বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ

ভূমি সেবায় অনিয়মের অভিযোগ: ভালুকা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৬ এএম | 11 বার পড়া হয়েছে
ভূমি সেবায় অনিয়মের অভিযোগ: ভালুকা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে নানা অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অফিসের সার্ভেয়ার,উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা,সার্টিফিকেট পেশকার ও মিউটেশন সহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি,মনগড়া প্রতিবেদন তৈরি এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তিতে ফেলার অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। অভিযোগে বলা হয়েছে,ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম,উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন,সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম ও মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেন—এই চার কর্মকর্তা বিভিন্ন সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে অনিয়মে জড়িত। সেবাগ্রহীতাদের দাবি,খতিয়ান সৃজন,নামজারি,তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে মোটা অঙ্কের উৎকোচ দাবি করা হয়। অর্থ না দিলে ফাইল আটকে রাখা,মনগড়া প্রতিবেদন দেওয়া কিংবা আবেদন বাতিলের মতো নানা হয়রানির মুখে পড়তে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান,সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম ভালুকা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে নানা কৌশলে অনিয়ম করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে—কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ঘুষ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবেদন দেওয়া হয় না। কখনও আবার অর্থের বিনিময়ে প্রতিবেদনে সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এসব কাজে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন সহযোগিতা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন,তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ভুলবশত রেকর্ড হওয়ায় সংশোধনের জন্য ভূমি অফিসে গেলে সার্ভেয়ার মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আরেকজন ভুক্তভোগী জানান,
পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব পড়লে তিনি ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই না করেই প্রতিপক্ষের পক্ষে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেন। একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের একটি জমি বিরোধ নিয়েও। ভুক্তভোগীদের দাবি,সার্ভেয়ারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ যাচাই ছাড়া সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে,যা নিয়ে প্রকৃত মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কাচিনা ইউনিয়নের এক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন,তার জমির নামজারি খতিয়ান করতে গেলে সার্ভেয়ার প্রথমে জমির মালিকানা নিয়ে আপত্তি তোলেন। পরে সার্ভেয়ারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন তাকে প্রায় এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা দিলে সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে,সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে এক ব্যক্তির দখলীয় জমি অন্যজনকে পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিকূল মতামত দেওয়া হয়,যার ফলে এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ বাড়ছে। কাদিনগর,পালাগাঁও ও তামাট এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন,সার্ভেয়ার যোগদানের পর থেকে কিছু এলাকায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কিছু সহযোগীর মাধ্যমে প্রতিপক্ষ তৈরি করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ,ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া প্রায় কোনো কাজই হয় না। জমির নামজারি,খতিয়ান যাচাই, তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা খাজনা সংক্রান্ত কাজে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি মিউটেশনের ফি প্রায় ১১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। এ ক্ষেত্রে মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে তথ্য নিতে গিয়ে পরিচয় গোপন রেখে কয়েকজন সেবাগ্রহীতার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান,সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করলেও কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে সেই উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের অভিযোগ,অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা ও তাদের নিয়ন্ত্রিত দালালদের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে ফাইল এসিল্যান্ডের দপ্তরে পাঠানোই হয় না। একজন সেবাগ্রহীতা জানান, বাবার নামে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি নিজের নামে নামজারি করতে কয়েক দিন অফিসে ঘোরাঘুরি করার পর উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা তাকে ‘অফিস খরচ’ দেওয়ার কথা বলেন। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়ার পরই তার কাজ সম্পন্ন হয়। অভিযোগ রয়েছে,রুবেল হোসাইন সাধারণ স্টাফ হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে বারবার এসিল্যান্ড অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি,কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করলে কিংবা জেলা প্রশাসককে জানাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা তা আমলে নেন না এবং নিজেদের প্রভাবের কথা বলে বিষয়টি উড়িয়ে দেন। এ প্রসঙ্গে এক সামাজিক বিশ্লেষক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন চালু হলেও তৃণমূল পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে তার সুফল পৌঁছায়নি। ফলে এখনো সেবাগ্রহীতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি মনে করেন,ভূমি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং কার্যকর তদারকি প্রয়োজন। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তারা।

ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ মালাইকা অরোরা মানেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। কখনো আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কখনো অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অসম প্রেম, আবার কখনো কোনো হিরের ব্যবসায়ীর সঙ্গে নাম জড়ানো মালাইকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের।
তবে এবার কোনো গুঞ্জন বা লুকোছাপা নয়, বরং নিজেই নিজের মনের মানুষের কথা জনসমক্ষে আনলেন এই অভিনেত্রী। মালাইকার জীবনের নতুন এই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, তিনি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নভজ্যোত সিং সিধু।
সম্প্রতি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে মালাইকা তাদের এই বিশেষ সম্পর্কের কথা জানান। গ্ল্যামার দুনিয়ার কৃত্রিমতার বাইরে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে মালাইকা বলেন, ‘অনেকে বলেন একটা বয়সের পর নতুন বন্ধু পাওয়া কঠিন, কারণ মানুষের হাতে সময় নেই। কিন্তু সিধুর মধ্যে আমি একজন সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছি। তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতটাই অকৃত্রিম যে আমি জানি, তিনি কখনোই আমার মনে কষ্ট দেবেন না।’
কথার মাঝেই মালাইকা এক মজার তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, সিধু নিয়ম করে প্রতি ১৫-২০ দিন অন্তর অমৃতসর থেকে মালাইকার জন্য খাঁটি সাদা মাখন, মুখরোচক স্ন্যাকস এবং গুড় পাঠিয়ে দেন। এই শুনেই শো-র সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘ম্যাম, অমৃতসরের কুলচার ওপর সাদা মাখন দেখলেই এখন আপনার কথা মনে পড়ে যায়।’

‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বড় পর্দা কাঁপাতে আসছেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে তার তুরুপের তাস এবার ‘প্রিন্স’। সিনেমাটির ঘোষণা আসার পর থেকেই ভক্তদের মনে ছিল টানটান উত্তেজনা।
সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঠিক দুপুর ১২টায় প্রকাশ পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির প্রথম ঝলক বা টিজার।
সিনেমাটির ‘ফার্স্টলুক’ পোস্টার প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শাকিব খানের নতুন রূপ আর রহস্যময় আবহ দর্শকদের কৌতূহল উসকে দিয়েছে কয়েক গুণ।
পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড’-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে টিজারটি উন্মুক্ত করা হবে। সিনেমাটির পটভূমি সাজানো হয়েছে নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ও আভিজাত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণে।
কারিগরি দিক থেকেও চমক দিচ্ছে ‘প্রিন্স’। ভারতের ব্লকবাস্টার হিট ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায় সামলাচ্ছেন এর ক্যামেরার দায়িত্ব। ছবিটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।
‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে থাকছেন দুই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দেশের জনপ্রিয় মুখ তাসনিয়া ফারিণের পাশাপাশি দেখা যাবে কলকাতার জ্যোতির্ময়ীকে। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে ‘প্রিন্স’ যে প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে প্রস্তুত, টিজার প্রকাশের তারিখ ঘোষণাতেই তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

বর্তমান সময়ে শোবিজ জগতের তারকাদের রাজনৈতিক ময়দানে নাম লেখানো কোনো নতুন ঘটনা নয়। ওপার বাংলার দেব থেকে শুরু করে কোয়েল একাধিক জনপ্রিয় মুখ এখন সক্রিয় রাজনীতির মাঠে। তবে ইন্ডাস্ট্রির হাই প্রোফাইল তারকা হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সবসময় এই আঙিনা থেকে দূরে রেখেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
টলিউডের প্রথম সারির অনেক শিল্পী যখন সিনেমা এবং রাজনীতির মাঠ একসঙ্গে সামলাচ্ছেন, তখন ঋতুপর্ণা কেন ব্যতিক্রম? সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খোলসা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।
রাজনীতিতে যোগ না দেওয়ার কারণ হিসেবে ঋতুপর্ণা স্পষ্ট জানান, তিনি রাজনীতির মারপ্যাঁচ একেবারেই বোঝেন না।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যাপারটা কিছুই বুঝি না। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বা ইন্ডাস্ট্রির পলিটিক্সও আমি বুঝি না। যার ফলে আমাকে বারবার হোঁচট খেতে হয়। যে বিষয়টি নিয়ে আমার সঠিক ধারণা নেই, সেখানে আমি কাজ করতে চাই না।’
রাজনীতির চেয়ে নিজের অভিনয় জীবনকে সমৃদ্ধ করতেই বেশি আগ্রহী এই তারকা। ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। আমি সবসময় আমার শৈল্পিক সত্তাকে প্রাধান্য দিতে চাই এবং আমার শিল্পী জীবনকে আরও উন্নত করতে চাই। শিল্পী হিসেবে যদি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, সেটাই হবে আমার আসল সার্থকতা।’

error: Content is protected !!