মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

মধু উৎপাদন করে ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে খামারিদের

Md. Jhurul Islam
Md. Jhurul Islam - Crime Reporter, TARASH (SIRAJGONG) প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম | 84 বার পড়া হয়েছে
মধু উৎপাদন করে ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে খামারিদের

চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দিগন্তজোড়া সরিষার মাঠগুলো এখন মৌমাছি ও মৌচাষিদের গুঞ্জনে মুখরিত। সরিষা ফুলের এই অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৌচাষিরা। মৌ-বাক্সে মৌমাছির দল সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহে মগ্ন। মৌচাষিরা বলছেন, এ বছর সরিষার ভালো চাষ হওয়ায় মধুবদল  আহরণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় প্রায় শতাধিক মৌচাষি ৭ হাজার ৭ শত ১৫টি মৌ-বক্সের মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করছেন। উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৭২৫ কেজি (৫১ মেট্রিক টন)। এছাড়া প্রায় ৮ হাজার হেক্টর সরিষা জমিতে মৌ-বক্স বসানো হয়েছে।

মৌচাষি জিল্লুর রহমান জানান, “সরিষা চাষ ভালো হওয়ায় মধু উৎপাদনও ভালো হচ্ছে। এছাড়া ভালো দাম পাওয়ায় মৌচাষিরা মধুর ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন। প্রতি কেজি মধু সাড়ে ৩শ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।”

সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে আসা মৌচাষি আব্দুল আলিম জানান, “কাঠের বাক্সের ভেতরে মোম দিয়ে তৈরি ছয় থেকে সাতটি ফ্রেমে একটি রানি মৌমাছি রাখা হয়। রানির আকর্ষণে শ্রমিক মৌমাছিরা সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে সেই ফ্রেমে জমা করে। পরে মৌ-বক্স থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়।”

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার শমিষ্ঠা সেন গুপ্তা জানান, “মৌমাছিরা পরাগায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, ফলে সরিষার ফলনও ভালো হচ্ছে। প্রতি বছর চলনবিল এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌচাষিরা আসেন। তাদের সংগৃহীত মধু পাইকাররা কিনে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিক্রি করেন। সরিষা ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধু শুধু স্থানীয় চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বিদেশেও এর চাহিদা রয়েছে। এবার অনুকূল আবহাওয়ায় সরিষার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি মধু আহরণের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে।”

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

ঢাকায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

স্কুল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফা আলম

মাহিদুল ইসলাম হিমেল হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৪ পিএম
স্কুল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফা আলম

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার পূর্ব চর চেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফা আলম (রোল নং-৭) স্কুল চলাকালীন সময়ে দোতলা ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে।

জানা যায়, ২৯ মার্চ বিদ্যালয় চলাকালীন বিকেল আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটের দিকে সহপাঠীর ধাক্কায় সে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সে গুরুতরভাবে আহত হয়।

পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে সে ধানমন্ডির সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে।

সাইফা আলমের পিতা নুরুল আলম সাহেদ, যিনি স্থানীয় মাইজদী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, তার মেয়ের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

এদিকে, হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইকবাল উদ্দিন রাশেদ, যিনি সাইফার আপন মামা, তিনিও তার ভাগ্নির সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এই ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও সহমর্মিতার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

error: Content is protected !!