শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

দিনাজপুরে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ৫ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪৪ পিএম | 140 বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ৫ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে মানববন্ধন

২০ মার্চ বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়ে) প্রকল্প পবিত্র মাহে রমজানের মধ্যে পাস করে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাধারণ কেয়ারটেকার, মডেল কেয়ারটেকার, ফিল্ড সুপার ভাইজার সহ সকল জনবলের বেতন ঈদুল ফিতরের পূর্বে প্রদানসহ ৫ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে দিনাজপুর প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়কে দিনাজপুর জেলার সকল মউশিক শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ মাববন্ধন কর্মসূচী পালন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে কেন্দ্রীয় ঘোষিত সারাদেশের ন্যায় একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মোঃ জোবায়েদুর রহমান, জেলা কমিটির সভাপতি মাওলানা মোঃ আইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সোবহান, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হক সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারী, সহ সভাপতি হাফেজ মাওলানা গোলাম রাব্বানী, বিভাগীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ রাশেদুল হক রাশেদ। বক্তারা বলেন, মসিজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের অষ্টম প্রকল্প মাহে রমজানের মধ্যে অনুমোদন করতে হবে। বেতন বৃদ্ধিসহ ঈদুল ফিতরের পূর্বে বকেয়া বেতন ও বোনাস প্রদান করতে হবে। প্রকল্প স্থায়ী করণ করতে হবে এবং আউট সোর্সিং এ দেওয়া যাবে না। শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের প্রয়োজনে কেন্দ্র স্থানান্তরের সুযোগ প্রদান করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষকাগণ অসুস্থ কিংবা মৃত্যুবরণ করলে শিক্ষক তহবিল গঠন করে এককালীন অর্থ প্রদান করতে হবে। তারা আরোও বলে, এই পাঁচ দফা দাবী ঈদের পূর্বে না মানলে সারা দেশের ৭৩ হাজার ৭৬৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ঢাকায় প্রদান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনসহ কেন্দ্রীয় ঘোষিত বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে।

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জি আর (চাল) বিতরণ

শরিফুজ্জামান শান্ত, লালমনিরহাট কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি। প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জি আর (চাল) বিতরণ

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক সময়ে আদিতমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জিআর (চাল) বিতরণ করেন লালমনিরহাট-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রোকন উদ্দিন বাবুল মহোদয়।

আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

মাহিদুল ইসলাম হিমেল হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২২ পিএম
আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চলমান নৌ-যান ও ফেরি সংকট নিরসনে সরেজমিন পরিদর্শনে এসে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেছেন, “আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।”

শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে হাতিয়ার নলচিরা চৌঘাট পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলস্রুতিতে আমরা নিজ দায়িত্ব থেকে হাতিয়ার মানুষের পথ চলা সহজ করতে সমস্যাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হাতিয়ার উভয় পাশের ফেরিঘাট আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই একটি নতুন ফেরি যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ফেরি চলাচল আরও নিরাপদ ও টেকসই করতে ঘাটের র‍্যাম্প উন্নয়ন এবং দুই পাশের নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এছাড়াও নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের আরও কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ।

যশোরে তরুণীর সংবাদ সম্মেলন: প্রেম, ধর্ষণ ও বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
যশোরে তরুণীর সংবাদ সম্মেলন: প্রেম, ধর্ষণ ও বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যশোরে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ভুক্তভোগী নারী বিষ খাইয়ে তাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, অন্যদিকে প্রতিপক্ষ একে ১০ লাখ টাকার ‘চাঁদা না পেয়ে সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছে।

শনিবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের চিত্র ফুটে ওঠে।
অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোনিয়া আক্তার দিয়া (২৫) জানান, তার এই সংকটের শুরু ২০১৪ সালে। ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া যশোর শহরের চোপদারপাড়া এলাকার এহসান আহমেদ ফয়সালের সাথে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোনিয়ার অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফয়সাল তাকে কুয়াকাটায় নিয়ে একটি হোটেলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ফয়সাল বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে গত বছরের মে মাসে তিনি কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

সোনিয়া আরও অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় ফয়সালের পরিবার তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বিষ খাইয়ে দেয়। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রাখা হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তাকে এসিড নিক্ষেপ ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার ভাইকেও পুলিশ দিয়ে আটক করানো হয়েছে।

‘১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মনগড়া গল্প’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সোনিয়ার কথাবার্তায় কিছু অসংলগ্নতা ধরা পড়লে বিষয়টি ভিন্ন মোড় নেয়। এদিকে অভিযুক্ত ফয়সালের ভগ্নিপতি ব্যবসায়ী আইয়াজ উদ্দিন রিপন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, এটি একটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সাজানো অভিযোগ।

তাদের দাবি, সোনিয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফয়সালের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। টাকা না পেয়েই মানহানির উদ্দেশ্যে এই নাটক সাজানো হয়েছে এবং রাজনৈতিক নেতাদের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাদের কাছে টাকা দাবির ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।ধর্ষণ মামলা থেকে শুরু করে হত্যাচেষ্টার মামলা এবং সবশেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি বর্তমানে জেলাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখন পুলিশি তদন্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

error: Content is protected !!