের জয় ঠেকানো সম্ভব হবে না কারও পক্ষে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, এটা তো কোনো রাজনৈতিক জোট নয়, এটা হচ্ছে নির্বাচনি ঐক্য। আমরাই প্রথম বলেছি এই ঐক্যের কথা। আমাদের আমির চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমই প্রথম বলেছেন যে সব ইসলামী দল মিলে কেন্দ্রে একটি ব্যালট বাক্স পাঠানোর কথা। নির্বাচনি ঐক্যে যেখানে যে দলের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি সেখানে তারা প্রার্থী দেবে, এটাই তো হওয়ার কথা। সারা দেশের ১৪৩টি আসনে জয়ী হওয়ার মতো অবস্থা আছে আমাদের। অথচ পত্র-পত্রিকায় দেখছি আমাদের নাকি ৩৫টি আসন দেওয়া হচ্ছে। কে নিল এই সিদ্ধান্ত? বরিশাল অঞ্চলেই তো ১৮-১৯টি আসনে জয়ের সক্ষমতা রয়েছে আমাদের। তার পরও আমরা বলছি যে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর নিষ্পত্তি হোক। কিন্তু সেই আলোচনার পরিবেশও পাচ্ছি না। কেউ একজন কিছু একটা চাপিয়ে দিলেই যে মেনে নেব সেটা ভাবা ঠিক নয়। সারা দেশে আমাদের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সমঝোতা যদি হয় তো ভালো, নয়তো সব আসনেই নির্বাচন করব।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বলেন, এখনই তো সব শেষ হয়ে যায়নি। আমরা আশাবাদী যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

মন্ত্রীদের পাশে আসন পেলেন উখিয়া টেকনাফ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২:২৩ পিএম
মন্ত্রীদের পাশে আসন পেলেন উখিয়া টেকনাফ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি- জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় রচিত বিশেষ প্রতিবেদন

নেতানিয়াহুর মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য: মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তোলপাড় ও এআই বিতর্কের নেপথ্যে কী?

বিশেষ প্রতিনিধি- জাহারুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২:১৮ পিএম
নেতানিয়াহুর মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য: মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তোলপাড় ও এআই বিতর্কের নেপথ্যে কী?

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বর্তমানে এক চরম উত্তেজনা ও ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহুর মৃত্যু নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবর এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। একদিকে যখন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধবিরতির চেষ্টায় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি শীর্ষ নেতৃত্বের পতনের খবর আন্তর্জাতিক মহলে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।
** সিজারিয়ায় হামলা ও স্কট রিটারের চাঞ্চল্যকর দাবি:- এই খবরের সূত্রপাত মূলত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা ও সমর বিশ্লেষক স্কট রিটারের একটি কথিত দাবিকে কেন্দ্র করে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটি (RT)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলের সিজারিয়াতে অবস্থিত নেতানিয়াহুর পারিবারিক বাসভবনে ইরানের শক্তিশালী ব্যালিস্টিক মিসাইল সরাসরি আঘাত হেনেছে।
** রিটারের দাবি অনুযায়ী:-
* হামলায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও তার ভাই ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।
* কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির মারাত্মক আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
* ইসরায়েলের গর্বের ‘আয়রন ডোম’ এই নিখুঁত আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।
** নেতানিয়াহুর অন্তর্ধান ও ‘এআই’ বিতর্ক:- গুজব ও রহস্য দানা বাঁধার প্রধান কারণ হলো গত ৭ মার্চের পর থেকে নেতানিয়াহুর রহস্যজনক অনুপস্থিতি। এতদিন পার হলেও তাকে কোনো লাইভ ভিডিও বা জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার একটি ছবি প্রকাশ করলেও নেটদুনিয়ায় তা উল্টো বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ছবিটি ‘এআই জেনারেটেড’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। আলোর প্রতিফলন ও সূক্ষ্ম কারিগরি ত্রুটিগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এটি একটি ভুয়া ছবি হতে পারে। প্রশ্ন উঠছে-যদি প্রধানমন্ত্রী জীবিত ও সুস্থই থাকেন, তবে তিনি কেন সশরীরে ক্যামেরার সামনে এসে সব জল্পনার অবসান ঘটাচ্ছেন না?
ইরানের প্রযুক্তির জয় নাকি প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ?- ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ স্কট রিটারের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের বরাতে দাবি করছে যে, ইরান এখন ইসরায়েলের ওপর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই খবর সত্য হয়, তবে এটি হবে আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘সারপ্রাইজ অ্যাটাক’। তবে অনেক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, যেমন চীনের সিনহুয়া, এই খবরকে ‘ভিত্তিহীন গুজব’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ:-
* সর্বশেষ দর্শন:- ৭ মার্চ (বিরশেবা এলাকায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন)।
* দাবি:- সিজারিয়ার বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত্যু।
* বিপরীত যুক্তি:- ইসরায়েল ও পশ্চিমা গণমাধ্যম বিষয়টিকে গুজব বলছে।
* রহস্যের কেন্দ্র:- নেতানিয়াহুর সশরীরে অনুপস্থিতি ও এআই বিতর্কিত ছবি।
** শেষ কথায় যুদ্ধের রনকৌশল এবং বিশ্ব রাজনীতির পরিস্থিতি এখন কোন দিকে তাকিয়ে?-
মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত সমীকরণে এই গুঞ্জন যদি শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা ইসরায়েল ও আমেরিকার সামরিক দম্ভের জন্য এক বিশাল আঘাত হবে। ইরান কি সত্যিই ইসরায়েলের দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা ভেঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বকে নির্মূল করতে পেরেছে, নাকি এটি ইরানের একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ-তা সময়ের ব্যবধানেই পরিষ্কার হবে। নিশ্চত চরম সত্যতা প্রমাণের জন্য বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং নেতানিয়াহুর সশরীরে উপস্থিতির ওপর।

ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ মালাইকা অরোরা মানেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। কখনো আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কখনো অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অসম প্রেম, আবার কখনো কোনো হিরের ব্যবসায়ীর সঙ্গে নাম জড়ানো মালাইকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের।
তবে এবার কোনো গুঞ্জন বা লুকোছাপা নয়, বরং নিজেই নিজের মনের মানুষের কথা জনসমক্ষে আনলেন এই অভিনেত্রী। মালাইকার জীবনের নতুন এই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, তিনি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নভজ্যোত সিং সিধু।
সম্প্রতি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে মালাইকা তাদের এই বিশেষ সম্পর্কের কথা জানান। গ্ল্যামার দুনিয়ার কৃত্রিমতার বাইরে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে মালাইকা বলেন, ‘অনেকে বলেন একটা বয়সের পর নতুন বন্ধু পাওয়া কঠিন, কারণ মানুষের হাতে সময় নেই। কিন্তু সিধুর মধ্যে আমি একজন সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছি। তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতটাই অকৃত্রিম যে আমি জানি, তিনি কখনোই আমার মনে কষ্ট দেবেন না।’
কথার মাঝেই মালাইকা এক মজার তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, সিধু নিয়ম করে প্রতি ১৫-২০ দিন অন্তর অমৃতসর থেকে মালাইকার জন্য খাঁটি সাদা মাখন, মুখরোচক স্ন্যাকস এবং গুড় পাঠিয়ে দেন। এই শুনেই শো-র সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘ম্যাম, অমৃতসরের কুলচার ওপর সাদা মাখন দেখলেই এখন আপনার কথা মনে পড়ে যায়।’

error: Content is protected !!